শকুন্তলা চৌধুরী
অবলাকান্ত খাতা খুলিয়া লিখিলেন— “এক্ষণে এক সিদ্ধান্ত লইবার সময় আসিয়াছে— বাণপ্রস্থের সিদ্ধান্ত। আমাদিগের প্রাচীন শাস্ত্রে চতুরাশ্রমের ব্যবস্থাটি অতি উত্তম ব্যবস্থা বলিয়া এই অধমের মনে হইয়া থাকে, বিশেষ করিয়া জীবনের এক পর্যায়ে আসিয়া বাণপ্রস্থের সুপারিশ। কথা হইল এই যে, যথাসময়ে সঠিক কাজটি করিতে জানিলে সংসারে বহু জটিলতার হাত হইতে রক্ষা পাওয়া যায়, অনেকানেক দুশ্চিন্তার হাত হইতে মুক্তি পাওয়া যায় এবং সর্বোপরি জীবনের অবধারিত যে সত্য— মৃত্যু— তাহার জন্য শান্তচিত্তে প্রস্তুত হওয়া যায়। বহুবিধ মূল্যবান প্রাচীন শিক্ষার সহিত এই চতুরাশ্রমের শিক্ষাটিও আমরা ভুলিতে বসিয়াছি।
জীবনের শেষ দিনটি অবধি ভোগ করিয়া যাইবার পরম আকাঙ্ক্ষায় লালায়িত আমরা ছুটিতেছি আর ছুটিতেছি। চর্ব্য-চোষ্য-লেহ্য-পেয় খাইয়া দেহটি রোগের ঢিবি হইয়া উঠিলেও আরও খাইবার ইচ্ছা যাইতেছে না। উপার্জন বা সঞ্চয়ের একটি বৃহৎ অংশ খরচ হইয়া গেলেও ঘরের দুধ-ঘোলটি পরিত্যাগ করিয়া লাল-খয়েরি রঙের জল পান করিবার ইচ্ছা যাইতেছে না। এই উষ্ণ আবহাওয়ায় বয়স্ক শরীরে হালকা রঙের সুতির কাপড়টি ভালো চলিলেও ‘মল’-এ গিয়া ঝকমকে ‘সিনথেটিক’ জিনিসটি কিনিয়া পরিবার ইচ্ছা যাইতেছে না। ইত্যাদি প্রভৃতি।
তন্মধ্যে বাঙালি হইল আবেগপ্রবণ রঙ্গপ্রিয় জাতি। বারো মাসে সে তেরোটি পার্বণ করিয়া থাকে এবং রঙ্গ না হইলে তাহার কোনো পার্বণই সুসম্পন্ন হয় না। কেমন রঙ্গ? কখনো তাহা ধুন্ধুমার সঙ্গীতের রঙ্গ, কখনো তাহা ধেই ধেই নৃত্যের রঙ্গ, কখনো তাহা উচ্চৈঃস্বরে গালাগালি ও মুষ্টিযুদ্ধের রঙ্গ। তবে সবকয়টিই প্রবল আবেগমথিত। কদাচিৎ এই রঙ্গের পিছনে থাকে কোনো ধার্মিক অনুষ্ঠান। তবে বাঙালি কিনা রবিঠাকুরের নাতির পুতির কুটুম্ব, ‘ইন্টেলেকচুয়াল’— অতএব ধর্মের দিকে তাহারা বড় একটা ঘেঁষে না… যদি বুদ্ধি কম হইয়া যায়! অতএব রঙ্গগুলি প্রায়শই থাকে ‘ধর্মকেন্দ্রিক’, তথাপি ‘ধর্মবিহীন’। ইদানীং আবার আরেক রঙ্গ জুটিয়াছে— নির্বাচনের রঙ্গ। ঘরে-বাহিরে কোথাও শান্তি নাই— নির্বাচনের রঙ্গ চলিতেছে ছয় মাস ধরিয়া। বাহির হইলে শুনিবেন মাইকে চিৎকার, ঘরে আসিয়া টিভি খুলিলে দেখিবেন একই চর্বিতচর্বণ। এইসব রঙ্গের ঠেলায় আকাশ-বাতাস দূষিত হইয়া উঠিতেছে, পরিবেশের নাভিশ্বাস উঠিয়া যাইতেছে— তবু রঙ্গের বিরাম নাই।
