অবলাকান্ত খাতা খুলিয়া লিখিলেন — “নির্বাচন যদি বা শেষ হইল, আমার মনের ধন্ধ শেষ হইল না। উল্টা, বহুগুণ বৃদ্ধি পাইল। ইহার কারণ বিবৃত করিতে হইলে, আমাকে আবার সেই আমাদের পাড়ার বহুতলবাসী মিত্রসাহেবের আমেরিকাবাসী পুত্র রোহনের কথায় ফিরিয়া যাইতে হইবে — কারণ রোহনের অসীম জ্ঞানভাণ্ডার আমার জ্ঞানচক্ষু একটু একটু করিয়া উন্মীলিত করিয়া দিতেছে। তাহার বাবার সাহেবী হালচাল এবং গুরুগম্ভীর ভাষণ আমাকে যেসকল তত্ত্ব শিখাইতে পারে নাই, রোহনের বন্ধুত্বপূর্ণ অকপট কথাগুলি অতি সহজেই আমাকে সেইসকল তত্ত্ব এবং সঙ্গে আরও বহু কিছু শিখাইয়া দিতেছে। রোহনকে যদি আপনারা ভুলিয়া গিয়া থাকেন, তাহা হইলে পূর্বতন সংখ্যার পৃষ্ঠাগুলি একটু উল্টাইয়া দেখিয়া লইবেন — লাভ বই ক্ষতি হইবে না, তাহা এই অধম লিখিয়া দিতে পারে।
এখন কথা হইল যে এই রোহনের নিকট হইতে আমি কী এমন শিখিলাম যে আমার ধন্ধ বাড়িয়া গেল! তাহা বলিবার জন্যই আজি কলম ধরিয়াছি। রোহনের কাছ হইতে আমি শিখিয়াছিলাম তত্ত্ববাদ — অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক নানাবিধ তত্ত্ব এবং বিভিন্ন দেশে তাহাদের ভিন্ন ভিন্ন প্রয়োগ লইয়া তাহার সহিত আমার দীর্ঘ আলোচনা হইয়াছিল। তাহা হইতে পুঁজিবাদ ও সাম্যবাদ সম্বন্ধে, এবং উভয় তত্ত্বের প্রয়োগ লইয়া, আমি যৎকিঞ্চিৎ জ্ঞান লাভ করিয়াছি।
পুঁজিবাদী একটি দেশে বাস করিতে করিতে সেই ব্যবস্থার ভালো ও মন্দগুলি রোহনের নখাগ্রে চলিয়া আসিয়াছে — ইহা নতুন কিছু নয়। নতুন যাহা, তাহা হইল এই যে একটি তথাকথিত সাম্যবাদী দেশের সহিত পুঁজিবাদী দেশটির বাণিজ্যিক আদান-প্রদান নাকি বর্তমানে এমন স্তরে চলিয়া গিয়াছে যে কর্মসূত্রে রোহনকে প্রায়শই সেই সাম্যবাদী দেশটিতে যাইতে হয় — অতএব তাহাদের ভালো-মন্দগুলিও রোহনের প্রায় নখাগ্রে চলিয়া আসিয়াছে বলিলে ভুল বলা হইবে না। এই প্রসঙ্গে রোহনের সহিত গত মাসে হওয়া আমার কথোপকথনের সারাংশ করিলে যাহা দাঁড়ায়, তাহা এইরূপ:
আমি — “সাম্যবাদী দেশের সহিত পুঁজিবাদী দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য চলে না বলিয়াই তো জানিতাম, ইহা আবার নতুন কী রকম হইল?”
রোহন — “ওগুলো সব বইয়ের তত্ত্বকথা… আসলে সব চলে। আর সত্যি কথা বলতে গেলে, তেমন সাম্যবাদী দেশ সারা পৃথিবীতে কি এখন সত্যিই কেউ আছে?”
