মাঠে, মেহগনি বন থেকে কুয়াশারে দেখা

জহির হাসান কনে যাব এইসব পাখির গায়ের গন্ধবহ ডুমুর পাতার ঘর উল্টো করে কার কাছে থুয়ে! ঐ শীত আসে যদি বলি হালকা মউত আসে তা’লে কেন আগে আসে সেইসব ছেঁড়া কাঁথা ফুটা মনে! বাতাসের হামাগুড়ি কেন মেকুরের থাবা-তারা হচ্ছে শীতের রাত্রিতে… কী কচ্ছো আমাগের না-ঝরা পাতারা– আমি অসহায় মেহগনিটারে ধরে …

সম্পুর্ন​

কবিতা: ফটোগ্রাফার

জহির হাসান পার হয়ে তৃষ্ণা ও তাপের শাসন আর যত ওড়াউড়ি অমল বৃষ্টির লোভে লোভে এতদূর এসে কাক ও কোকিল, কাঠগোলাপে, হয়েছে হাঁপানি উহাদের ঘেয়ো প্রাণে। বিকেল আকাশে নেই মেঘের হুঙ্কার ও বৃষ্টিগাছের শুকনো খয়েরি ফলের নৈঃশব্দের ঝুলে থাকা সহ্য হয়নি কাহার– ফটোগ্রাফার মেয়েটি তুলছে ছবি! ওর পিছু পিছু দূর …

সম্পুর্ন​

কবিতা: কারে খোঁজো মন মনে

                             জহির হাসান স্বপ্নের ভেতর কারা                   উড়িতেছি মনমরা যারা কত শ বছর আগে। জগডুমুরের আশা                    মেঘ চাই বৃষ্টি ভালোবাসা পেকেছি আপন রাগে।। পাগলের বর্ণমালা                   এফেক্ট করছে পাঠশালা মেঘশিষ্য পাঠে। এ অবচেতনে নারী                   সেই আমাদের দূর বাড়ি শোব এক খাটে।। নারী রিডিফাইন করি                মেঘমাখা প্রাণাধিক জরি সে তো ইল্যুশন। ইতর …

সম্পুর্ন​

কবিতা: যেভাবে বৃষ্টির বন্ধু মেঘের নিকট নিরুপায় আশ্রয় প্রার্থনা করল

জহির হাসান   আমার বন্ধু আমায় কেন তবু বৃষ্টি বলে ডাকে আমার ঘরের জানলা দিয়া তাকাই বহুত দূর তাহার চোখে আমি একটা পচা কুমড়া ফুল তাহার চোখে এই মহল্লার একটা ভিজা কুকুর রাস্তার উপর মুরগি খোজে কে গো দিনের বেলা আপনা ঘরে পোষা মুরগা থুইয়া মেঘের মধ্যে খোয়ায় যেসব উড়াজাহাজ …

সম্পুর্ন​

রবীন্দ্র নিসর্গ-ভাবনা

জহির হাসান চরম পরিবেশ বিপর্যয়ের যুগে বসে যখন রবীন্দ্রনাথের নিসর্গ-চিন্তা নিয়ে ভাবতে যাই, দেখি রবীন্দ্র-যুগের পরিবেশ ছিল আজকের তুলনায় স্বর্গ-উদ্যান বা নন্দন-কানন। ফলে পরিবেশ নিয়ে ভাবলেই মনে হয় অতীত সময়ই স্বর্গ। আমরা স্বর্গ থেকে বিতাড়িত। মানে আমরা ‘প্যারাডাইজ লস্ট’ করেছি। ‘প্যারাডাইজ রিগেইন’ করার আকুতি যাদের ভেতর ছিল তারা চিরকালই ভাব-কেন্দ্রিকতার …

সম্পুর্ন​