লুৎফুল হোসেনের কবিতা

অহল্যা গর্ভকে অপেক্ষার মাদুলি গলায় ঝুলিয়ে চন্দ্রালোক স্নানে জোছনা মাখা গায়ে রূপালি ঢেউ তুলে ডাকলে-চন্দ্রমুখী সূর্যস্নানে সিক্ত ঘামে কুসুমের স্মৃতি বুনতে ত্বক ঝলসে রঙিন হলো-সূর্যমুখী তারার রাজ্য উপেক্ষায় ফেলে চুম্বনের …

লুৎফুল হোসেনর দুটি মুক্তগদ্য

এক জীবনের দুঃখ ভরা এক হোয়াং হো বিকেলের অপেক্ষায় সময় তখন দুপুর থেকে হামাগুড়ি দিয়ে এগোয়। চতুর্মাত্রিক এক বৃত্তের আকর্ষণে তড়িঘড়ি হোমওয়ার্ক সেরে দুটা এঙ্কলেট হাফপ্যান্টের পকেটে গুঁজে বসে থাকি। …

লুৎফুল হোসেনের তিনটি কবিতা

মন-তৈজসে তখন পাপড়িগুলো খুলতে খুলতে শূন্য গোলাপ একের পর এক নরম তুলোর মেঘের শরীর তুলে এনে বিছিয়ে দিই জেট ব্ল্যাক মার্বেল ডিসেকশন টেবিলে ধারালো ছুরির নিচে ভ্যানিলা ক্রিম কেকের মতন …

বেদনার পায়ে চুমু খেয়ে বলে গেলে, এইতো জীবন

[রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ (১৬ অক্টোবর ১৯৫৬-২১ জুন ১৯৯১) বাংলা কবিতার অন্যতম উজ্জ্বল কবি। মাত্র পঁয়ত্রিশ বছর বয়সে লোকান্তরিত হন। কবিতার পাশাপাশি সংগীত, নাটক ও গদ্যচর্চাও করে গেছেন অবিরাম। তিনি ছিলেন …

লুৎফুল হোসেনের মুক্তগদ্য: নির্বোধের কড়চা

ছ’তলার বারান্দায় দাঁড়ালে এই পাশটাই খোলা পাই। সাথে লাগোয়া গলিটার অন্য পাড়ে একটা চারতলা বাড়ি। সম্ভবত বছর পঁচিশেক আগে তৈরি করা। হয়ত তিরিশ বছরও হতে পারে। সামনের গেটের সাথেই একটা …

লুৎফুল হোসেনের কবিতাত্রয়ী

এক বিকেলে চায়ের কাপে চায়ের কাপে ধোঁয়ার মাপে চুমুক চুমুক সখ্যতা যেনো বিজ্ঞাপনে সুর মেপে আজ একশো বেলুন মুখরতা স্মৃতির সাঁকো নাড়তে থাকো নাব্য গভীর মগ্নতা দুঃখগুলো হাওয়াই ফানুস হুল …