নারান-কাঘানে তিন দিন
বরফঢাকা পাহাড়, সবুজ তৃণভূমি, স্বচ্ছ নদী-ঝরনা, হ্রদ ও পাইন গাছের অপরূপ প্রাকৃতিক দৃশ্যের কারণে পাকিস্তানের নারান-কাঘান অঞ্চলকে বলা হয় সুইজারল্যান্ড অফ পাকিস্তান।
২০১৬ সালের কথা। ইসলামাবাদে অবস্থানের মেয়াদ ইতোমধ্যে একবছর পেরিয়ে গেছে। তখনও নারান-কাঘান উপত্যকা ভ্রমণ করে হয়ে ওঠেন। তাই সেবার আমি, আমার স্ত্রী স্বপ্না এবং মেয়ে ইভানাকে নিয়ে নারান-কাঘান যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলাম। পাহাড়ি পথের খাড়া বাঁক, সরু রাস্তা আর একদিকে গভীর খাদ—সবকিছু বিবেচনা করে নিজের গাড়ি চালানোর ঝুঁকি না নিয়ে তিন দিনের জন্য আনোয়ার হুসাইন নামে একজন অভিজ্ঞ ড্রাইভারকে সঙ্গে নিয়েছিলাম।
শান্ত স্বভাবের আনোয়ার ভাই পাহাড়ি রাস্তায় গাড়ি চালানোর ব্যাপারে ছিলেন অসাধারণ দক্ষ। তাঁর উপস্থিতি পুরো সফরটাকেই অনেক বেশি নিশ্চিন্ত করে দিয়েছিল।
তবে আমাদের সফরটি আরও আনন্দময় হয়ে উঠেছিল কিছু প্রিয় মানুষের সঙ্গ পাওয়ায়। আমার অনুরোধে আমাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন হাইকমিশনের সোশ্যাল সেক্রেটারি আঘা হাসান হায়দার, তাঁর স্ত্রী—হাইকমিশনের রিসেপশনিস্ট সায়মা আনজুম—এবং তাঁদের একমাত্র মেয়ে আর্শিয়া।
আমাদের ইভানা আর আর্শিয়ার বয়সের বেশ পার্থক্য থাকলেও অল্প সময়ের মধ্যেই তাদের মধ্যে বেশ ভালো বন্ধুত্ব হয়ে গিয়েছিল।
হাসান সাহেব নিজেও চমৎকার গাড়ি চালাতে পারতেন। তাই তাঁর গাড়ির স্টিয়ারিং তিনি নিজেই ধরলেন। ফলে আমাদের ছিল দুটি গাড়ি, আর সামনে ছিল তিন দিনের এক দারুণ রোমাঞ্চকর অভিযান।
ভোরেই ইসলামাবাদ থেকে রওনা দিলাম। সকালের নরম আলোয় শহরের রাস্তা তখনও তুলনামূলক ফাঁকা। কিছুক্ষণ পর আমরা হাজারা মোটরওয়েতে উঠলাম।
মসৃণ রাস্তা, চারপাশের বদলে যাওয়া দৃশ্য আর গাড়ির ভেতরের প্রাণবন্ত আড্ডা—যাত্রার শুরুতেই সবাই বেশ উৎফুল্ল হয়ে উঠেছিল।
হাসান সাহেবের গাড়ি কখনো সামনে, কখনো আমাদের গাড়ির পাশে। মাঝে মাঝে হর্ন দিয়ে বা হাত নেড়ে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করছিলাম।
কেউ বলছিল,
—“আর কতদূর?”
কেউ আবার জানালা দিয়ে পাহাড়ের দিকে তাকিয়ে বলছিল,
—“এই দৃশ্যটা ক্যামেরায় ঠিকমতো আসবে তো?”
সায়মা ভাবি হাসতে হাসতে বলেছিলেন,
—“ছবি যতই তুলুন, আসল সৌন্দর্য কিন্তু ক্যামেরায় ধরা পড়বে না!”
কথাটা সেদিন হেসে উড়িয়ে দিলেও পরে বুঝেছিলাম, কথাটি কত সত্য।
মানসেহরা পেরিয়ে বালাকোটের দিকে যেতে যেতে প্রকৃতি যেন ধীরে ধীরে নিজের আসল রূপ প্রকাশ করতে শুরু করল।
কুঁহার নদীর সঙ্গে প্রথম দেখা
বালাকোটে পৌঁছেই কুঁহার নদীর তীব্র গর্জন আমাদের দৃষ্টি কেড়ে নিল।
পাহাড়ের বুক চিরে ছুটে চলা স্বচ্ছ অথচ প্রচণ্ড স্রোতের নদীটির পাশে দাঁড়ালে শহুরে জীবনের সব ক্লান্তি যেন এক মুহূর্তে দূর হয়ে যায়। ঠান্ডা বাতাস মুখে এসে লাগছিল।
আমি নদীর দিকে তাকিয়ে বললাম,
—“এমন নদী দেখলে সোয়াতের কথা মনে পড়ে।”
হাসান সাহেব হেসে বললেন,
—“স্যার, তাহলে আজ থেকে সোয়াতের আফসোস কিছুটা কুঁহার দিয়ে মেটান!”