আমি — “তাহা হইলে সাম্যবাদ বলিয়া কি অদ্য আর কিছুই নাই? সবই মিথ্যা?”
রোহন — “মিথ্যা নয়, তবে বর্তমানে অপ্রাসঙ্গিক।”
আমি — “তত্ত্বের আবার অতীত-বর্তমান কী করিয়া হইল? তত্ত্ব তো চিরকালীন সত্য!”
রোহন — “হ্যাঁ এবং না। …একটু বুঝিয়ে বলি। বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব আর সামাজিক-রাজনৈতিক তত্ত্বের মধ্যে একটা বড় তফাত হলো এই যে, বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব চিরকালীন, কিন্তু সামাজিক তথা রাজনৈতিক তত্ত্ব নয়। কেন? কারণ বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব তৈরী হয়েছে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার ওপর ভিত্তি করে, আর বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে সেইসব পদার্থ নিয়ে যাদের প্রাণ নেই, সুতরাং পরিবর্তনও নেই। তারা জড়পদার্থ — তাই তারা অপরিবর্তিত, অতএব তাদের নিয়ে তৈরী তত্ত্বও অপরিবর্তিত। যেমন নিউটনের সূত্র কোনোদিন পরিবর্তিত হবে না — সেই তত্ত্ব চিরকালীন। কিন্তু উল্টোদিকে ধরুন সমাজ — সদাসর্বদা পরিবর্তনশীল, কারণ সমাজ জড়পদার্থ দিয়ে তৈরী নয়। সমাজ তৈরী হয় মানুষ নিয়ে, আর মানুষ পরিবর্তনশীল। তাই সামাজিক বা রাজনৈতিক তত্ত্বও পরিবর্তনশীল — তারা চিরকালীন নয়, হতে পারে না। আর পরিবর্তনের নিয়ম মেনেই আজ যে সামাজিক-রাজনৈতিক তত্ত্ব প্রাসঙ্গিক, কাল তা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যেতে পারে — তাই নয় কি?”
আমি — “তাহা যদি সত্য বলিয়া মানিয়াও লই, তথাপি সাম্যবাদকে অপ্রাসঙ্গিক ভাবিতে পারিতেছি না; কারণ আমাদের যৌবনকালেই এই রাজ্যে তাহার রমরমা দেখিয়াছিলাম… তাহা তো প্রাগৈতিহাসিক যুগের বিষয় নহে!”
রোহন — “আপনাদের যৌবনে যা দেখেছিলেন, তা ছিল একটি রাজনৈতিক দলের দীর্ঘকালীন শাসন — যদিও সেই দলের নেতাদের মতানুযায়ী সেটি ছিল সাম্যবাদের শাসন। আসলে সেটি ছিল সাম্যবাদের আদলে গড়া একটি রাজনৈতিক মতাদর্শের ব্যবহারিক প্রয়োগ মাত্র — তাও দেশের সর্বাংশে নয়, একটি ক্ষুদ্র ভগ্নাংশে। অনেক তাত্ত্বিক সেটাকে সাম্যবাদ বলে মানতেও রাজী ছিলেন না; কারণ সাম্যবাদ প্রয়োগের প্রধান নিয়মই হলো এই যে, সেটা সর্বাংশে প্রয়োগ করতে হবে, কোনো ভগ্নাংশে নয়।”
আমি — “তবে কি তাহা ভুল ছিল?”
রোহন — “এটা ভুল-ঠিকের ব্যাপার নয়, মতামতের ব্যাপার। ধরুন, সেটা হয়তো প্রাথমিকভাবে ঠিকই ছিল — তাই বেশ কিছুদিন টিকেও ছিল। এরপর সেই রাজনৈতিক দল ও তার মতাদর্শ অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যেতে শুরু করল — পৃথিবীর পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলাতে পারল না। কিছুদিন চলল বিরোধ-প্রতিরোধ, তারপর মানুষ দলটিকে বর্জন করে মঞ্চ থেকে সরিয়ে দিল।”
আমি — “তাহা তো গণতন্ত্রে হইতেই পারে! কিন্তু তাহাদের মতাদর্শ — সব শ্রেণীর মানুষকে সমান সুযোগ-সুবিধা দেওয়া — সেটি কি একটি বৃহৎ ও সুন্দর মতাদর্শ নয়?”
