তরমুজ, মিনাবাজার ও অটো হাতবোমা

আবু সাঈদ  ওবায়দুল্লাহ   তরমুজ লালের ভেতর কোথাও একটা স্বরগম কোথাও একটা রিফিউজি গ্রাম কেঁপে কেঁপে লম্বা একটা বাস ধুলিনাশকতার ভেতর আস্তে আস্তে ধীর প্যাসেঞ্জারের স্মৃতিবল্লম তার খালি চক্ষু-চিমনি কবরস্থানের পাশে পেঁপে গাছ হওয়া টেলিগ্রাম । ওড়ে মৌন চিঠিলেখা সবুজ রঙের খাম পৌঁছায় ২৬ মনেশ্বর লেন হাজারিবাগে। সেখানে একটা দাঁত …

সম্পুর্ন​

ঈভলিনের শহর ও অন্যান্য সম্পর্কগুলি

আবু সাঈদ ওবায়দুল্লাহ   জগিং সোনার পাতা গুঁড়িয়ে দেবার মুহূর্তে পৃথিবীতে জলের ধারণা হলো। সেই ভরসায় তোমার চোখ থেকে চুলে তাকালাম। এই প্রথম উড়তে উড়তে নাম না-জানা পাহাড়ে পাখি হয়ে আছো। মেঘ থেকে মেঘে ঠোঁট দিয়ে খুঁচিয়ে জড়ো করে রাখছো বরফ হয়ে থাকা জলগুলি।   পিকনিক পিকনিক শেষে এগিয়ে আসলো …

সম্পুর্ন​

অবিশ্বাসীর কবর

আবু সাঈদ ওবায়দুল্লাহ এমন সুনসান নিরালায় বিরান একটা মাটির ঘরে নামতেই আবদুল কাদিরের মনটা না-আনন্দ না-দুঃখ– এমন একটা অপরিচিত অনুভূতিতে ভরে উঠল। কালো গেরুয়া রঙের মাটি তাকে চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে। কোনো শক্ত ইট বালি দিয়ে বানানো বাসা তো না এটি। নতুন পেইন্ট বা সেদ্ধ মাংসের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে না …

সম্পুর্ন​

পাঁচটি কবিতা

আবু সাঈদ ওবায়দুল্লাহ   ছুটি ১ রোদে শুকানো পাজামা গলে পড়ছে প্রজাপতি গন্ধমুকুরের কাচ আরো পয়দা আরো এলাহী। হলুদ গোলাপি মিলে আরো রঙধনু তীর তীর শিকারপাখি শীতব্রিজ করে কুয়াশা কেয়াকাহিনী ঝুলছে বনের ভেতরে বনশা। স্কুল থেকে গোগুলে শাদানীল বাদামি পায়রা মেয়েরা গোপনে মঙ্গল রাখছে পালকের নিচে তাই দেখে মা করার …

সম্পুর্ন​

আবু সাঈদ ওবায়দুল্লাহ-এর তিনটি কবিতা

রিডিং গ্লাস ১ সমুদ্র লাগছে চোখে জল কাচ জল মণি কালো পর্দা সরে গিয়ে পুরোটাই নীল এইবার নারী হচ্ছে না কথাও বলছে না চুপ করে কেউ পাথর সরিয়ে ধরছে চাঁদ। সবুকিছু শুনতে পাচ্ছি মুখ মুখোশ হত্যাজমজ তাদের ফেলে দিয়ে ধীরে ঘরের সামনে আলপথের সূর্য তার ডিগবাজি পাতালরশ্মি। ক্ষেত করে আসছে …

সম্পুর্ন​

অনুবাদ কবিতা: মাতাল তরণি

অনুবাদ: আবু সাঈদ ওবায়দুল্লাহ   অসাড় নদীর ভেতরে ঢুবে যাওয়ার সময় আমি আর টের পাইনি আমাকে টানছে কোনো বাঁধন উজ্জল লাল চামড়া নিয়ে গেছে বণিকদের লক্ষ্যে রঙিন কাঠের খুঁটিতে গেঁথে তাদের নগ্ন। আমি উদাসীন আমার নাবিকদের প্রতি যারা বহন করছিল ফ্লেমিশ গম বা ইংলিশ তুলো যখন বণিকদের সব গর্জন থেমে …

সম্পুর্ন​

দুটি কবিতা

আবু সাঈদ ওবায়দুল্লাহ   মেলার মুখ ভিড়ের মধ্যে এক লাল ষাঁড় গুঁতো দিচ্ছে। তার শিং থেকে পিতলের ঘণ্টি বনাঞ্চলের মাটি গুড় গুড় করে ছড়িয়ে দিচ্ছে বাসকলতা পোড়ো জমির বনসাই। দূরে সরে যাচ্ছে না মানুষ। নরম কাধের মাংস ধরে গলাতে মালা পরিয়ে দিচ্ছে ছোটো ছেলেমেয়েদের দল। তাকে শহরের গরুর হাটে আনতেই …

সম্পুর্ন​