সবাই হেসে উঠল।
নদীর পাড়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে ছবি তুললাম, গল্প করলাম এবং দুপুরের খাবারও সেরে নিলাম।
এরপর শুরু হলো কাঘান উপত্যকার প্রকৃত সৌন্দর্যের সঙ্গে আমাদের ঘনিষ্ঠ পরিচয়।
রাস্তার একদিকে পাহাড়, অন্যদিকে গভীর খাদ; মাঝখান দিয়ে আঁকাবাঁকা রাস্তা। কখনো কুঁহার নদী একেবারে রাস্তার পাশে এসে চলেছে, আবার কখনো অনেক নিচে নেমে গেছে। ছোট ছোট পাহাড়ি গ্রাম, কাঠের সেতু, অসংখ্য ঝরনা আর পাহাড়ের গা বেয়ে নেমে আসা স্বচ্ছ পানির ধারা আমাদের বারবার গাড়ি থামাতে বাধ্য করছিল।
কাওয়াই জলপ্রপাতের কাছে এসে আমরা বেশ কিছুক্ষণ থামলাম।
ঝরনার ঠান্ডা পানির ওপর বসার ব্যবস্থা ছিল। সবাই মিলে পানিতে পা ডুবিয়ে গরম চা হাতে নিয়ে বসে পড়লাম।
আড্ডা আর হাসিতে চারপাশ মুখর হয়ে উঠল।
ইভানা ও আর্শিয়া পানিতে পা ডুবিয়ে হাসছিল। হাসান সাহেব নানা গল্প করছিলেন। পাহাড়ি ঝরনার পাশে বসে গরম চা খাওয়ার সেই অভিজ্ঞতা আজও মনে পড়লে মন ভালো হয়ে যায়।
পথে আমরা বারবার গাড়ি থামিয়েছি। কোথাও ঝরনার পানি ছুঁয়েছি, কোথাও নদীর ওপর সেতুতে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছি। সঙ্গে থাকা কাজুবাদাম, চিপস আর নানা রকম শুকনো খাবার খেতে খেতে চলেছে গল্প আর হাসাহাসি।
বিকেলের দিকে নারানে পৌঁছালাম।
আগে থেকে কোনো হোটেল বুক করা ছিল না। আমাদের পরিকল্পনা ছিল জায়গায় গিয়ে হোটেলের অবস্থান, পরিবেশ ও ভাড়া দেখে পছন্দমতো হোটেল ঠিক করা।
হাসান সাহেব ছিলেন বেশ চৌকস। মাত্র আধঘণ্টার মধ্যেই কয়েকটি হোটেল দেখে পাশাপাশি একটি হোটেলে আমাদের জন্য তিনটি রুম ঠিক করে ফেললেন।
আমাদের রুমে তিনটি বেড ছিল এবং হিটারও ছিল। বাইরে তীব্র ঠান্ডা থাকলেও রুমের ভেতর ছিল বেশ আরামদায়ক উষ্ণতা।
রাতে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে বের হলাম নারান বাজারে। পাহাড়ি রাতের ঠান্ডা, দোকানের আলো আর মানুষের ভিড়—সব মিলিয়ে বাজারটি বেশ প্রাণবন্ত।
পরদিন সকালেই শুরু হলো সফরের মূল রোমাঞ্চ।
আনোয়ার ভাই আগেই সবাইকে জ্যাকেট, হাতমোজা ও কানটুপি পরার কথা মনে করিয়ে দিয়েছিলেন।
—“উপরে কিন্তু খুব ঠান্ডা, স্যার,” তিনি বললেন।
নারানের ঠান্ডা তখনই বেশ তীব্র। সকালে আমরা স্থানীয় একটি জিপ ভাড়া করে সাইফ-উল-মুলূক হ্রদের উদ্দেশে রওনা দিলাম। এই হ্রদটি খুবই বিখ্যাত এবং নারান ভ্যালীর সবচেয়ে আকর্ষণীয় পর্যটন স্থান। তাই সেখানে যাওয়ার জন্য আমরা খুব উদগ্রীব হয়ে পড়েছিলাম।
পাহাড়ি কাঁচা রাস্তা দিয়ে জিপ যখন ধীরে ধীরে ওপরে উঠছিল, চারপাশের খাড়া পাহাড় আর গভীর খাদ দেখে আমাদের মেয়েরা কখনো ভয় পাচ্ছিল, আবার পরক্ষণেই আনন্দে চিৎকার করছিল।
কিছুদূর যাওয়ার পর হঠাৎ দেখি কয়েকটি জিপ রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। সবাই গাড়ি থেকে নেমে সামনের দিকে তাকিয়ে।
জানা গেল, পাহাড়ের চূড়া থেকে গ্লেসিয়ারের বরফ নেমে এসে রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে।
বরফ কাটার গাড়ি না আসা পর্যন্ত সামনে যাওয়ার কোনো উপায় নেই। সেটি কখন আসবে, আদৌ সেদিন আসবে কি না—কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছিল না।
আমাদের মন খারাপ হয়ে গেল।
কিন্তু বরফের রাজ্যে এসে বরফই যখন সামনে, তখন মন খারাপ করে কতক্ষণ থাকা যায়!