রোহন — “আপনার কথার ভেতরেই এই রহস্যের সারটি লুকিয়ে আছে! …মতাদর্শ বইয়ের পাতাতে যত সুন্দরই হোক না কেন, তার ব্যবহারিক প্রয়োগ যদি সঠিক না হয় এবং সর্বাঙ্গীণ উন্নতির পরিপন্থী হয়, তাহলে গণতন্ত্র তাকে বর্জন করতে দ্বিধা করবে না। হয়তো সেই কারণেই পৃথিবীর আর কোনো দেশে সাম্যবাদের এইরকম আংশিক প্রয়োগ দেখা যায়নি — পৃথিবীর আর যে দুটি বৃহৎ শক্তি গত শতকে সাম্যবাদের সর্বাঙ্গীণ প্রয়োগ ঘটিয়েছিল, তারা পুরো দেশে নিজেদের অধিকার কায়েম করেছিল এবং গণতন্ত্রের কোনো জায়গা রাখেনি। অর্থাৎ মানুষের ভালো লাগুক বা খারাপ লাগুক — শাসকদলকে বর্জন করার কোনো উপায় রাখা হয়নি, বহুদলীয় রাজনৈতিক কাঠামোই রাখা হয়নি।”
আমি — “অর্থাৎ তুমি বলিতেছ যে গণতন্ত্র আর সাম্যবাদ একত্র চলিতে পারে না?”
রোহন — “আমি তো দেখিনি… বাদে আপনাদের যৌবনকালের রমরমা… যদি তাকে প্রকৃত সাম্যবাদ বলা যায়! অনেকেই বলে না যদিও।”
আমি — “যদি সর্বশ্রেণীর মানুষের উন্নতি হয়, তাহা হইলে গণতন্ত্র না-হয় বাদই গেল! পৃথিবীর দুটি বৃহৎ দেশ কি গণতন্ত্রকে বাদ দিয়া কিছু খারাপ আছে?”
রোহন — “এটাও ব্যক্তিগত মতামতের বিষয় — তবে আমি বলব ‘আছে’। ব্যক্তিস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা — এইসব বাদ দিয়ে আমি তো একদিনও চলতে পারব না! …দেখুন না, পৃথিবীর প্রায় সব দেশই তো এই শতকে এসে সাম্যবাদকে বর্জন করল! রইল বাকী দুই — যারা আজকে সাম্যবাদের তলায় তলায় আসলে পুঁজিবাদকেই প্রাধান্য দিচ্ছে দেশের সর্বাঙ্গীণ উন্নতির জন্য। এত বছর সাম্যবাদ করে, মানুষের মুখ বন্ধ করে রেখে, তারা শুধু সামরিকভাবে নিজেদের শক্তিশালী করেছে — কিন্তু মানুষের অসন্তোষ কমাতে পারেনি; কারণ মানুষের জীবনযাত্রার বিশেষ উন্নতি ঘটেনি। বাজার খুলে না দিলে, প্রতিযোগিতার মাঝে ফেলে নিজেকে পারদর্শী না করলে দেশের দীর্ঘকালীন উন্নতি ঘটতে পারে না। তাই পুঁজিবাদের রাস্তা ধরতে তারা বাধ্য হয়েছে। যদিও পুঁজিবাদের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে, কিন্তু দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নতি সাধনের জন্য এটি একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ পন্থা। ঐ দুটি দেশের শাসনকর্তারাও সেটা বুঝেছেন, আর বুঝেছেন বলেই পুঁজিপতিদের হাতে দেশের অর্থনীতি ছেড়ে দিয়ে শুধু রাজনৈতিক পরিচালনার ভারটুকু রেখেছেন নিজেদের হাতে। আজকে সাম্যবাদের একটি জিনিসই শুধু সেই দেশদুটি ধরে রেখেছে — একনায়কতন্ত্র! শাসকদলের বিরুদ্ধে আজও কেউ মুখ খুলতে পারে না ঐসব দেশে। …আমাদের দেশে যে মুষ্টিমেয় কয়েকজন আজও সাম্যবাদের নামে পুঁজিবাদের বিপক্ষে দেশের শাসকদলকে আক্রমণ করে চলেছেন — তাঁরা কি এটা কখনও ভেবে দেখেছেন? সাম্যবাদ চাই, না উন্নতি চাই? সাম্যবাদ চাই, না গণতন্ত্র চাই? …আমরা আসলে আবেগপ্রবণ হয়ে অনেক কথা বলি, কারণ এদেশে আমাদের বলার স্বাধীনতা আছে — কিন্তু ভেবে দেখি না যে, যা বলছি তা ঠিক বলছি কিনা, তার যুক্তি আছে কিনা। আর এটাও ভাবি না যে, যেসব দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক তত্ত্ববাদের এত গুণগান গাইছি, সেই দেশে গিয়ে যদি আমাদের থাকতে হতো, তাহলে কি আমরা মুখ খুলে সেইসব দেশের শাসকদের সমালোচনা করার স্বাধীনতা পেতাম?”
আমি — “সেইসব না-হয় বুঝিলাম। তুমি একটি কথা শুধু আমাকে বলিয়া দাও — গত শতকে যাহাকে মানুষজন মাথায় করিয়া বরণ করিয়াছিল, আজ সেই সাম্যবাদকে সকলে মিলিয়া বর্জন করিতেছে কেন?”
রোহন — “সেইখানেই তো প্রাসঙ্গিকতার প্রশ্ন আসছে! দেখুন, গত শতকের রাজতন্ত্র এবং সামন্ততন্ত্রের পরিপ্রেক্ষিতে অসহায় গরীব মানুষের পেটে ভাত এবং মাথায় ছাদ যোগাতে সাম্যবাদের একনায়কতন্ত্র খুবই কার্যকরী হয়েছিল — বিশেষ করে জনবহুল দেশগুলোতে, যাদের জনসংখ্যাবৃদ্ধির চাপের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছিল অর্থনৈতিক বৈষম্য। কিন্তু একটা সময়ের পরে তারা আর উন্নতি করে উঠতে পারছিল না, বিদেশের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারছিল না — ফলে মানুষের অসন্তোষ বাড়ছিল। অন্যদিকে আমাদের মতো মধ্যপন্থাধারী গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে নতুন কিছু রাজনৈতিক দলের শাসন কায়েম হলো, যারা ‘সমাজতান্ত্রিক কাঠামো’কে পুরোপুরি বর্জন করল। কিন্তু তথাকথিত ‘সাম্যবাদী’ না হয়েও তারা গরীব মানুষের জন্য পেটের ভাত এবং বাড়ির ছাদ জোগান দিতে লাগল — তাদের শিক্ষিত ও স্বনির্ভর করে তুলতে লাগল। সঙ্গে সঙ্গে তারা দেশের সর্বশ্রেণীর জন্য পুঁজিনির্ভর অর্থনীতির দরজা খুলে দিল — ঘটালো সামগ্রিক উন্নতি, বাণিজ্যিক সম্প্রসারণ। যা আমাদের বাবা বা ঠাকুর্দার কাছে ছিল দূরের স্বপ্ন, সেইসব জিনিস আমাদের হাতের মুঠোয় চলে এল — সমাজের সব স্তরেই এটা পরিলক্ষিত হলো। আপেক্ষিকতা বা উপার্জনের বৈষম্য থাকলেও একদম প্রান্তিক মানুষকেও ধরে ফেলল এই উন্নতি। তাহলে সাম্যবাদের আর কী প্রয়োজন রইল, বলুন! সেটা তো অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গেল সমাজের চলমান গতিশীলতায় — তাই না?”
