হাসমত জালাল

নভে
14

‘কবিতা কল্পনালতা’-য় আমি বিশ্বাস করি না’

সাক্ষাত্কার:  নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী ________________

গত সাত দশক ধরে বাংলা কবিতায় অনন্য আভিজাত্যে বিরাজ করছেন নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী । অষ্টআশিতে পা রেখে প্রবীণতম এই কবি কবিতাজগতে আজ অভিভাবকপ্রতিম। তবু, বয়সকে উপেক্ষা করে আজও সৃজনশীল এবং দেশ-কাল-সমাজ সম্পর্কে সমান সচেতন। সাহিত্য আকাদেমী-সহ  বহু পুরস্কারে ভুষিত এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি-লিট উপাধিতে সম্মানীত কবি তাঁর দীর্ঘ কবিজীবনের উপলব্ধি বিষয়ে কথা বলেছেন সৈয়দ হাসমত জালালের সঙ্গে।
__________________

রবিবারের সকালবেলা: নীরেনদা, আপনার কবিতায় শব্দ, ছন্দ, ব্যঞ্জনা এবং তার নির্মিতির ভিতরে সুসংহত গদ্যের অভিঘাত লক্ষ্য করেছি আমরা। অথচ আপনারই এক বিখ্যাত কবিতায় আপনি বলেছেন, ‘কবি, তুমি গদ্যের সভায় যেতে চাও?/ যাও।/ পা যেন টলে না…’ ইত্যাদি এবং শেষে বলেছেন, ‘সভাস্থলে/ আসবার ছিল না কথা, তবু সম্রাট এসেছেন।’ এটা কেন? কবিতার সাথে গদ্যের সম্পর্ক কীরকম বলে আপনি মনে করেন?

সম্পূর্ণ…»

সেপ্টে
03

আর্ট: ‘আমার অবচেতন জগৎকে ছবির মাধ্যমে মুক্ত করে দেয়ার চেষ্টা করি’

সাক্ষাত্কার

____________________

বাংলাদেশের সমকালীন বিমূর্ত চিত্রকলার ক্ষেত্রে নাজমা আক্তার একটি অপরিহার্য নাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অফ এডুকেশন রিসার্চ-এর সহকারী অধ্যাপক নাজমার চিত্রকলায় যেমন জ্যামিতিক ও গীতিময় বিমূর্ততার প্রকাশ, তেমনই রঙের আশ্চর্য স্পন্দন তাঁর ছবির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। গত জুন মাসে কলকাতায় অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসে হয়ে গিয়েছে তাঁর একক চিত্রপ্রদর্শনী। তাঁর শিল্পজগৎ থেকে ব্যক্তিগত জীবন ও অভিজ্ঞতা ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে তিনি কথা বলেছেন সৈয়দ হাসমত জালাল-এর সঙ্গে।
_____________________

রবিবারের সকালবেলা: কলকাতায় আপনার একক চিত্র প্রদর্শনীর অভিজ্ঞতা কীরকম?

নাজমা আক্তার: কলকাতায় আমার প্রথম চিত্রপ্রদর্শনী হয় গত বছর, উইভার্স স্টুডিয়োয়। কলকাতায় প্রথম প্রদর্শনী বলে সেবার শুরুর দিকে একটু টেনশন ছিল। স্টুডিয়োর ব্যবস্থাপনাও খুব একটা ভাল ছিল না। তবে প্রদর্শনী শুরু হওয়ার পর টেনশন কেটে গিয়েছিল এবং বেশ ভালই হয়েছিল সমস্ত অভিজ্ঞতাটা। আমার ওই প্রদর্শনী উদ্বোধন করেছিলেন সুনীলদা, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় আর বিজন চৌধুরী, রবীন মণ্ডল, ঈশা মহম্মদ, দেবব্রত চক্রবর্তী, দ্বিজেন গুপ্ত, অমিতাভ সেনগুপ্ত প্রভৃতি সিনিয়র আর্টিস্টরা এসেছিলেন ওই প্রদর্শনীতে। কয়েকটা ছবি বিক্রিও হয়েছিল। প্রশংসাও পেয়েছিলাম। ‘টাইমস অফ ইন্ডিয়া’ আমার সাক্ষাৎকার ছেপেছিল।

প্র: আর এবার?

উ: এবার তো প্রদর্শনী হয়েছিল অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসে। প্রকাশদা মানে প্রকাশ কর্মকার প্রদর্শনী শুরুর ব্যাপারে খুব সাহায্য করেছিলেন। যোগেনদা পরামর্শ দিয়েছেন। রবীন মণ্ডল, লালুপ্রসাদ সাউ, বিপিন গোস্বামী, দেবব্রত চক্রবর্তী এবং আরও অনেক শিল্পী এসেছিলেন। এটা আমার কাছে বড় প্রাপ্তি। পত্র-পত্রিকাতেও খুব ভাল রিভিউ বেরিয়েছে।

সম্পূর্ণ…»