তুমি আর আমি

গৌতম চৌধুরী   ০১. ধীরে ধীরে একটা আদল কি গড়ে উঠছে লুপ্ত সভ্যতার এমন প্রশ্নের জবাব কোনও দিনই দিলে না তুমি বৃষ্টির দেশ থেকে তাই কেবলই চলে গেছি কাঁকরের দেশে চলে গেছি জাদুঘরে, যেখানে পুস্তকের ভস্ম রাখা আছে সমস্ত লিপিই হাস্যকর, গম্ভীর, বিপরীতমুখী তুমি জানালা খুলে দিলে, বললে, তাকিয়ে দেখো …

সম্পুর্ন​

বিরহ ও মিলন লইয়া এক পরস্তাব

গৌতম চৌধুরী রশির উপর দিয়া হাঁট তুমি, আমি দেহি বেবাক আন্ধার আমি দেহি, শূন্যে পাও ফালাইয়া ফালাইয়া তুমি চইলা যাও কুয়াসার দিকে তুমি মৎস্যমুখী পট, গজবিড়ালির তোমার মুখের হাস্য বান্ধাইয়া রাখে গোপবালিকারা জোসনাধারা দিবা তুমি, তুমি দিবা করতোয়া দুধের ফোয়ারা মাংসপিণ্ডে তুমি দিবা ফকফকা আলো আলোরে বানাইবা মাংস গামলার ভিতরে …

সম্পুর্ন​

স্মরণ: ২৩ জুলাই ছিল কবি ভাস্কর চক্রবর্তীর প্রয়াণ দিবস…

গতকাল ২৩ জুলাই ছিল কবি ভাস্কর চক্রবর্তীর প্রয়াণ দিবস। এই উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও ভাস্কর  চক্রবর্তী স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করা হয়েছিল। এ বছর এই স্মারক বক্তৃতা দেন, কবি মৃদুল দাশগুপ্ত। কবিতা পাঠ করেন, কবি রণজিৎ  দাশ। অনুষ্ঠানের শুরুতে, সদ্যপ্রয়াত  সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ-এর অকালপ্রয়াণে  একটি শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন একালের রক্তকরবী …

সম্পুর্ন​

গৌতম চৌধুরীর দুটি কবিতা

নিশিব্যাধ বিরান প্রান্তরটুকু পার হয়ে গেলে হয়তো পাওয়া যাবে মৃদু জনপদ বাচ্চাদের চ্যাঁয়্যাঁ ভ্যাঁয়্যাঁ, বেলুন ফাটার শব্দ, গড়গড়িয়ে ছুটে যাওয়া চাকা খাঁচার ময়নার মুখে দু’চারটে অশ্লীল শব্দ, গাভীগন্ধে উন্মত্ত বলদ সম্ভাবনা অগণন, শতরঞ্জ ছকে যেন সারি সারি কলসি মুখঢাকা বাদশাই মোহর? সাপ? কুটকুটে আলকাতরা? মদ? গুড়? বালি? পুঁথি সুপ্রাচীন? কী …

সম্পুর্ন​

তিনটি কবিতা

গৌতম চৌধুরী স্পর্শ আসল জাদু— স্পর্শ করায় স্পর্শে ভীষণ রোমাঞ্চ, তাও আড়াল থেকে শিউরে ওঠা বাতাস পাঠায় অপস্মৃতি তার মানে ভয় তেপান্তরের দিকহারানো মাঝদরিয়ার তরঙ্গপথ বজ্রপাতে বিলকুল জল খাক হয়েছে পাঁজর দাঁড়া পুড়তে পুড়তে এখন ধুধু অনন্ত খাদ জোসনা অব্দি ঠিকরে কালো অদ্ভুতুড়ে মহানিমের দীঘল ডালে বাদুড় ঝুলছে লক্ষ লক্ষ …

সম্পুর্ন​