মতিন বৈরাগীর কবিতা

নানারকম গল্প ১১. ওখানটায় যারা বসে ছিল তারা চলে গেছে যারা বসে আছে তারা থাকবে না; যার আসার কথা সে এখনও আসেনি আমি বসে আছি অপেক্ষায়-সন্ধ্যা নামছে আবছায়া অন্ধকার এক নারী হেঁটে যাচ্ছে আর তার খোলা চুল থেকে জোনাক পোকারা ছড়িয়ে যাচ্ছে মিষ্টি আলোর আনন্দ একপাশ থেকে দেখছি; সুঢৌল বাহু, …

সম্পুর্ন​

অভিনন্দন হে কবি শুভেচ্ছাও হে—

মতিন বৈরাগী গুটিয়ে যাও গুটিয়ে গেলেই সুখ রোদ-দুপুরে পুড়বে না আর বুক বুকের তলে হৃদয় নামক আঁখি টের পাবে না তীর-শিকারী পাখি গুটিয়ে যাও গুটিয়ে গেলেই ভালো গহন সুখে জ্বলবে জ্বলুক আলো— কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা-র ৬৫তম জন্মবার্ষিকী আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর/১৪। ভাবি, কি করে তাঁর সাথে পরিচয় হয়েছিল? তারপর কতদিন …

সম্পুর্ন​

নানারকম গল্প-১

মতিন বৈরাগী রাত্রির ভিতরে যে চিৎকার যেমন আমরা শুনতে পাই সে ছিলো কারো মৃত্যুর পরোয়ানা একমাত্র অন্ধকার নিরাপত্তা হয়ে সতর্ক করে আমাদের এবং বলে এই চিৎকার আর শেষ আর্তধ্বনি যা মানুষের, বলে দেয় পৃথিবীতে খুন আরো বাড়লো তারপর যদি আগুনের লেলিহান ভেদ করে জানালার কাচ এবং এক হিংস্র আলো ছিটকে …

সম্পুর্ন​

মতিন বৈরাগীর একগুচ্ছ কবিতা

অতীতমুখি একটা গাছ সারাদিন দাঁড়িয়ে থেকে থেকে একটা গাছ আকাশ মুখি কাণ্ড আর পাতারা সব গাছ হয়ে গেছে বিকেলের ক্লান্তির রোদ সারাটা গাছে ছলকে পড়ে তবু গজিয়ে ওঠা পাতারা নিস্তেজ নিস্পন্দ পিঁপড়েরা ছিড়ে কেটে নেয় ঢের দু’একটা নচ্ছার পাখি ঠোক্কর মারে, গাছ তবু দাঁড়িয়ে থাকে– বহু আগে এক তক্ষক বাসা …

সম্পুর্ন​

মতিন বৈরাগীর একগুচ্ছ কবিতা

একটা পাখির মুক্তি সংগ্রাম পাখিটা সারা দিন উড়িবার আকাঙ্খায় খাঁচার ভেতরে পাখা ঝাপটায় বাহির দেখে খাঁচা দেখে এবং আমাকেও দেখে জানালার এপাশে এইভাবে নিত্য তার অভিজ্ঞতায় শানিত করে প্রয়োগ আবার দেখে চারিপাশ, ফোকর-ফাঁক যতোটুকু উদোম আকাশ আমিও দেখি শুয়ে শুয়ে বই পড়ি তার ফাঁকে কখনো নিবিড় ভাবি আমার ভেতরেও কী …

সম্পুর্ন​