যদিচ সমবয়স্ক বহু মনুষ্যকে প্রত্যহ এই রঙ্গে সামিল হইতে দেখিতেছি, এই অধম অবলাকান্তের আর এইসব রঙ্গে রুচি নাই। পূজা যেকালে কিছুমাত্র হইলেও পূজাই ছিল— সেই পূজা চিত্তে গাঁথিয়া আছে, অতএব রঙ্গের পূজায় আর ভক্তি অনুভব করিতেছি না। সঙ্গীত যেকালে বাদ্যযন্ত্রণায় কণ্ঠকে ঢাকিয়া ফেলে নাই— সেই সঙ্গীত মর্মে পশিয়া গিয়াছে, অতএব রঙ্গের সঙ্গীতে আর মন ভরিতেছে না।
নির্বাচন যেকালে সৌজন্যপূর্ণ কৌতুকে ভরিয়া থাকিত— সেই নির্বাচন স্মৃতিতে রহিয়া গিয়াছে, অতএব রঙ্গের নির্বাচনে আর দেশপ্রেম জাগিয়া উঠিতেছে না। অবসর যেকালে বিশ্বসাহিত্য পঠনে ভরিয়া থাকিত— সেই অবসর হাতছানি দিয়া ডাকিতেছে, তাই ‘মুখপুস্তিকা’ অথবা দূরদর্শন আর অবসরকে আনন্দময় করিয়া তুলিতে পারিতেছে না। সুতরাং বুঝিতে হইবে যে এই অধমের সংসার হইতে বিদায় লওয়ার সময় হইয়া আসিতেছে।
শুনিয়া বিদ্বজ্জনে চমকিয়া উঠিবেন না, মনোরোগ-বিশেষজ্ঞের ঠিকানাও পাঠাইয়া দিবেন না। কারণ আমি জগৎ হইতে বিদায় লওয়ার কথা ভাবিতেছি না, আমি সংসার হইতে বিদায় লওয়ার কথা ভাবিতেছি। অর্থাৎ বাণপ্রস্থ। এখন প্রশ্ন হইল— ‘কোথায়’? কোথায় যাইব বাণপ্রস্থ লইতে? কোথায় পাইব ‘রঙ্গহীন’ নির্জনতা? সেই মুনি-ঋষিগণও আর নাই, তাঁহাদের সৃষ্ট সেই তপোবনগুলিও আর নাই। বাণপ্রস্থ লইব ভাবিলেই যে সম্মুখে সব প্রস্তুত পাইব, এমন কথা নাই। বন্ধুজনে পরামর্শ দিল বৃদ্ধাবাসে যাইতে। দূরসম্পর্কীয় ভাগিনেয়-ভাগিনেয়ীর দল তাহা সরবে সমর্থন করিল। আমি এই ষাটোর্ধ্ব অবসরপ্রাপ্ত অবলাকান্ত অদ্যাবধি নিজেকে বৃদ্ধ মনে করি নাই, অতএব বৃদ্ধাবাসের সম্পর্কে কিছুই জানিতাম না। এক্ষণে নিজেকে বৃদ্ধ না ভাবিয়াও সংসার হইতে পলায়নের ইচ্ছা জাগিতেছে, বাণপ্রস্থ অবলম্বনের ইচ্ছা জাগিতেছে— কী করি!
