অপর্ণা হাওলাদারের গল্প: ছাত্রানং অধ্যয়নং তপঃ কিংবা রাজনৈতিক নিহিলিজম

উবু হয়ে বসে ঘাস ছিঁড়ছে তারেক। বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠ এর পশ্চিম কোণে, দুই সরু রাস্তা চলে গেছে তার একটু পাশের থেকে। এই কড়ই গাছের ছায়ায় বসে সে অনেকক্ষণ। ছায়াটা ছেড়ে দিলে মাঠের বেশির ভাগ জায়গা কড়া রোদ। দুরে জারুল, রাধাচূড়া আর কৃষ্ণচূড়া তিন ধরণের গাছেই থকে থকে তিন রঙ্গের ফুল ফুটে আছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের তো কোনো প্ল্যানিং ঠিকঠাক কেউ করেনি, এমনকি টঙ্গের চা এর দোকানটা উঠিয়ে সামাজিক বিজ্ঞান এর নতুন দালান উঠছে। দোকানটা তারেক এবং ওর বন্ধুদের সন্ধ্যা থেকে প্রিয় আড্ডার জায়গা ছিলো। হাকিম চত্বর কিংবা মধুর ক্যান্টিনের ভেতরে অতটা সন্ধ্যায় আর আড্ডা দেয়ার মত জায়গা থাকে না। সামাজিক বিজ্ঞানকে কলাবিভাগ থেকে আলাদা করার এই বৈশ্বিক সাম্রাজ্যবাদী ন্যাক্করজনক ঘটনা নিয়ে তারেকের মেজাজ খারাপ হয়। তার উপর এক পা হাঁটার জায়গা নেই, শব্দে এমনকি মধু’তেও টেকা যায় না। কিন্তু এই পরিকল্পনা না থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই মাঠটা আর জারুল রঙের ফাঁক দিয়ে আভাস দিতে থাকা অল্প আকাশ তারেকের ভালো লাগে।

তার আপাতবাস যে ছাত্র হলে, কিংবা বলা ভালো, ঘোড়ার আস্তাবলে, সেই হলও কয়েক মিনিট হাঁটা দূরে। এই কড়ই এর নিচের আবছায়া জায়গাটার ওপর তারেরকের যেন একটু অধিকার আছে। আর সবচেয়ে বড় কথা, এই না-বিকেল-না-দুপুর এ ক্লাসের ছেলেমেয়েরা এখানে আর আসবে না। তারেক চায় না তাকে কেউ এখন পরিচিত কেউ দেখুক। দেখে প্রশ্ন করুক। কি ধরণের প্রশ্ন করবে চেনা মানুষ এখন তাকে দেখলে, তারেক জানে। আকাশ একটু থমথমে। গলায় পেঁচানো পাতলা চাদরটা দিয়ে মুখের ঘাম মুছলো তারেক। আজকাল ছেলেরাও এমন চাদর গলায় দিয়ে ঝুলছে, তারেকেরও ভালো লাগে কালো চাদরটা গায়ে থাকলে। আসলে আজকে তারেকের অস্থির থাকার কথা, কিন্তু যতটা থাকা উচিত ততটা অস্থির সে নয়। এই পর্যাপ্ত অস্থির হতে না পারাটা তারেককে ভাবায়।

আজকের সকালের ফাইনাল পরীক্ষাটা সে দিতে যায়নি। সোজা কথায় এর মানে, তার থার্ড ইয়ারে ওঠা হবে না। এমন না যে সে জানতো না পরীক্ষা কবে বা জানতো না সিলেবাসের দৈর্ঘ্য। এমনও না যে সে অসুস্থ কিংবা আর কিছু। হঠাত মাঝরাতে উঠে পর থেকে তার আর পরীক্ষা দিতে ইচ্ছা করলো না। পরীক্ষা দেবে বলেই ফর্ম ফিলাপ করেছিলো সে। পরশু নোটও এনেছিলো। কার নোট কে জানে, বেশ পরিষ্কার হাতের লেখা। পরীক্ষার আগের দেড়দিন অন্যের নোট পড়েই সে গত দুই বছর চালিয়েছে। সেকেন্ড ক্লাস দেওয়াটা স্যারের দায়িত্ব এই ভরসায় তারেক এবারও দিতে পারতো পরীক্ষাটা। সেকেন্ড ক্লাস দিয়ে দেয় ডিপার্টমেন্ট, নাহলে ছাত্ররা সরকার চাকরির পরীক্ষায় বসবে কি করে! কিন্তু এত কিছু জানা সত্ত্বেও তারেক সকালে পরীক্ষা দিতে যায়নি। সকালে ফয়সাল ফোন করেছে হলের সামনে থেকেও পৌনে নয়টাতেও, তারেক ধরেওনি ফোন। যায় তো নি অবশ্যই।