জিপ ঘুরিয়ে নিচে নামতে হলো। মে মাস হলেও রাস্তার চারপাশে তখনও প্রচুর বরফ। আমরা বরফে ছবি তুলতে শুরু করলাম। ইভানা বরফ নিয়ে খেলতে লাগল। অল্প সময়ের মধ্যেই সাইফ-উল-মুলূক না-দেখার দুঃখ অনেকটা কেটে গেল।
সেখান থেকে আমরা পাশের একটি ভ্যালির দিকে এগিয়ে গেলাম।
হাসান সাহেব আগেও বহুবার এ এলাকায় এসেছিলেন। তাই রাস্তা তাঁর বেশ পরিচিত ছিল। প্রায় এক ঘণ্টা চলার পর পাহাড়ের গা ঘেঁষে একটি জলাশয়ের দেখা পেলাম।
চারপাশের বরফ আর মেঘে ঢাকা সূর্যের আলোয় জলাশয়ের দৃশ্যটি ছিল অপার্থিব। আমরা সবাই নেমে প্রচুর ছবি তুললাম।
হঠাৎ ইভানা দেখল কয়েকজন ছেলে বরফে ঢাকা ঢালু জায়গায় স্লাইডিং করছে।
—“আব্বু, আমিও করব!”
স্বপ্না বলল,
—“না, পড়ে গিয়ে ব্যথা পাবে।”
সে নাছোড়বান্দা।
—“একবার করব!”
ছেলেগুলোও তাকে উৎসাহ দিতে লাগল। শেষ পর্যন্ত সে কয়েকবার বরফের ওপর স্লাইড করল।
আনন্দে তার মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠেছিল।
সে বলল,
—“আমার এত মজা লেগেছে যে মনে হচ্ছে আরও অনেকবার করি!”
আমরা হেসে বললাম,
—“এবার যথেষ্ট হয়েছে। ঠান্ডা লেগে গেলে কিন্তু সব আনন্দ শেষ!”
কিছুদূর এগোতেই আবার গ্লেসিয়ারের কারণে রাস্তা বন্ধ পেলাম।
তবে এবার পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। একটি বিশাল বরফকাটা গাড়ি এসে বরফ সরানোর কাজ শুরু করেছে।
ইভানার চোখ তখন গাড়িটির দিকে।
—“আমি ওই গাড়িতে উঠে বরফ কাটা দেখব” ইভানা বায়না ধরল।হাসান সাহেব ও সায়মা চালকের সঙ্গে কথা বললেন।
চালক সানন্দে অনুমতি দিলেন।
ইভানা ও আর্শিয়া উঠে বসল গাড়ির চালকের পাশে। তাদের চোখেমুখে তখন বিস্ময় আর আনন্দ।
বরফ কাটার সেই বিশাল যন্ত্রের কাজ কাছ থেকে দেখা তাদের জন্য ছিল একেবারে নতুন অভিজ্ঞতা।
আমি দূর থেকে দাঁড়িয়ে ভাবছিলাম—আজ সাইফ-উল-মুলূক দেখা হলো না ঠিকই, কিন্তু তার বদলে এমন কিছু অভিজ্ঞতা পেলাম, যা হয়তো কোনো পর্যটন পরিকল্পনায় লেখা থাকে না।
সন্ধ্যার আগে আমরা একটি ছোট্ট ঝিলের কাছে পৌঁছালাম।
ঝিলের ওপর কাঠের সেতু পার হয়ে একটি তাঁবু দেওয়া খাবারের দোকানে গেলাম। সেখানে ক্যাম্পফায়ারের ব্যবস্থা ছিল।
সারাদিন বরফের মধ্যে ঘোরাঘুরি করে শরীর তখন ঠান্ডায় প্রায় জমে যাওয়ার মতো।
আগুনের চারপাশে বসে সবাই শরীর গরম করলাম।
কাবাব আর গরম কফি খেয়ে যেন নতুন শক্তি ফিরে পেলাম।
রাতে নারানে ফিরে হোটেলে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে আবার বের হলাম রাতের খাবারের জন্য।
খোলা আকাশের নিচে ঠান্ডা আবহাওয়ায় চারপাইয়ের তাকিয়ায় হেলান দিয়ে গরম নানরুটি, কাবাব আর ভাজা মাছ খাওয়ার অভিজ্ঞতা ছিল অসাধারণ।
বিশেষ করে পাহাড়ি অঞ্চলের ট্রাউট মাছের স্বাদ এখনও মনে আছে।
আমি বললাম,
—“এমন ঠান্ডায় গরম নান আর মাছের স্বাদই আলাদা।”
হাসান সাহেব বললেন,
—“এই মাছের জন্যই কিন্তু নারানে আবার আসতে হবে!”