অনেক ভাবিয়া চিন্তিয়া অবশেষে সংবাদপত্র খুঁজিয়া, গুগল ঘাঁটিয়া, বেশ কয়েকটি বৃদ্ধাবাসের নাম ও ঠিকানা লিখিয়া লইলাম। এক এক দিন করিয়া সেগুলিকে দেখিয়াও আসিলাম। কয়েকটি তো শহর ছাড়াইয়া বহুদূরে প্রকৃতির কোল ঘেঁষিয়া আসন পাতিয়াছে। সেখানে না পৌঁছায় রঙ্গবাজির কোলাহল, না হারাইয়া যায় পক্ষীগণের কূজন। একটিতে দেখিলাম সুন্দর একটি পাঠাগার রহিয়াছে, আরেকটিতে রহিয়াছে ‘মেডিটেশন রুম’। কয়েকটিতে বেশ প্রশস্ত বাগান রহিয়াছে— হাঁটিয়া বেড়াইবার বাধা নাই। খাওয়াদাওয়ার সুন্দর ব্যবস্থা। ডাক্তার-বদ্যির আয়োজনও শুনিলাম এনারা করিয়া দিয়া থাকেন। বেশ কয়েকটিতে দেখিলাম বসবার ঘরটিতে মৃদুস্বরে আবাসিকরা গল্প করিতেছেন— তথায় নারী ও পুরুষ উভয়েই আছেন। কয়েকটিতে অবশ্য নারী ও পুরুষের আলাদা আলাদা ব্যবস্থা। সব মিলাইয়া বেশ পরিপাটি আয়োজন।
সত্য বলিতে কি, বৃদ্ধাবাসগুলিকে আমার বেশ ভালোই লাগিল। বাঙালি তার্কিক কেন যে ঐ আবাসগুলির জনসংখ্যা বৃদ্ধি লইয়া ছেলেপুলেগুলির পিণ্ড চটকাইতেছে, তাহা আমার বোধগম্য হয় নাই। আমার তো বোধ হয় যে বাঙালি জাতি অবশেষে বয়ঃপ্রাপ্ত হইয়াছে— মায়ের আঁচল আর বাবার খুঁট ছাড়িয়া দেশে-বিদেশে চাকরি করিতে যাইতেছে, এক ছাদের নিচে অহর্নিশি তিন পুরুষে অশান্তি না করিয়া নিজ নিজ রুচিমতো জীবনযাপন করিতেছে। ইহাতে দোষের কী হইয়াছে? আর পিতামাতারাও ছেলে-বউয়ের বা মেয়ে-জামাইয়ের সহিত নিত্য কলহ ছাড়িয়া, সমবয়স্ক লোকেদের সহিত সময় কাটাইতেছেন এবং নতুন নতুন বন্ধু পাতাইতেছেন। তাহাতে ক্ষতি কিছু হইতেছে কি? আমার তো বোধ হয় না। এমন স্থানে বাণপ্রস্থ লইতে আমার কোনো আপত্তি ছিল না, কিন্তু বাদ সাধিল আমার পকেট।
এইরূপ সর্বসুখসমন্বিত ত্রুটিবিহীন বাণপ্রস্থের দক্ষিণা যে কিঞ্চিৎ অধিক হইবে— এইটা এই অধমের অনুমানে আসা উচিত ছিল, কিন্তু আসে নাই। সর্বাধিক মনোমুগ্ধকর আবাসটির খরচ প্রথমে জানিতে চাহিলাম— অতি মিষ্টভাষায় ম্যানেজার যাহা বলিল, তাহা শুনিয়া আমার ‘চক্ষু চড়কগাছ’ হইল। অতঃপর এক এক করিয়া সবকয়টির খোঁজ করিলাম— খরচের তফাত হইল উনিশ-বিশ। দেখিলাম, সেই ‘উনিশ’টিও এই অবসরপ্রাপ্ত রাজ্য সরকারি কর্মীর সাধ্যের বাইরে। বুঝিলাম, ‘বিশ্বায়ন’-এর ঠেলায় বাঙালি আর কিছু না পারুক, ব্যবসা করিতে শিখিয়াছে। জানিলাম, বাঙালির সর্বস্ব আজ পণ্য হইয়া গিয়াছে— বার্ধক্যও।