আরও কিছু মিসকল ছিলো ফোনে। মিসকলের মধ্যে একটা ওই মেয়েটার ফোন থেকে দেওয়া, এটা ভাবতে তারেকের ভালো লাগে। কিন্তু মেয়ে যা আঁতেল, তাতে তারেক পরীক্ষা দিয়েছে কি দেয়নি, ওর হয়তো কিছুই আসে যায় না। বরং ফার্স্ট ক্লাস মিস হয়ে যাবে, এই নিয়ে ঘ্যানরঘ্যানর শুরু হয়ে গেছে এতক্ষণে। হয়তো তারেক পরীক্ষা দেয়নি বলে মেয়েটা বিশ্ববিদ্যালয় সিস্টেমের লস হিসাব করতে বসবে। সিস্টেমের তো কিছু লস হবেই। তারেকের মনে হয়, সিস্টেমকে এই লস মানতে হবে। সিস্টেম কি দিয়েছে তারেককে? না একটা থাকার মত চলনসই হলের সিট, না একটা পড়ার মত লাইব্রেরি। পরীক্ষা না দেওয়াটাই তারেকের সিস্টেমের প্রতি প্রতিবাদ। তারেক অন্যমনস্ক হয়ে যায়, মেয়েটা কি তাকে আলাদা করে খেয়াল করে? তারেকের এই প্রতিবাদের ভাষা কি মেয়েটা বুঝবে? পরীক্ষার চিন্তা বাদ দিয়ে তারেক ঘাস চিবোতে চিবোতে মেয়েটার কথা ভাবতে থাকে।

হঠাত একটা কাগজের টুকরা এসে পড়লো উড়ে বইয়ের উপর। ঝাড়তে গিয়ে তারেকের চোখ ফেরে হাতে রাখা বইটায়। সলিমুল্লাহ খানের “আদমবোমা”। বইটা সে পড়তে চাইছে অনেকদিন ধরেই, ফয়সাল আগেই মধুতে এই বই নিয়ে তর্ক করেছে। সলিমুল্লাহ খান যে একজন জিনিয়াস, আর বাংলাদেশ জীবিতদের মধ্যে সবচেয়ে প্রতিভাবান, এই কথা ফয়সাল সবসময়ই বলে বেড়ায়। ফয়সাল এই দুই বছরেই অনেককে চেনে, পত্রিকায় লেখে। সলিমুল্লাহ খানকে ফয়সাল সলিমুল্লাহ ‘ভাই’ ডাকে। তারেক ফয়সালের আশেপাশে ঘোরে, কিন্তু ফয়সালের মত করে লোকে তাকে মনে রাখে না।

তারেক মন বসাতে পারছে না “আদমবোমা’র সাধুভাষায়। তারেক একবার ভাবে, কী যে আঁতলামি খান এর, কিন্তু আবার বইটা নিয়েই হাঁটে। ফয়সালের কাছে তর্কে সে হারতে পারবে না। অন্তত মেয়েদের সামনে তো নাইই, বিশেষত পরীক্ষা শেষে ওই মেয়েটা ক্যান্টিনে আসা বাড়িয়ে দেবে, তখন তো নয়ই। ওকে আবার পরীক্ষা বা পিএল এ কোথাও পাওয়া যাবে না। মেয়ে রাজনীতি করবে, লিখবে, পল্টনে যাবে কিন্তু পরীক্ষা আসলেই চম্পট। পরীক্ষার সাথে রাজনীতির একটা বিপরীত সম্পর্ক, তারেকের মনে হয়। কে কবে পরীক্ষা দিয়ে চে গুয়েভারা হয়েছিলো। তারেক ভাবে। আবার তারেকের মনে পড়ে, চে ডাক্তার ছিলো। পরীক্ষা দিয়েই নিশ্চয়ই চে ডাক্তার হয়েছিলো। চে এর উপর তারেকের একটু রাগ হয়। আচ্ছা, চে না সই, কিন্তু শহীদ ভাই? বিশ্ববিদ্যালয় ঢোকা অবধি সাত আট বছর কাটিয়েছেন, কিন্তু শেষ করেননি অনার্স। কী সুন্দর লম্বা চেহারা, কী ধার চোখেমুখে। এমন হয় রাজনীতিকরা। পরীক্ষা না দিয়েই তো! তারেক পরীক্ষাটা দেয়নি সকালে, সে ভাবতে থাকে আর কিছুদিন পর সেও শহীদ ভাই’র মত খদ্দেরের পাঞ্জাবি পরে মিটিং এ বক্তৃতা দিবে। কিন্তু সে শহীদ ভাইর মত দেখতেও সুন্দর না, তার গলাতেও ধার নেই। একটু খাটোও, মেয়েরা খাটো ছেলে পছন্দ করে না। গলায় ধারটা হয়তো আনা যাবে, তারেক ভাবে। শহীদ ভাইর মত কিছু একটা তারেককে হতে হবে। শহীদ ভাইর শ্বশুরের বিশাল বিজনেস, নাঈমা আপু একমাত্র মেয়ে। তারেক এটা ভেবে একটু আটকে যায়, কিন্তু দমে যায় না। পরীক্ষা না দিয়ে কেউ না কেউ বড় নিশ্চয়ই হয়েছে, নাহলে তারেকই হবে প্রথম।