আমি — “তবে আমাদের রাজ্যে?…”
রোহন — “আমাদের রাজ্য তো কোনো একক সার্বভৌম অঞ্চল নয় — এটি আমাদের বৃহৎ দেশেরই একটি অংশ। দেশের কেন্দ্রবিন্দুতে এবং অন্যান্য বহু অংশে যে উন্নতির ছোঁয়া আগেই লেগে গেছে, তা এবারে আমাদেরও গায়ে এসে লাগবে।”
আমি ভাবিতে লাগিলাম, ভাবিতে ভাবিতে দিন গেল মাস গেল — কিন্তু রোহনের কথাগুলি আমি ফেলিতে পারিলাম না। তাহার কথায় যুক্তি আছে, সত্য আছে। …তাহা হইলে আমাদের রাজ্যের বিজ্ঞজনেরা এত মাথা নাড়িতেছেন কেন? তাঁহারা কেন পর্যবেক্ষণের সহনশীলতা না দেখাইয়া, সমালোচনার ধার বাড়াইতেছেন? গণতন্ত্র ও সাম্যবাদী শাসনের সহাবস্থান — যাহা স্বয়ং লেনিনসাহেব বা মাও-সে-তুং জী যোগাইতে পারেন নাই, সেই ‘সোনার পাথরবাটি’ তাঁহারা চাহিতেছেন কেন? …
তাহা হইলে কি ইহাই বুঝিতে হইবে যে, কতিপয় বিজ্ঞজন আজি সেইস্থানে আসিয়া পৌঁছিয়াছেন যথায় তাঁহাদের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক জ্ঞানের সম্যক অভাব ঘটিয়াছে, মানসিক প্রসারতারও? এবং সেই ঘাটতি তাঁহারা পূর্ণ করিতেছেন অর্থহীন প্রলাপে এবং সমালোচনায়? ইহা তাঁহাদের নিজেদেরই অস্তিত্বের লড়াই, দেশের বা জনগণের উন্নতির নহে?! আপনাদের কাহারো ইহার উত্তর জানা আছে? আমার তো নাই! তাই সেই অবধি আমি ভাবিতেছি আর ভাবিতেছি — ধন্ধ আর আমার কাটিতেছে না।”
এই বলিয়া অবলাকান্ত কলম রাখিয়া, খাতা বন্ধ করিয়া, উন্মুক্ত হাওয়ায় হাঁটিতে বাহির হইয়া গেলেন।
শকুন্তলা চৌধুরী

জন্ম কলকাতায়; বি. ই. কলেজ ক্যাম্পাসে বেড়ে ওঠা। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়েরকলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী, তথ্যবিজ্ঞানে পিএইচডি এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের বাসিন্দা। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পত্রিকায় সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি তাঁর কবিতা সুরারোপিত হয়েছে শ্রীকান্ত আচার্য, নচিকেতা ও রূপঙ্করের মতো জনপ্রিয় শিল্পীদের কণ্ঠে। ভারত, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের একাধিক জনপ্রিয় পত্রিকায় (যেমন: সানন্দা, পরবাস, সেতু, ইরাবতী ইত্যাদি) তাঁর সাহিত্যকর্ম প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর কবিতাকে গানের ভিডিও হিসেবে পরিবেশন করেছেন শ্রীকান্ত আচার্য, নচিকেতা চক্রবর্তী, রূপঙ্কর বাগচী এবং ‘কায়া’ ব্যান্ড।
প্রকাশিত বইসমূহ: যাদব-কন্যা (২০২২), অহল্যার চিঠি (২০২৩) এবং লক্ষ্মণরেখা (২০২৬):
