চৈতালী চট্টোপাধ্যায়

জানু
06

কৃষ্ণভাবিনী, রমাবাঈ ও সুতপাদির জন্য

চৈতালী চট্টোপাধ্যায়

আগুনের বেড়া চারপাশে
সে-আগুন পার হয়ে আসে
পুরুষবন্ধুরা দলে দলে
ভালোবাসে, খুব ভালোবাসে
(তারা সব সোনার অঙ্গুরি
বাঁকা হোক, কলঙ্ক ধরে না)
সেই ঘর, ডাইনির ঘর
আধখানা কুয়াশায় ঢাকা
সেইখানে লোহার কটাহে
পুড়ে যায় প্রথাভাঙ্গা ডানা
দু-একটি কী করে যে বাঁচে
ওরা পাখি হয়ে উড়ে যায়
যেখানে শীতের অবেলায়
কুপি জ্বেলে রেখে একা মেয়ে
চুপিচুপি ছেলেপুলে নিয়ে
ক-অক্ষর শেখাতে বসেছে

সম্পূর্ণ…»

নভে
08

চৈতালী চট্টোপাধ্যায়-এর দুটি কবিতা

কফিশপ

তোমার চুমুর পাশে আমার চুমুক
অসম্ভব ঠাণ্ডা লাগে,লাগবেই।
এক্সট্রা ক্রিমের ছাদে বরফের কুচিগুলি
পাখনা উঁচিয়ে দেয়
ঠোঁট পাবে বলে।
এখানে যৌবন বাঁধা পড়ে আছে।
এইখান থেকে যদি এক-পা বাড়াই,
আবার বাইফোকাল,
আবার বলিরেখাসব,
বাসরাস্তার ভিড়ে লাট খেতে-খেতে
আবার ঘামের মধ্যে ঘাম, মিশে যাই।
তোমার নাকের পাশে নাকছাবি আমার,
ফেনা ছলকায়,তাই
দুলে ওঠে, উঠবেই!
জাগে জিভ, ভাগ্যলিপি
চেটে খাবে বলে

 

সম্পূর্ণ…»