পাশে থেকে চানাচুর ওয়ালা ডেকে যাচ্ছিলো, “মামা নিবেন নাকি ঝাল কইর্যা দিমু”। তারেকের মনে পড়লো বরিশাল ক্যাডেটের কথা। সেভেন থেকেই সেখানে বন্দী। প্রথমে র্যাগ খাওয়া এবং পরে র্যাগ দেওয়ার বছরগুলো। ক্যাডেটে এইসব খাবার একেবারেই চলতো না। কড়া স্বাস্থ্যনীতি এবং পড়াশোনার চাপ। তারেক কিছুটা সেলফ রিফ্লেকশন মুডে চলে যায়। কড়ই-এর ছায়াটাও পাতলা হতে থাকে। গলার চাদরটা দিয়ে তারেক চোখটা ঢাকে। সে ক্যাডেটের নামকরা ছেলে ছিলো। দেশজোড়া পত্রিকায় তার নাম উঠেছে মেট্রিকে ঝাঁঝালো রেজাল্ট করে। কিন্তু গত দুই বছরে হাতে গুণে কয়দিন বইখাতা ধরেছে সে? তারেক ভাবে, পড়াশোনা – আসলে এই প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা, এর কি মূল্য। এর মূল্য নাই বলেই তো তারেক পরীক্ষা দিতে যায়নি। এটা তারেকের সিস্টেমের বিরুদ্ধে একটা প্রতিবাদ। সেই গৎবাঁধা পরীক্ষা, রেজাল্ট, চাকরি। এর বিরুদ্ধে তো প্রতিবাদ হওয়া উচিত। পরীক্ষা না দিয়ে প্রতিবাদে করে কার কি লাভ হোলো? না হলে নাই হোক, একটু দ্বিধার সাথে তারেক ভাবতে থাকে। প্রতিবাদ তো হয়েছে, ফলের কথা পরে দেখা যাবে।

আর্টস পড়তে হয়েছিলো। ম্যাথে ৬৮ পাওয়ায় ক্লাস এইটে, নাইলে ছাত্র হিসেবে নাম তারেকের সেই থেকেই ভালো। বিশ্ববিদ্যালয়ে এডমিশন টেস্টে ১২ তম ছিলো সে। সেই শেষ পড়াশোনার সাথে দিবারাত্রির সম্পর্ক। ঢুকেছিল চকচকে এক বিভাগে। এসি রুম, টকাসটকাস ইংরেজি বলেন শিক্ষকেরা। তারেকের ক্যাডেট ঝালানো বিদ্যায় তাতে ঝামেলা হয় না। প্রথম বছর ঘুরতে হয়েছে দলের ভাইদের সাথে মিছিলে। দূর থেকে ক্লাসমেটরা দেখে ফেললে, সে কি লজ্জা। তারেক কি একটা দলের গুণ্ডা নাকি! তারেক ক্যাডেটের নামকরা ছেলে, সুধীন দত্তের ‘শ্বাশ্বতী’ তার মুখস্থ। তারেক গুণ্ডা না, কিন্তু মিছিলে হাজিরা দিতে হয় ক্লাস পালিয়ে হলে সিট পাওয়ার জন্য। ক্লাস পালানোটা কিছুদিনের মধ্যে অভ্যাস হয়ে গেলো। দুইচারটা ছাত্র আছে ক্লাসে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে চায় হয়তো, দেদারসে নোট করে বিলায়। ওদের থেকে নিয়ে নিলেই হয়। ক্লাস করা, পড়াশোনার খেয়াল রাখা এগুলো তারেকের বাহুল্য মনে হয়। তারেক ফয়সালের পেছনে পেছনে ঘোরে মধুর ক্যান্টিনে, আজিজে, ধানমন্ডিতে। ফয়সাল অবশ্য ক্লাস ফাঁকি দেয় না, পরীক্ষার ব্যাপারেও সিরিয়াস। সিরিয়াস না হলেও তারেক আজ অবধি পরীক্ষাগুলো টেনে এসেছিলো, অন্তত শরীরে উপস্থিত ছিলো। কিন্তু আজকে সে যায়নি । হঠাত করেই।

