মারাসিম

রমিত দে

\\১১//

ওই গাছটা পর্যন্ত আমার বেড়ে ওঠা,
তারপর, আমি একটা ঘটনা
একটা মুখচোরা নির্যাস।
এই সন্ধ্যায় ওরা কারা?
স্নানে বেজে যাওয়া মেলানকলি!
আজ সব সত্যি বলো.... দেখো, ঠিক ঠিক
জানলা নিভিয়ে আমি বেজ়ে যাব
অরন্যের আবদারে।
                                //১২\\
              আমার মৃতদেহ ফিরিয়ে আনছে ওরা।
              সব হলুদ সব নষ্ট জন্মের দিকে মুখ ফিরিয়ে
              অনেকক্ষন ধরে খুঁজছে, তওফিক থেকে
              ঝরে যাওয়া পাখিটাকে।
              আমি চাই রোদ মাখিয়ে নিজেকে হত্যা করতে
              সূর্যাস্তের পর, তবু কেন বেঁচে ওঠে বাঁচা!
                               বেঁচে ওঠে বিস্মৃতি!
              এপিটাফের গালে একা একা বেড়ে ওঠে
              পোড়া ধূপের চুমু!

\\১৩//
আমায় তবে জিগ্যেস কোরো জলের ভিতরে জেগে ওঠা
সমস্ত উড়ন, সমস্ত বাতাসের সখ্যতা
জিজ্ঞেস কোরো, স্বরচিত সিঁড়ির পাশে তোমার
কিছু হয়ে ওঠার প্রতিশ্রুতি;
আসলে সবই শিকড়- এক একটা স্নায়ুর ভেতর
দু দুটো করে হাত উল্কিতে এঁকে দেয়
অশীতিপর বন্ধুতা
                                 //১৫\\
                আর সে মূর্হুতেই
                রক্তের ভেতর প্রার্থনা করে বসে সমস্ত মেরুন
                তাকে বলি, দরজাটা খোলা রেখে
                বাদামবনে গেছে মৃত ফড়িঙেরা।
                আমার চেয়েও পুরোনো আওয়াজগুলো
                রুমাল নেড়ে যায় স্নায়ুর বীজে
                আর কারা কারা ছিল মনে নেই
                আজও
                শুধু গাছকে প্রশ্ন করি,
                কবে থেকে পচে আছি এমন নিঝুমে?
Facebook Comments

3 Comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।