তখন কে জানত, সত্যিই আমাকে আবার নারানে আসতে হবে!
খাওয়া শেষ করে আমরা নারান বাজারে ঘুরতে বের হলাম। প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রাণবন্ত পাহাড়ি বাজার রাতে বেশ জমজমাট হয়ে ওঠে।
দোকানে দোকানে শাল, পশমি পোশাক, সোয়েটার, জ্যাকেট, টুপি, গ্লাভস, স্থানীয় হস্তশিল্প, কাঠের তৈরি সামগ্রী, গহনা ও নানা ধরনের স্মারক সাজানো ছিল।
আমরা কিছু কেনাকাটাও করলাম।
পাহাড়ি অঞ্চলের আখরোট, কাঠবাদাম, খুবানি, কিসমিস এবং মধুর মতো শুকনো খাবারও পর্যটকদের আকর্ষণ করে। শাল বা অন্য দামি জিনিস কেনার সময় অবশ্য দরদাম করতে হয়—এটিও সেদিন ভালোভাবেই শিখেছিলাম।
খাবারের দিক থেকেও নারান আমাদের হতাশ করেনি। সকালের নাস্তায় ডিম-পরোটা, অমলেট, হালুয়া-পুরি আর গরম চা; দুপুরে ট্রাউট মাছ, চিকেন বা মাটন কারাহি, পোলাও; আর রাতে গরম স্যুপ, কাবাব, নান ও মাছ—পাহাড়ি ঠান্ডার মধ্যে এসব খাবারের স্বাদ ছিল অন্যরকম।
তৃতীয় দিন সকালে বিদায়ের পালা।
নাস্তা শেষে গাড়িতে উঠে বসতেই আমাদের দুটি গাড়ি ইসলামাবাদের পথে ছুটে চলল।
ফেরার পথে আবার সেই কুঁহার নদী, ছোট ছোট পাহাড়ি গ্রাম, ঝরনা আর সবুজ উপত্যকা চোখে পড়ছিল। এবার অবশ্য আনন্দের পাশাপাশি বিদায়ের বিষণ্নতাও ছিল।
পাহাড় থেকে নেমে অ্যাবোটাবাদে দুপুরের খাবারের জন্য থামলাম। এরপর পথ আরও পরিচিত হতে লাগল।
শহরের দিকে যত এগোচ্ছি, ততই মনে হচ্ছিল আমাদের সেই ছোট্ট স্বপ্নের জগতটি ধীরে ধীরে পিছনে পড়ে যাচ্ছে।
তৃতীয় দিনের সন্ধ্যায় ইসলামাবাদে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে শেষ হলো আমাদের নারান-কাঘান সফর।
কিন্তু ভ্রমণটি আসলে সেদিন শেষ হয়নি।
ক্যামেরায় বন্দী শত শত ছবি, বরফে ইভানা ও আর্শিয়ার আনন্দ, কাওয়াইয়ের ঝরনায় পা ডুবিয়ে চা পান, কুঁহার নদীর গর্জন, গ্লেসিয়ার কাটার দৃশ্য, ক্যাম্পফায়ারের উষ্ণতা, নারানের রাতের বাজার এবং প্রিয় মানুষগুলোর সঙ্গে কাটানো অসংখ্য হাসির মুহূর্ত—সবকিছু মনের মধ্যে থেকে গেল।
মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন

জন্ম : ১৯৫৮ সালের অক্টোবর মাসে।
পৈতৃক নিবাস সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার কালিয়াকৈড় গ্রাম।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে সম্মানসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। বিসিএস ’৮৪ ব্যাচের তথ্য ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন দীর্ঘ ৩৩ বছর। চাকরিজীবন শেষ করেন বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে কূটনীতিকের দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে। সরকারি কাজে তিনি প্রায় পনেরোটি দেশ সফর করেছেন। স্ত্রী সাবিনা ইকবাল স্বপ্না গৃহিণী। কন্যা সিফাত তাজরিয়ান ইভানা ফ্যাশন ডিজাইনার এবং পুত্র তানভীর ইমতিয়াজ স্বপ্নিল একজন যন্ত্র প্রকৌশলী।
