মাসুদ খান-এর একগুচ্ছ প্রেমের কবিতা

নির্বাসন

অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে আকাশ ঢাকা
গায়ে তার জ্বলে কোটি-কোটি প্ল্যাংক্টন
তারই মাঝে একা একটি শ্যামলা মেঘে
সহসা তোমার মুখের উদ্ভাসন।

হয়তো এখন আকাশ নামছে ঝেঁপে
মেঘ ও মেঘনার ছেদরেখা বরাবর
ঝাপসা একটি আগুনের ছায়ারূপ
ঝিলিক দিয়েই মিলাচ্ছে অগোচর।

দূর গ্রহে বসে ভাবছি তোমার কথা
এতটা দূরে যে, ভাবাও যায় না ভালো
ভাবনারা হিম-নিঃসীম ভ্যাকুয়ামে
শোধনে-শোষণে হয়ে যায় অগোছালো।

অথচ এখানে তোমারই শাসন চালু
তোমার নামেই বায়ু হয়ে আমি বই
তোমারই আবেশে বিদ্যুৎ জাগে মেঘে
তোমার রূপেই ময়ূর ফুটেছে ওই।

মধুকর আজ ভুলে গিয়ে মাধুকরী
রূপ জপে তব কায়মনোগুঞ্জনে।
মনন করছে তোমারই বিম্বখানি
ধ্যানে ও শীলনে, স্মরণে, বিস্মরণে।

গন্ধকের এই গন্ধধারিণী গ্রহে
তটস্থ এক বিকল জীবের মনে
ক্ষার, নুন, চুন, অ্যাসিড-বাষ্প ফুঁড়ে
চমকিয়ে যাও থেকে-থেকে, ক্ষণে-ক্ষণে।

 

 

পারাপার 

কথা ছিল, দেব যৌথসাঁতার। অথচ কথা ভেঙে
একক ডুবসাঁতারে একা চলে এলাম এপারে
তোমাকে ছাড়াই, ওগো সহসাঁতারিনী।

অনেক তো হলো পরলোকে!
এইবার সাঙ্গ করি পরপারলীলা
দিই আরো একটি অন্তিম ডুব।

ভেঙে দিয়ে এপার-ওপার ভুয়া ভেদরেখা
এক ডুবে ছুটে আসব পরলোক থেকে
সোজা ইহলোকেই আবার।
তোমাকে দেখার কী যে দুর্নিবার আকাঙক্ষা আমার!

গিয়ে দেখে আসি– ওহে মুক্তকেশী,
আজ কোন লকলকে লাউডগা সাপে
বেঁধেছ তোমার
শিথিল চুলের রাশি?

 

 

এ ঝুম-বর্ষায় 

মনটা মন্থর ছিল যে সারাদিন
তোমার কথা ভেবে, দূর থেকে।
কথিত, অকথিত কথার শিখাগুলি
লতিয়ে ওঠে মনে এঁকেবেঁকে।

লুপ্ত কথা যত গুপ্তচর্চায়
আসছে ফিরে ফিরে, আসবেই।
পুনর্জন্মের চক্র থেকে কথা
মুক্তি পাবে না যে কিছুতেই।

কথার উষ্ণতা, কথার আলোড়ন,
আগুন ও মধুমাখা কথকতা…
কথাই শেষ নয়, কথারও শেষে থাকে
মেদুর, বিধুর এক নীরবতা।

তোমার নীরবতা নিলাম তুলে হৃদে
এবং উত্তাপটুকু শিরে।
এ ঝুম-বর্ষায় নিঝুম অবসরে
ডিকোড করে নেব ধীরে ধীরে।

 

 

আন্তর্জাগতিক

ভিন গ্যালাক্সির মেয়ে তুমি, ভিন্ন গ্রহের মেয়ে
তোমায় আমি ফুটিয়ে তুলি ইচ্ছাশক্তি দিয়ে।
দেখতে কেমন, ভাষা কী তার, কেমন অবয়ব–
জড়বুদ্ধি জাহিল আমি, জানি না ওসব।

তার মন তৈরি রূপ তৈরি কেমন উপাদানে
কল্পভীরু এই কবি আর কীই-বা তার জানে!
জানি না তার অনুভূতি, আবেগ, স্বভাবগতি
স্রেফ অনুমানেই ফুটিয়ে তুলি, এমন প্রাণবতী!

