অপর্ণা হাওলাদারের তিনটি কবিতা

শব্দ কিংবা মুখোশ কাঠামোহীন সংঘের চেয়ে বড় ঘাতক কে আছে লেখকের? অথবা সেই অর্থে যে কোনও সৃষ্টিশীলতার, একবার সভাক্ষেত্রে হাততালি উঠে গেলে ছারখার হয়ে যায় বুকের জমিন, যায় না? মাতৃভাষা বিমুখ হয়, মুখ ফিরিয়ে চলে যায় সমস্ত ঈশ্বর এবং দানব। প্রতি-ঈশ্বর ছেড়ে যান সবার আগে। …

শৈশবের উৎসব – উৎসবের শৈশব: অপর্ণা হাওলাদার

বলা হয়, উৎসবের ধরণ দিয়ে একটা সমাজের অনেক কিছুই বোঝা যায়। কিছু চেষ্টা করা যাক। মনে রাখা দরকার, নব্বই দশকে আমার শৈশবের যে বরিশাল শহরের কথা বলছি তা অনেক পুরনো, তখনো বরিশাল প্রায় গ্রাম। গ্রামীণ হিন্দু সমাজের উৎসবগুলোই প্রাধান্য ছিলো আমাদের পরিবারে। খাবারে, আচারে, কর্মে, …

দু’টি কবিতা: অপর্ণা হাওলাদার

সহপথিক, যে কেউ মানুষ, তুমি কাঁদছো যখন, আমার কাঁধে তোমার মাথা রাখতে পারো। মানুষ, এই যে আমার আঙ্গুল, তুমি কোথাও তোমার ব্যথা জড়িয়ে রাখো। মানুষ, তোমার নাম জানি না। মানুষ, তুমি নাম বোলো না। মানুষ, আমি হাঁটছি যখন, চাইলে তুমি এই সড়কের পুরোটা সাথে থাকতে …

অপর্ণা হাওলাদারের গল্প: ছাত্রানং অধ্যয়নং তপঃ কিংবা রাজনৈতিক নিহিলিজম

উবু হয়ে বসে ঘাস ছিঁড়ছে তারেক। বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠ এর পশ্চিম কোণে, দুই সরু রাস্তা চলে গেছে তার একটু পাশের থেকে। এই কড়ই গাছের ছায়ায় বসে সে অনেকক্ষণ। ছায়াটা ছেড়ে দিলে মাঠের বেশির ভাগ জায়গা কড়া রোদ। দুরে জারুল, রাধাচূড়া আর কৃষ্ণচূড়া তিন ধরণের গাছেই থকে …

Back to Top