অগত্যা এই রঙ্গের ভিতরেই দিন কাটাইয়া শেষ নিঃশ্বাস ফেলিতে হইবে— এইরূপ ভাবিয়া একটু মুষড়াইয়া পড়িয়াছিলাম। অকস্মাৎ এক দিবসে পার্কের বেঞ্চিতে আমার পাশে আসিয়া বসিল দেবল। পাড়ার ছেলে, সম্প্রতি ‘ভ্রমণ ব্লগ’ খুলিয়া ভালো উপার্জন করিতেছে। অধুনা এই আরেক হইয়াছে— চাকরি নাই তো ব্লগ খুলিয়া বকরবকর করিয়া পয়সা উপার্জন কর। যাহা হউক— গুণ্ডামি অপেক্ষা তাহা উত্তম। উহার পিতাকে চিনিতাম— অতি সজ্জন ব্যক্তি ছিলেন, সরকারি দপ্তরে আমার বয়োজ্যেষ্ঠ। দেবল কর্মে তাহার পিতাকে অনুসরণ না করিলেও, স্বভাবে করিয়াছে। আমার সমস্যা শুনিয়া সে কিয়ৎক্ষণ চুপ করিয়া রহিল, তারপর কহিল— “কাকু, হিমালয়ে যাবেন? বাণপ্রস্থ নেওয়ার কোনো নির্দিষ্ট স্থান তো শাস্ত্রে বেঁধে দেয়নি!” তা বটে! আমি একটু উৎসাহিত হইয়া উঠিলাম।
দেবল যাহা বলিল, তাহা হইল এই যে হিমালয়ের কোলে একটি “হোম-স্টে” আছে। চল্লিশোর্ধ্ব এক পাহাড়িয়া দম্পতি চালাইয়া থাকে, কম্পিউটারে পারদর্শী নয় বলিয়া বিজ্ঞাপন দিয়া উঠিতে পারে না। অধুনা প্রতিযোগিতা বাড়িয়া যাওয়ায় তাহাদের ব্যবসায় মন্দা চলিতেছে— অতএব তাহারা কোনো দীর্ঘকালীন আবাসিক খুঁজিতেছে। তাহাদের বাটি-সংলগ্ন জমিতে হইলেও বাসস্থানটির সকল ব্যবস্থাই আলাদা। তাহাদের বাটি হইতে খাবার আসে, ঘরও তাহারা পরিষ্কার করিয়া দেয়। জামাকাপড় নিজেকে কাচিতে হইবে, নচেৎ পয়সা দিয়া লোক রাখিতে হইবে। ঔষধপত্রের খরচ নিজস্ব। কিছুদিন আগেই দেবল সেখানে গিয়া থাকিয়াছে— ব্যবস্থা সুন্দর, ঘরটির জানলা খুলিলে হিমালয়, বারান্দাটি ঝুঁকিয়া পড়িয়াছে পাহাড়ের ঢালে। গাড়িঘোড়ার কোলাহল নাই, পরিবেশদূষণ নাই— শুধু পাখি আর ফুল। সমতল থেকে খুব উপরে নয়— তাই শীতের একটি মাস ঠান্ডা থাকিলেও অন্য সময় অতি সুন্দর আবহাওয়া, গরমের কষ্ট নাই। একটি হিটার কিনিয়া লাগাইয়া দিলে শীতের দিনেও কষ্ট নাই। প্রয়োজন হইলে শীতের দিনে সমতলে আসিয়া এক মাস ঘর ভাড়া লওয়া যায়— ঐ স্থানে ভাড়া বেশি নহে।
মনস্থির করিতে সময় লাগিল না। দেবলের সহিত হিমালয়ে গিয়া একবার স্থানটি দেখিয়া আসিলাম— পাহাড়ি স্বামী-স্ত্রী ব্যবসা করিতে জানে না, তাহারা মুখে কিছু না বলিলেও তাহাদের সরল ব্যবহারে এবং জায়গাটির সৌন্দর্যে মুগ্ধ হইলাম। পিছুটান না ত্যাগ করিলে বাণপ্রস্থ অর্থহীন। অতএব পৈত্রিক বাড়িটি বিক্রয় করিয়া