
I only had my grandfather until I was a year old. Having no living memories of him, I live instead through family photo albums: moments of him holding me every chance he got, or watching patiently as I made a mess when we hand-made kebabs. I grew up hearing how much love he poured into me as his first grandchild and the only one he lived to see and cherish. Despite his physical absence, he has always lived in me.
Over the years, I have discovered him in my own quiet habits: how I sit at the dining table, my deep reverence for literature, poetry, art, mythology, and my appreciation for life’s simple pleasures. He found true richness not in material possessions, but in education by wearing the same modest clothes, asking only for a simple roof over his head, and surrounding himself with a library brimming with everything from sacred scriptures to history. Today, I cultivate my own growing library, read and write to keep my creative passion alive, and measure wealth just as he did. I owe my open-mindedness, artistry, and curiosity entirely to him.
The physical gap between us is bridged by a spiritual one, anchored right on my hand. I wear his golden sun ring, a symbol that mirrors his poem, কবি আজীজুল হকের কবিতা. Just as his poetry speaks of the sun reaching down to offer a brief, tender grace against a quiet and indifferent world, this ring brings me strength to face my own challenges navigating this world. Many may view the ring as a heirloom, but it is engraved into who I am. The sun represents his enduring legacy, and wearing it serves as a daily reminder that even across time, love endures. His soul remains with me wherever I go. I am his sun, and I rise every day carrying his pride and glow.
সাবরিনা রাসনা
দাদাকে আমি কাছে পেয়েছিলাম মাত্র বছরখানেক,কারণ তিন যখন মারা যান তখন আমার বয়স মাত্র এক বছর। তাঁকে নিয়ে আমার নিজের কোনো জীবন্ত স্মৃতি নেই; তাই পরিবারের ছবির অ্যালবামগুলোর মধ্য দিয়েই আমি তাঁর উপস্থিতি খুঁজে ফিরি। সেসব ছবিতে ধরা আছে সুযোগ পেলেই আমাকে তাঁর কোলে তুলে নেওয়ার মুহূর্তগুলো, কিংবা বাড়িতে বানানো কাবাব তৈরির সময় আমার ছড়ানো-ছিটানোর কাণ্ডকারখানা পরম ধৈর্যের সাথে তাঁর চেয়ে দেখার দৃশ্য। তাঁর পুত্রের প্রথম কন্যা এবং আমার পিতার একমাত্র সন্তানটিকে তিনি জীবদ্দশায় দেখে ও ভালোবেসে যেতে পেরেছিলেন। তাকে তিনি কতটা ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছিলেন—সেসব গল্প শুনে শুনেই আমি বড় হয়েছি। তাঁর শারীরিক অনুপস্থিতি সত্ত্বেও, তিনি সর্বদা বেঁচে আছেন আমার সত্তায় ।
বছরের পর বছর ধরে, আমি আমার নিজের শান্ত কিছু অভ্যাসের মাঝে তাঁকেই নতুন করে আবিষ্কার করেছি– খাওয়ার টেবিলে আমার বসার ভঙ্গি, সাহিত্য, কবিতা, শিল্পকলা ও পৌরাণিক কাহিনীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, আর জীবনের সহজ-সরল আনন্দগুলোর প্রতি আমার অনুরাগে। পার্থিব ধনসম্পদে নয়, বরং প্রকৃত ঐশ্বর্য তিনি খুঁজে পেয়েছিলেন শিক্ষায়। একই সাদামাটা পোশাক পরা, মাথার ওপর সামান্য একটু মাথার গোঁজার ঠাঁই চাওয়া, আর পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে শুরু করে ইতিহাস পর্যন্ত বইয়ে ঠাসা এক পাঠাগারে নিজেকে ঘিরে রাখাতেই ছিল তাঁর তৃপ্তি। আজ, আমিও গড়ে তুলছি আমার ক্রমবর্ধমান নিজস্ব পাঠাগার; নিজের সৃজনশীল আবেগকে বাঁচিয়ে রাখতে পড়ার ও লেখার চর্চা করি, আর সম্পদের পরিমাপ করি ঠিক তাঁরই মতো করে। আমার মুক্তমনস্কতা, শিল্পবোধ এবং কৌতূহল—সব কিছুর জন্য আমি পুরোপুরি তাঁর কাছেই ঋণী।
আমাদের মধ্যকার শারীরিক দূরত্বের ফাঁকটুকু পূরণে তৈরি হয়েছে এক আত্মিক সেতু, যা বাঁধা পড়েছে আমার নিজের হাতেই। আমি পরি তাঁর সেই সোনার আংটিটি যাতে আছে সূর্য খোদাই করা—এ এমন এক প্রতীক, যা কবি আজীজুল হকের কবিতাকে প্রতিফলিত করে। নিস্তব্ধ ও উদাসীন এক পৃথিবীর বুকে ক্ষণিকের স্নিগ্ধ করুণা ছড়িয়ে দিতে সূর্যের নেমে আসার কথা যেভাবে তাঁর কবিতায় উঠে এসেছে, ঠিক তেমনি এই আংটিটি আমাকে এই পৃথিবীতে নিজের চলার পথের বাধাগুলোর মুখোমুখি হওয়ার শক্তি জোগায়। অনেকেই হয়তো এই আংটিটিকে কেবল একটি পারিবারিক স্মারক হিসেবে দেখবেন, কিন্তু এটি খোদ আমার অস্তিত্বের সাথে খোদাই হয়ে গেছে। এই সূর্য নির্দেশ করে তাঁর অবিনশ্বর স্মৃতিকে, আর এটি ধারণ করা আমাকে প্রতিদিন মনে করিয়ে দেয় যে, কালের সীমানা ছাড়িয়েও ভালোবাসা স্থায়ী হয়। আমি যেখানেই যাই, তাঁর আত্মা আমার সাথেই থাকে। আমিই তাঁর সূর্য, আর প্রতিদিন তাঁর গর্ব ও দীপ্তি বুকে নিয়ে আমি উদিত হই।
