সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল

নভে
09

সেইম পেইজ

সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল

থাকি তার মনের ভেতর থার্মোমিটার। জানি নারীর নাড়ি ও নক্ষত্রের মনমন্ত্র, অলিগলি, গোপন গল্প। জানি–জ্যামিতিক জটিলতা, মনোজ জোয়ার। অর্জিত গর্বে সেইম পেইজে বাস করি, সহবাস করি জোড়া-বেজোড়ায়।

ইনসাইড থেকে আউটসাইড কিম্বা জোড়া আর বেজোড়ার কত দূর? মন দেহের দূরত্ব তাড়িয়ে অসূর্যস্পর্শীর গন্ধরাজের নেশায় জেগে উঠি। পাঠের তীব্র তৃষ্ণায় মুখস্থ করতে চাই– শরীরের ভাষা, পাঠ করতে চাই– শাখা-প্রশাখার ঝড়, জানতে চাই– মর্মমূলের জাগরণ। উপলব্ধি করতে চাই– দীর্ঘ চুম্বনে কতটা হিমালয়ের শীর্ষে উঠে পারদ। ইসিজির গ্রাফিকের মতো লাজুক নিঃশ্বাসের উঠানামা কীভাবে অমৃত ইনহেলার হয়ে উঠে? কোন মুহূর্তে অস্থির আঙুলের ছোঁয়ায়, ঠোঁটের স্পর্শে স্তনফুল ছড়ায় বিদ্যুল্লতার অদ্ভূত শিহরণ।

বহুমাত্রিক ষোলকলার খেলাঘরের কখন কোন সাঁতারের মাত্রায় বেজে উঠে অভ্যন্তরীণ সারেগামা, কুড়িগ্রাম। কম্পমান আঙুলের ভেতর আঙুল যৌথ ভাবে যুগল জিপার হয়ে যায়। হাতে হাত, পায়ে পা, কুড়ি পৃষ্ঠার সাথে একুশ পৃষ্ঠা, উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের সাথে নিন্মাঙ্গ সঙ্গীতের উথাল-পাতাল অস্থিরতা। জানতে চাই, বুঝতে চাই, দেখতে চাই– মোমবাতি কি ভাবে পাথরের ফুল হয়ে থাকে।

নভেম্বর ০৫, ২০১২

 

জানু
30

তুচ্ছপুচ্ছ ভাবনা গুচ্ছ-২

সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল

০৪/১০/১১

অন্ধ হলেই ভালো হতো, দেখতে হতো না, দেখতে দেখতে দৃষ্টি পাথর!
বোবা হলেই ভালো হতো, বলতে বলতে ভাষা শেষ।
কালা হলেই ভালো হতো, শুনতে হতো না
শুনতে শুনতে সঙ্গীতও অসহ্য!

 

০৫/১০/১১

আকাশও একা। একাতিত্বের আনন্দই আলাদা, অতুলনীয়
নিঃসঙ্গতায় নিজেকে পাবে পুরোপুরি, পুরোটাই সুঁতি।

 

২১/১০/১১

হাসপাতালের কবিতাগুলো কবুতরের মতো ঘুর ঘুর করে
তারা বুঝে না ট্রান্সট্রোমারের ভাষা-
শুধু খুঁটতে থাকে দুঃখদানা, খুঁজতে থাকে মাটির মন।

সম্পূর্ণ…»

অক্টো
06

তুচ্ছপুচ্ছ ভাবনাগুচ্ছ

সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল

২৯/০৯/১১

যখন আমরা আবাদি জমির বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামলাম-
ভাঙচুর করলাম বাংলাদেশ,  জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে দিলাম বাংলাদেশ
তখন ভাসমান মেঘ মুখ ফিরিয়ে ফিরে গেলো মেঘালয়ে।

 

২৯/০৯/১১

বহু বছর পর যখন ঘুমোবার প্রস্তুতি নিলাম,
তখন চৌকির ছারপোকাগুলো জেগে উঠলো।

আমাদের পিতাকে যখন টুঙ্গিপাড়ায় কবর দিলাম
          সেদিন স্বপ্নে পেলাম শিশু সন্তান!

 

০৩/১০/১১

ফিরে এসো চাকার  পশ্চাৎ চক্রে প্রবাসী প্রজাপতি এখন শুয়োপোকা
ক্ষুধার্ত জল, জলীয় বাস্প উড়ে গিয়ে পান করে মা-মেঘের স্তন।
শব্দে সাজানো কবিতা কুফরি কালামে প্রত্যাবর্তন করে অদৃশ্য উৎসমূলে
নাটক এডিটিং-এ পেছন পথে রিরাউন্ডে খুঁজে পায় অবিবাহিত জীবন।

ব্যাক-টু-প্যাভিলিয়ানে কোথায় যাবে তুমি, কোন শেকড়-ভূবনে?

সম্পূর্ণ…»