ঘাসটা তুলে মুখে দিলো তারেক। একটা ঘাসের মত গন্ধ নাকে লাগছে। ঘাসের গন্ধটা তারেকের খারাপ লাগছে না। অন্তত হলের রুমে ১২ জনের গাদাগাদিতে ঘামের পুরুষালি বোটকা গন্ধের মত না। তারেক পকেট থেকে ২০ টাকার নোটটা বের করে আবার রেখে দেয়। টিএসসি তে লাঞ্চ ১৮ টাকা। মুরগী, আলু ভর্তা আর ডাল। যাবে কি যাবে না ভাবছে না তারেক। ৩ টায় বন্ধ হয়ে যাবে মনে হয়। তারেক ঘাস চিবোচ্ছে। কে না কে পা দিয়েছে কে জানে, তাতে কি। আজকে তারেকের সবই ডিকন্সট্রাকশন, সবই প্রতিবাদ।

তারেকের বুকটা টিপটিপ করে। এই কথা এখন ঝালকাঠিতে ফোন করে বলতে হবে? বাবা-মা তো ছেলে পরীক্ষা দিবে না এটা বিশ্বাসই করবে না। বিসিএস দিয়ে সরকারি কর্মকর্তা হতে হবে, এই ভবিষ্যৎ পাড়া-প্রতিবেশি সবাই জানে। আকারে ইঙ্গিতে বলেও। সেইখানে তারেক কীনা পরীক্ষার হলে না গিয়ে সকালটা বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে থাকলো। এই কথা কি ওরা বিশ্বাস করবে। বাড়ি থেকে তাকে টাকা পাঠায় প্রতি মাসে, সে টিউশনিও করে একটা। পরীক্ষা না দেওয়ার কথা বললে যদি টাকা বন্ধ করে দেয়? তবে কি চলবে ঢাকায়?

আচ্ছা, না জানালে কেমন হয়? এই ডিপার্টমেন্টে আর কেউ নেই ঝালকাঠির। বাবা’র চেনা কেউ।

কিন্তু ঐ মেয়েটা সিনিয়র হয়ে যাবে? আচ্ছা, সিনিয়র হয়ে গেলে কি তারেকের দাম কমে যাবে নাকি? সে আদমবোমার পৃষ্ঠা ওলটায়। মেয়েটার বাবা কি করে কে জানে, শহীদ ভাই’র মত কপাল কি আর তারেকের হবে। নাঈমা আপু তো পলিটিক্যাল সায়েন্সে ডিফিল করছে, তারেকের তো হতেও পারে শহীদ ভাইর মত কপাল। শহীদ ভাই হলে আর কি কি করবে সিস্টেম পালটাতে সেটা নিয়ে ভাবতে ভাবতে প্যান্ট ঝেড়ে উঠে দাঁড়ায় তারেক। অন্তত গলার স্বরটা তো শহিদ ভাই’র মত বানাতেই হবে।

কোনো কারণ ছাড়া পরীক্ষা না দেওয়াটার কনসেকোয়েন্স নিশ্চয়ই কিছু থাকবে, কিন্তু তারেক এটা নিয়ে ভাবতে চাচ্ছে না। সে পাতলা চাদরটা গলায় ঝুলিয়ে মধুর দিকে হাঁটতে থাকে।

পরীক্ষা শেষ করে, প্রশ্নোত্তর মিলিয়ে, দুপুরের খাবার সেরে জেরিনরা তখন মধুতেই বসা। তারেক আসেনি পরীক্ষা দিতে, ফোনও ধরেনি কিন্তু হলেই ছিলো, এটা নিয়েই সবাই কথা বলছে। সবাই কথা বলছে, জেরিন কিছু বলছে না। ফুলস্ক্যাপ কাগজে সে অংক কষছে, একজন ছাত্র বিনা কারণে এক বছর লস দিলে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কত ক্ষতি হয়। জেরিনের হিসেবে অংকটা প্রায় ১ লাখের কাছাকাছি। জেরিন বিরক্ত হয়ে কাগজটা ব্যাগে রেখে দেয়।

অপর্ণা হাওলাদার

জন্ম ২০শে অক্টোবর, ১৯৮৫। ঢাকা শহরের উদয়ন বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও ভিকারুন্নিসা নুন কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স করেন। ২০১১ সাল থেকে উচ্চশিক্ষার প্রয়োজনে প্রবাসে, ২০১৯ সালে অর্থনীতিতে পিএইচডি শেষ করেন আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অফ ইলিনয় থেকে। বর্তমানে আমেরিকার প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষক হিসেবে কাজ করছেন।

Facebook Comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।