ছায়াপথ ছাড়িয়ে, দূরের ওই সুরগঙ্গা, তারও ওইপারে, বহির্গোলকে,
শঙ্কু-আকৃতির এক মিটিমিটি আলো-জ্বলা ঘরে ব’সে
ভিন্ন ভুবনের মেয়ে তুমি
নির্নিমেষ চেয়ে আছ হে আমারই জানালার দিকে।

হৃদয়ের নেশা, এক আন্তর্জাগতিক নেশা…
একদিন ঘনিয়ে আসব ঠিকই দুইজনে, পরস্পরে।

তোমার আমার ঘনীভূত অভিকর্ষ দিয়ে
আস্তে-আস্তে বাঁকিয়ে ফেলব দেশকাল
দূর দুই জগতের মাঝখানে যে ব্যাকুল মহাশূন্য,
বেঁকে যাবে তা টানটান অশ্বক্ষুরাকার চুম্বকের মতো।
আলোকবর্ষের ওই মহাদীর্ঘ দূরত্বই হয়ে যাবে
তুড়ি-মেরে-উড়িয়ে-দেওয়া ঘণ্টা কয়েকের পথ।
আর আমি ঠিকই সাঁতরে পাড়ি দেব ওইটুকু মহাকাশ।

জ্যামিতির ছুড়ে-দেওয়া এক জেদি-অথচ-লাজুক স্পর্শকের মতো
তোমাকেই ছুঁয়ে ছুঁয়ে বয়ে যাব আমি
পৃথিবী নামের গ্রহ থেকে ছোটা হেমন্তদিনের হাওয়া।

 

 

আশ্রয় 

যেইখানে তুমি নেই একেবারে, সেখানেও খুঁজে পাই
মাতাল যেমন রোদের মধ্যে মদিরার ঘ্রাণ পায়।
অনশনকারী কায়মনোদরে প্রতীক্ষা করে তাই
সেই লোকটির, যিনি এসে শেষে ভাঙাবেন অনশন।
আমিও তেমনই তোমার আবির্ভাবের প্রতীক্ষায়
নিবিষ্ট থাকি, মেলে রেখে ফুল-চন্দন আয়োজন।

হয়তো ভাববে সবকিছু মেকি, সবটাই প্রহসন।

প্রহার করবে, পকেটমারকে যেভাবে প্রহার করে।
ভয়ে, বিস্ময়ে, অভয়াশ্রয়ে তোমাকেই তবু আমি
জড়িয়ে ধরব। ভক্ত, তাই তো তীর্থেই এসে থামি।
ভক্তের মন সমস্ত ক্ষণ তীর্থ ঘিরেই ঘোরে
মা-র হাতে মার খেয়ে শিশু তবু মাকেই জড়িয়ে ধরে।

 

 

জ্বরের ঋতুতে

তখন আমাদের ঋতুবদলের দিন। খোলসত্যাগের কাল। সুস্পষ্ট কোনো সর্বনাশের ভেতর ঢুকে পড়তে চেয়েছিলাম আমরা দুজন। তার আগেই তোমার জ্বর এল। ধস-নামানো জ্বর। তুমি থার্মোমিটারের পারদস্তম্ভ খিমচে ধরে ধরে উঠে যাচ্ছ সরসর করে একশো পাঁচ ছয় সাত আট…ডিগ্রির পর ডিগ্রি পেরিয়ে…সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী তাপের সহগ হয়ে উতরে উঠছ তরতরিয়ে সেইখানে, যেখানে আর কোনো ডিগ্রি নাই, তাপাঙ্ক নাই…তাপের চূড়ান্ত লাস্যমাত্রায় উঠে ঠাস করে ফারেনহাইট ফাটিয়ে বেরিয়ে আসছে থার্মোমিটারের ফুটন্তঘন ফেনিল আগুন।

