আসমা চৌধুরীর দু’টি কবিতা

আবার যদি যাদের নিয়ে সাঁতার কাটো রোজ তাদের মুখের আদল বদলে যায় দুনিয়াসুদ্ধ সবাই জানে আপন ভিতর থেকে সুবাস কোথায় যায়? আদরগুলো মুঠোয় কাঁদে একা কার জন্য ঘুমের ঘোরেও ভাবো? মিথ্যে দিয়ে যে জামাটি পরো শরীর তাকে কতটুকুই চায়? এই আলোতে আর কি হবে গান? …

কবি ফেরদৌস নাহারের ‘প্রেম- অপ্রেম যাবতীয় স্যাক্সোফোন’, বিরল যাত্রা এবং ভেজা মেঘের স্পর্শ

আসমা চৌধুরী ফেরদৌস নাহার কবিতার সজীব বৃক্ষ। যার ছায়া আছে, মায়া আছে, পাতায় পাতায় খেলে রোদ জ্যোৎস্নার রং। কবিতায় বসবাস, কবিতায় ভ্রমণ, কবিতায় সুন্দর সর্বনাশ। ‘প্রেম-অপ্রেম যাবতীয় স্যাক্সোফোন’ কবি ফেরদৌস নাহারের গভীর অনুসন্ধানী মনোবিশ্লেষণের ফসল। রাগী এক ক্ষত উন্মোচন করে কবি দেখিয়েছেন জীবনের বৈচিত্র্য, দেখিয়েছেন …

আসমা চৌধুরীর একগুচ্ছ কবিতা

ঈশ্বর ঈশ্বর আমাকে ভুলুন, রাত্রি নেমেছে ঔ বনে বাঘ এসেছে, ডাক শুনছি তার ঈশ্বর আমাকে ভুলে যান যদি পথ হারাই, যদি অন্ধ হয় চোখ, যদি খেতে না পেয়ে কাঁদি সারাদিন তবু জানবো কেউ নেই, যদি অপেক্ষায় থাকি আপনার ডাক শোনার পরেও আপনি চুপ করে রইলেন। …

আসমা চৌধুরীর মুক্তগদ্য: জীবনানন্দের মাল্যবানের না বলা কথা

জীবনানন্দের মাল্যবানের না বলা কথা (প্রথম পর্ব) আসমা চৌধুরী মাল্যবান জীবনানন্দের একটি নীরিক্ষার ফসল। প্রথাবদ্ধ উপন্যাস নিয়ে অসন্তোষের কারণেই প্রচলিত রীতি-নীতি না মেনে মাত্র প্রধান তিনটি চরিত্রের ফলাফল যোগ করেছেন তিনি। মাল্যবান ও উৎপলার সম্পর্কে ভালোবাসাহীনতা, আকর্ষণ, আক্রোশ, বন্দিত্ব ও অসহায়তা এই উপন্যাসের ভ‚মি। প্রধান …

আসমা চৌধুরীর তিনটি কবিতা

বামপাশ এখনো বামদিকে কাত হয়ে শুই বামদিকে ঘণ্টা ধরে ধুকপুক শব্দের কৌটায় রাখি তোমার নাম। পাশ-ফিরে আলস্য ভেঙে উঠে যেতে চাই, কে যেন মৃদু স্বরে বলে, ঘুম শেষ হলো? বাম পাশে হাত রাখি, খালি হয়ে যায় ৩৬৫ দিন।   সুবিচার কোনদিন সুবিচার পাবো এই ভেবে …

আসমা চৌধুরীর গল্প: বৈকালি স্টুডিও

আসমা চৌধুরী উপজেলা শহর তখনো হয়নি। চিঠি লেখার খামে ঠিকানায় লিখতে হতো থানা,মেহেন্দিগঞ্জ।এখানে একটাই ফটো তোলার স্টুডিও ছিলো। বিত্তবান লোকেরা স্টুডিওর মালিক রমাপদ বাবুকে খবর দিয়ে বাড়ি নিয়ে গিয়ে পারিবারিক ছবি তুলতো।সেসব ছবি তোলার দারুণ এক মজার ব্যাপার ছিলো। একজনকে ছাতা ধরতে হতো রমাপদ বাবুর …

Back to Top