নভেরা হোসেনের একগুচ্ছ কবিতা

গোপন নির্বেদ রাত ঘন হয়ে এলে দরজায় এসে কড়া নাড়েনা কেউ পিনপতন নিস্তব্ধতায় মগজে গোপন শ্লাঘা এসে জমে, বুদবুদের ফেনা হয়ে মিশে থাকে গোপন নির্বেদ, চোখ খুলে ঘুমায় সে ডিভানের কোণে সারারাত ছটফট, কে যেন রক্তে মিশিয়ে দিয়েছে জ্বলন্ত কয়লা তার আঁচে পুড়তে পুড়তে চকিতে হায়েনার হাসি– দূর থেকে ভেসে …

সম্পুর্ন​

নভেরা হোসেনের কবিতা

ধূলিযুদ্ধ সিংহের গর্জন ছেড়ে কোথায় লুকাও তুমি ধূলিযুদ্ধের নায়ক— গোপনীয়তার গোপন কুঠুরিতে ঘুমঘোরে— কাপালিক যাদুকন্যা নিমেষে হারিয়ে দেয় তোমাকে আজ শ্রাবণের মেঘময় দিনে ঢেকে যাও ঢেকে যাও ধূলোর আস্তরণে   তমিস্রা ম্রিয়মান দিনের গহ্বরে বেয়ত্রিচ দন্তহীন নারী এক। শলাকাদণ্ড জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে যায় জ্বলে পুড়ে নাই হয়ে যায়! অগ্নিদ্রোহ …

সম্পুর্ন​

স্মরণ: “সারাক্ষণ হাতে চাই গানের বাকশো যেতে যেতে গান গাবো তাই…”

নভেরা হোসেন ১৯৯০ সালের এপ্রিল মাস। লিটল ম্যাগাজিন, ফ্রানৎস কাফকা, সুবিমল মিশ্র, ঢাকার শিল্প-সাহিত্য-এই সবকিছুর সাথে বন্ধুত্বের এক পর্যায়ে কবি শামীম কবীরের সাথে পরিচয়। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই শামীমের সংবেদনশীল চরিত্র  আর তীক্ষ্ম মেধার পরিচয় পেলাম। ধনেশ পাখির মতো গম্ভীর অথচ ভেতরে ভেতরে অশান্ত কবির অবয়ব। সেঁকোবিষ আর পোড়া মদ দিয়ে …

সম্পুর্ন​

তিনটি কবিতা

নভেরা হোসেন নেলী   রাতের সিম্ফনি ১. দৃশ্যগুলো বদলে যাচ্ছে একটার পর একটা টয়োটা গাড়ি, জি করোলার মসৃণতা মিলিয়ে যেতেই গাল থেকে ঝুলেপড়া মাংসপিণ্ড আধহাত দূরত্বে দাঁড়িয়ে, চোখাচোখি হতেই চোখ সরিয়ে নাও তুমি আঠারো শতকীয় নাগরিক ছাপ চোখে-মুখে, নির্মমতা নয় সকালের একরাশ অধৈর্য তিরতির কাঁপতে থাকে ভলভোর জানালায় তুমিও চোখ …

সম্পুর্ন​