তীব্র, ধসনামানো জ্বরেও নারীরা ধসে না। হয়তো কিছুটা কদাকার দেখায়, এবং কিছুটা করালী দেবীর মতো। যত রূপসী তত করালিনী, জ্বরে।

একসময় মাথা ফেটে যাওয়া থার্মোমিটারকে ব্রুমস্টিক বানিয়ে তাতে চড়ে উধাও উড়ালে অস্পষ্ট অঘটনের দিকে হারিয়ে যাচ্ছ হে তুমি, প্রিয়তরা পিশাচী আমার।

জীবনে প্রথম মুখোমুখি এরকম সরাসরি স্পষ্ট বিপর্যাস…
মিটারের জ্বালাখোঁড়ল থেকে ঝরছে তখনো টগবগ-করে-ফোটা ফোঁটা-ফোঁটা লাভানির্যাস।

 

 

প্রমাদ 

আমি তো কেবল তোমার দিকেই যাই
বাতাস আমাকে নেয় যে অন্য দিকে।
এরই মাঝে চলে আষাঢ়ের কারসাজি
হয়ে যাও তুমি ক্রমেই ঝাপসা, ফিকে।

ফিকে হতে হতে মুছে যাও পুরোপুরি
তখন তোমার পাই না কোনোই দিশা
মেঘমসলিনে ঢেকে যায় অবয়ব
দেখার পিপাসা উসকায় জিজীবিষা।

মেঘেরা যখন ঝেঁপে আসে জানালায়,
তখন তোমাকে দেখি যে একঝলক।
ঝলক মানেই অমোঘ অভিজ্ঞান,
তোমার দিকেই যাওয়ার দিকফলক।

প্রতিবারই ঠিক করে নিই দিক-দিশা
বেহায়া বাতাস কেবলা ঘুরিয়ে দেয়।
যতবারই আমি চেষ্টা করি না কেন
বাতাস আমাকে অন্য দিকেই নেয়।

 

 

ভাবাধিনায়ক 

তোমার উৎফুল্ল হরতনের রাগরক্তিম ব্যঞ্জনা এসে লাগে
আমার সাজানো তাসে। কী ভাব জাগালে ওহে ভাবাধিনায়ক,
আকাশে বাতাসে আর আমাদের প্রথাসিদ্ধ তাসের সংসারে!
ফুটে ওঠে লজ্জারং, জেগে ওঠে রংধনুরূপ, ব্যাকুল তাসের সেটে।

হে ভাবের কম্যান্ডার, বোঝা ভার এ হরতনি লীলাটি তোমার।

লজ্জা-আভা-ফুটে-ওঠা স্পন্দমান তাসকেই করেছ হে তুরুপের তাস–
অব্যর্থ, মোক্ষম।
পুনরায় টেক্কা মেরে দিয়েছ ঘায়েল করে সব উপশম, একদম।

 

 

পূর্বাভাস

যখনই যেখানে দেখা হয়ে যায় অতর্কিতে তোমার-আমার,
তাকাও আড়চোখে– দ্রুত, চোরাগোপ্তা, এবং ধারালো।
আর তাকিয়েছ যতবার,
ততবারই ছুটে গেছে একটি করে স্পন্দন, দুস্থ হৃৎপিণ্ডের আমার।

এভাবেই, অল্প কিছুদিনের মধ্যেই, কমে আসে হৃৎস্পন্দ
দেখা দেয় নিম্নচাপ, ঘন-ঘন পূর্বাভাস– কুলকীর্তিনাশা জলোচ্ছ্বাস…
ক্রমেই উত্তাল হয় ভূমধ্যসাগর
অচিরেই ভেসে যায় যা-কিছু স্থাবর, অস্থাবর।

 

 

বার্ণিক 

তোমার রঙে রং মেশানোর নেশা
তাই তো রঙের সঙ্গে মেলামেশা
বহুদিনের। রসজ্ঞ বার্ণিক
নানা রঙে রঙিন করে দিক
তোমার মনের রংধনুটা আজ
তোমার মনের মিহি কুচকাওয়াজ।

