স্মৃতিলেখা

আর্যনীল মুখোপাধ্যায়

জীবন ও কবিতার মধ্যে একটুকরো কালক্ষয় আছে
যাকে কিছুতেই মানা যায় না
অথচ বিদ্যুৎ ও বাজ কিন্তু মেনে নিয়েছে

বৃত্তকে আমি বাদ দিয়েছি
কবিতার যে চোঙা তার দুধার খোলা
যে মলিন পানি আসে যায়
তার মালিন্যতা প্রধান নয় স্রোতে ভাসা নয়
শুধু যাওয়া আসা
মানুষের
রূপকের

 

সেই রূপকের পালক ছাড়িয়ে মাংশে পৌঁছে
সত্যিকারের পাখির শরীর এখন ধরা আছে
তাকে কি পাখিধরাও কোনোদিন চিনেছে?
ঝোলের গুণাগুণ কিন্তু সব মশলার
সুরায় ডোবানো চুরুট এখনো সুরার পাশেই গড়াগড়ি

যদি সর্বনাম নিয়ে খেলো
খেলাটা খুব সোজা নয়
শুধু আমাকে সে করা নয়
অনেকটা স্বপ্নের মতো যেখানে
আমি আর মা যখন জায়গা বদলাই
লিঙ্গান্তর সেই স্বপ্নের বিষয় হয়না

 

¤¤   ¥¥    ¶¶

তোমার বোকে থেকে আমি যে একটা গোলাপ তুলে নিলাম
সেটা আয়তের সঙ্কোচন বোঝাতে নয়
ক্ষয়ের বিমুর্ততা নয়
ভালোবাসা একটা অব্যক্ত ব্যাপার তার কোনো ভাষা নেই
এসব বোঝাতে নয় কিন্তু

জারোয়াদেরো ভাষা আছে
সে ভাষায় মনে রাখা আছে
তার হরফ আমরা নাই বা শিখলাম
আমি গোলাপ তুলে নিলাম
সম্পত্তির শান্ত এক হস্তান্তর হলো
আর সেই যে আচমকা কুয়াশা
সামুদায়িক দুঃখবোধ থেকে
কিন্তু সেকি আমার ওয়াইপার জানে

পাখিদের আগেই
চিড়িয়াখানার আগেই
খালি ক’রে দেওয়া হলো ডকুমেন্ট শ্রেডার
আমি আমার পংক্তিদের জানতেও পারিনি

বনসাই টবে গাঁথা হয়েছিলো ভাঙা ন্যারেটিভের ডালপালা
কেন জানো?
দাবানলে পোড়া গাছেদের মনে রেখে
আমি এত দ্রুত পড়ছি কেন জানেন?
আমি চাইনা আপনারা ভাবুন আমি একটূ চোখে চোখে কথা বলতে চাই
দেখতে চাই একটু দ্রুত বাঙালি জল
নয়নতারায় ফুটে আছে

ѱѱ   ϘϘ   §§

Facebook Comments

2 Comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।