দেওয়াই মনস্থ করিলাম— বহুতল বানাইবার প্রমোটারগণ তো গৃধ্রের ন্যায় অষ্টপ্রহর এই জীর্ণশরীর গৃহটির জন্য হাত বাড়াইয়া আছে, তাহাদেরই একজনের সহিত কথাবার্তা পাকা করিলাম। টাকা যা পাইলাম, তাহার একটি ভগ্নাংশ দিয়াই পাহাড়ের শান্তি কিনিতে সক্ষম হইব— ইহা বুঝিতে অসুবিধা হইল না। বাকি যা রহিল এবং অবসর ভাতা, এই দুইয়ে মিলিয়া আমার শীতের দিনের হিটার তথা সমতলে এক মাসের ভাড়া এবং অন্যান্য ব্যবস্থা সহজেই হইবে— ইহাও বুঝিতে পারিলাম।
অতএব হে বাঙালি— তোমার রঙ্গমুখরিত, কোলাহলজড়িত, পরিবেশদূষিত, বিশ্বায়ন-অধ্যুষিত, শিক্ষিত বঙ্গসমাজ হইতে এই অধম অবলাকান্ত বিদায় লইল; সে চলিল প্রকৃতির সরল বাণপ্রস্থে, যেখানে তোমা হইতে বহু শক্তিমান কেহ ব্যবসা না করিয়া প্রতিনিয়ত শান্তি বর্ষণ করিয়া চলিতেছেন। যাহা ধরিয়া রাখা মনুষ্যক্ষমতার বহির্ভূত, তাহাকে ধরিয়া রাখিবার চেষ্টা অর্থহীন। যাহাকে বদলাইবার চেষ্টা মনুষ্যক্ষমতার বহির্ভূত, তাহাকে বদল করিবার চিন্তা অর্থহীন। অতএব তোমাদিগকে এবং তোমাদিগের এই সমাজকে সেই সর্বশক্তিমানের হস্তে সমর্পণ করিয়া, এই অধম অবলাকান্ত তাহার কলমসমেত ছুটি লইল।”
এই বলিয়া অবলাকান্ত কলম রাখিয়া, খাতা বন্ধ করিয়া, মহা উৎসাহে ব্যাগ গুছাইতে লাগিয়া গেলেন।
শকুন্তলা চৌধুরী

জন্ম কলকাতায়; বি. ই. কলেজ ক্যাম্পাসে বেড়ে ওঠা। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়েরকলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী, তথ্যবিজ্ঞানে পিএইচডি এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের বাসিন্দা। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পত্রিকায় সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি তাঁর কবিতা সুরারোপিত হয়েছে শ্রীকান্ত আচার্য, নচিকেতা ও রূপঙ্করের মতো জনপ্রিয় শিল্পীদের কণ্ঠে। ভারত, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের একাধিক জনপ্রিয় পত্রিকায় (যেমন: সানন্দা, পরবাস, সেতু, ইরাবতী ইত্যাদি) তাঁর সাহিত্যকর্ম প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর কবিতাকে গানের ভিডিও হিসেবে পরিবেশন করেছেন শ্রীকান্ত আচার্য, নচিকেতা চক্রবর্তী, রূপঙ্কর বাগচী এবং ‘কায়া’ ব্যান্ড।
প্রকাশিত বইসমূহ: যাদব-কন্যা (২০২২), অহল্যার চিঠি (২০২৩) এবং লক্ষ্মণরেখা (২০২৬):