তোমার চুলের অমাবস্যার মাঝে
একটি কিরণ মিশিয়ে দেবার কাজে,
রংধনুতে যোগ করতে একটি নতুন রং
সারাটাদিন মগ্ন না-হয় ছিলামই বরং।

এরই ফাঁকে কোত্থেকে এক ছোট্ট কালো তিল
নিজ খেয়ালে আপনমনে আনন্দে ঝিলমিল
উড়তে উড়তে ঘুরতে ঘুরতে শেষে
বসল তোমার চোখের কোলে এসে।

কিসের কর্ম, কিসের গৃহস্থালি
সবকিছুতে দিয়ে তিলাঞ্জলি
ডুবব এবার চোখের সরোবরে
ভুগব কদিন তুমুল ভালুকজ্বরে।

 

 

প্রেম ও পাতক

বিভিন্ন নির্ণয় থেকে নানাভাবে উঠে এসে
তুমি স্পর্শ করেছ আমাকে, কৃতস্পর্শা।
নানা অমীমাংসা থেকে, অপূর্ণ পাপেচ্ছা আর অর্ধ-জাগরণ থেকে
কতভাবেই-না ছুঁয়ে গেছ তুমি।

শস্যের নিষ্পত্তি হয়ে গেলে নিঃস্ব পড়ে থাকে মাঠ
মন-হুহু-করা সিটি দিয়ে ঢুলতে ঢুলতে চলে যায় ট্রেন
অখ্যাত স্টেশন ছেড়ে, কুয়াশায়, মধ্যরাতে।

তোমার অনেক আগে চলে যাব আমি
তোমারই সুকৃতিবলে, শুভেচ্ছায়, ধীরে ধীরে
কণা-উপকণা হয়ে ছড়িয়ে পড়ব সবখানে।
একসময় ধুয়ে মুছে মিশে যাব নদীতে সাগরে।

এরপর এই ভূমণ্ডলের যে কোনো প্রান্তে, যে কোনো উপকূলে,
যেখানেই যাও, যেখান থেকেই নাও এক আঁজলা জল,
সেখানেই পেয়ে যাবে তোমার স্পর্শ ও তাপধন্য
এই তাপিষ্ঠের ঘন অনুতাপ-চিহ্নিত কোনো-না-কোনো দেহ-উপকণা।

 

 

রূপ ও স্বরূপ

হাজার তারার ভিড়ে তোমায়
দেখব এক ঝলক
দেখতে তোমার রূপ ও স্বরূপ
তাকাই নিষ্পলক।

এমন করেই তাকিয়ে আছি
বহু জন্ম ধ’রে
কৌতূহলে কুম্ভ থেকে
প্রাণ ছলকে পড়ে।

যুগে যুগে পালক খসে
শ্যাওলা জমে চোখে
হড়কে পড়ি চোখ-ধাঁধানো
রূপজ্যোৎস্নালোকে।

জং ধরে যায় চঞ্চু ডানায়
ঘটে পদস্খলন
এমনি করেই দিনে দিনে
আমার অধঃপতন।

ক্ষুৎপিপাসায় অনঙ্গ-প্রায়
যায় শুকিয়ে মন
চেয়ে থাকাই চাতক পাখির
জীবন, উজ্জীবন।

তবু আমার নেই অনুযোগ
শত প্রবঞ্চনায়
তাকিয়ে থাকাই ধর্ম আমার
নীরব উপাসনা।

 

 

উৎসর্গিতা 

ওগো রূপনিধি,
আজও জানি না যে কোন বংশে তুমি
হয়েছিলে লীলায়িতা, কবে, কতকাল আগে!
আর এখনই-বা কোন বংশে দিচ্ছ ছড়িয়ে তোমার
প্রফুল্ল পল্লব, ওহে অভিনব!

আজ ভাবি– সহোদরা না হয়ে কেন যে হয়েছিলে
ভিনগ্রহী, ভিন্নভাষী, অন্যা, অন্যোদরা!

