মোশতাক আহমদ-এর দুটি কবিতা

ইয়াং ম্যান অ্যান্ড দা মারমেইড হেমিংওয়ের ওল্ড ম্যানের মতো ৮৫তম দিন সৈকতে গিয়ে অবশেষে মারমেইডের দ্যাখা মিললো দেখতে দেখতে এ দু’চোখ কবেই বাই-ফোকাল পড়তে, এমনকি চোখ বুঁজতেও কতো অভিযোজন! সন্ধ্যার সৈকতে বৃষ্টি, ঝাউবনের মাথায় আকাশের কালো শ্লেট আজ নেই মান্নাদে’র সোনালি রঙ মাখা পাখিদের ওড়াউড়ি আমিই যেনবা নিরাশ্রয় একলা পাখি, …

সম্পুর্ন​

একগুচ্ছ কবিতা

মোশতাক আহমদ ধারাবাহিক মুঠোফোন ১. কথা ছিল যাব হাঁটতে হাঁটতে সহসা এসে গেল সড়কের বাঁক যে যার বিবরে ফেরার দিন এ যাত্রা হলো না যাওয়া তারামণ্ডলে যাওয়াই হলো না আর ২. রুমালিয়া ছরা এখন আর নেই সে জলের ধারা নামটুকু বয়ে চলে রুমালিয়া ছরা ৩. শেষ চুমুকের বদলে শেষ চুমুক …

সম্পুর্ন​

সমুদ্র বিষয়ক তিনটি কবিতা

মোশতাক আহমদ ভেবেছিলাম এ এক রোমাঞ্চের চড়ুইভাতি, ছেলেখেলা উড়িয়ে দেয়ার মুড়ি-মুড়কি, তেজপাতা আদতে শেকড়িত, এইবারে বদলে নিলাম ডানা ভাজা ভাজা করলাম পর্বতমালা, সিন্ধু কলংকের খোঁজে পাড়ি দিলাম চাঁদে ভিজিয়েছে সে আমাকে আহিতাগ্নি-জোছনায় সোমরস-হলাহল আনে নি মত্ততা দিয়েছে পরিয়ে ধীবর-মগ্নতার মুকুট বৈরী যানজট কালো ধোঁয়া মানুষের ভিড়ে মনখালি সৈকতের হাওয়া লেগে …

সম্পুর্ন​

সুবর্ণভূমিতে পরিচয়সংকট

মোশতাক আহমদ নিরীহ সোয়াসদি ককটেল হাতে চাও প্রায়া নদীর কাছাকাছি ডিজিটাল শহরের বিদেশিনী, শোনো: অনুবাদে হারিয়ে যায় সর্বাত্মক পরিচয়পত্র; তুমি মোর পাও নাই পরিচয় আকাশরেলের অচেনা যাত্রী রোবটিক জলপাই সুন্দরী— পাও নাই পাও নাই পরিচয় লক্ষ ধানের দেশে বৃষ্টি নামে পাহাড়ি প্রদেশে জেসমিন চায়ের দরাজ হাসিমুখ নারকেল সৈকত আর মাশরুম …

সম্পুর্ন​