তবে কি আমারই ভাষ্যান্তররূপে, আমারই নিষ্ক্রয় হয়ে তুমি
উৎসর্গিতা হয়ে আছো ঝলমলে ছায়াপথে?
এই যে ধারণাতীত মহাকাশ ও কারণাতীত মহাকাল,
এসবেরই কোনো এক অস্থির স্থানাঙ্কে?

 

 

সর্বনাম 

তুমি যদি হও বিশেষ্য আমি তোমার সর্বনাম
আমার জ্ঞানের, নিবিড় ধ্যানের তুমিই তো পরিণাম।

পর বটে, তবে, পর নয় ফের– সে-ই তো অপর
সেই অপরের সঙ্গে সমান্তরাল সফর
জনম জনম, জন্মান্তর– একটানা অবিরাম।
তুমি যদি হও বিশেষ্য আমি তোমার সর্বনাম।

যখনই লুকাও নামটি তোমার, তখন কী হয়–.
তোমার লুকানো নাম-ভূমিকায় করি অভিনয়
পাই যদি খোঁজ লুপ্ত নামের, নামগান গাইতাম
তুমি যদি হও বিশেষ্য, আমি তোমার সর্বনাম।

বিশেষেও তুমি, নির্বিশেষেও, সেই একই তুমি
সকল কৃতির, সকল প্রীতির হে উৎসভূমি…
সমস্ত পথ ঘুরে ফিরে শেষে তোমার ঠিকানাধাম
তুমি যদি হও বিশেষ্য আমি তোমার সর্বনাম।

 

 

অবক্ষয় 

তোমার সঙ্গ থেকে দূরে থাকি, শাসন থেকে নয়
তোমার নিকট থেকেই আসে বিরল বরাভয়।

আমার মন বসে না ঘরকন্নায়, ঘরের কাজে ফাঁকি
আমার ইহও গেল, গৃহও গেল, থাকল কী আর বাকি!
আজ তোমার নামেই বরণ করি আমার পরাজয়
তোমার হয়েই করি আমি তোমার অভিনয়।
তোমার সঙ্গ থেকে দূরে থাকি, শাসন থেকে নয়।

তোমার শাসন, অভিভাষণ, বাক্যবিকিরণ
নিচ্ছি শুষে সর্বাঙ্গে, সর্ব-প্রাণ-মন।
তোমার তাপেই তপ্ত বালি, তপ্ত হয়ে রয়।
তোমার সঙ্গ থেকে দূরে থাকি, শাসন থেকে নয়।

ধীরে ধীরে অবশ-করা ভাবে বশীভূত
কোন গোলে যে পড়লাম হায়, এসে রবাহূত
আমার ইহও গেল, গৃহও গেল, এমন অবক্ষয়।
তোমার সঙ্গ থেকে দূরে থাকি, শাসন থেকে নয়।

 

 

 

মাসুদ খান

কবি, লেখক ও অনুবাদক মাসুদ খান। জন্ম ২৯ মে ১৯৫৯, জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলালে; পৈতৃক নিবাস সিরাজগঞ্জ। তিনি প্রকৌশলবিদ্যায় স্নাতক এবং ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর। পেশাগতভাবে তিনি একজন তড়িৎ ও ইলেকট্রন প্রকৌশলী। বর্তমানে তিনি কানাডায় বসবাস করছেন।

তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে— পাখিতীর্থদিনে (১৯৯৩; পুনঃপ্রকাশ ২০১৯), নদীকূলে করি বাস (২০০১), সরাইখানা ও হারানো মানুষ (২০০৬), আঁধারতমা আলোকরূপে তোমায় আমি জানি (২০১১), এই ধীর কমলাপ্রবণ সন্ধ্যায় (২০১৪), দেহ-অতিরিক্ত জ্বর (২০১৫), প্রজাপতি ও জংলি ফুলের উপাখ্যান (২০১৬), প্রসন্ন দ্বীপদেশ (২০১৮), গদ্যগুচ্ছ (২০১৮), শ্রেষ্ঠ কবিতা (২০১৮), পাখপাখালির গান পাগলাঝোরার তান (২০১৯) এবং উর্মিকুমার ঘাটে (২০২০)।

Facebook Comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to Top