পাভেল চৌধুরীর গল্প: সুচিত্রা সেন

হুকো স্যারকে (হুমায়ূন কবির, অধ্যাপক বাংলা বিভাগ) আমরা পছন্দ করতাম না। আবার তাকে উপেক্ষা করাও সম্ভব ছিল না। লম্বা দশাসই স্বাস্থ্যবান মানুষ, গায়ের রঙ কালো, মাথাভর্তি কালোচুল, শিক্ষক না হয়ে যদি গৃহস্থ কৃষক হতেন মানাতো ভাল। ক্লাসে আসতেন একেবারে নিয়মমাফিক। অসুখ-বিসুখ কাজে-অকাজে কোনোদিন ছুটি নিয়েছেন, ক্লাস হয়নি কিংবা ক্লাসে কিছু পরে এসেছেন অথবা কিছু আগে ক্লাস ছেড়ে গেছেন এরকম কোনো ঘটনা তাঁর ক্ষেত্রে ঘটেছে বলে কেউ বলতে পারে না। ক্লাসের সামনের সারির ছেলেরা তাঁর কথা মন দিয়ে শুনত, পেছনের ছেলেরা মুখ ভার করে বসে থাকত। গোলোযোগ করার সাহস ছিল না কারোরই। আমরা শুনেছিলাম ক্লাসে প্রয়োজনীয় উপস্থিতি না থাকলে তিনি পরীক্ষার ফর্ম ফিলাপ করতে দেবেন না। এ কথা সব স্যারই বলত কিন্তু হুকোর কথা আলাদা। তাকে অমান্য করার সাহস কারো হয়নি। কাজেই নিতান্ত অনিচ্ছায় হলেও ক্লাসের ৪৫ মিনিট, পেছনে চুপচাপ বসে থাকা ছাড়া উপায় ছিল না।

এহেন হুকো স্যার, তখন তিনি রিটায়ার করেছেন, একদিন রাস্তায় দেখা হলে বললেন, এই শোনো, আমাকে একটা সুচিত্রা সেনের ছবি দিতে পারো?

হঠাৎ তার এই কথায় কেমন হকচকিয়ে গেলাম।

তিনি অবাক হলেন, কেন সুচিত্রা সেনের নাম শোনোনি?

প্রশ্নটা তো আরো কঠিন কিন্তু তৎক্ষণাৎই মনে পড়ল, ও হ্যা স্যার, একট্রেস তো!

আরে! কিসের এ্যাকট্রেস? বিরক্তি নিয়ে তিনি বললেন, নায়িকা, মহানায়িকা।

এ ব্যাপারে আমার জ্ঞানের বহরটা তিনি যথার্থই অনুমান করলেন। কাজেই সময় নষ্ট না করে যেমন হাঁটছিলেন তেমনি হনহন করে হেঁটে চলে গেলেন।

বন্ধুমহলে বিষয়টা মুখরোচক প্রসঙ্গ হয়ে উঠল। প্রায় প্রতিদিন বিকেল-সন্ধ্যায় চায়ের দোকানের আড্ডায় হুকো প্রসঙ্গ। বলিস কি?  হুকো সুচিত্রা সেন? কপালে ভাঁজ ফেলে কেউ কেউ মেলাতে চেষ্টা করল সূত্রটা, তারপর হতাশ হয়ে বলল, না, মেলে না।

তুই ঠিক বলছিস তো?

ঠিক বেঠিক কী?  মেজাজটা একটু চড়ে গেল। আমাকে জিজ্ঞেস করল আর আমি ঠিক বলব না!

এভাবেই গেল ক’দিন। তারপর অনেক প্রসঙ্গের মধ্যে এ প্রসঙ্গটাও একরকম মিলিয়েই গিয়েছিল বলা যায় কিন্তু হঠাৎ একদিন বিরল আবিষ্কারের মতো একজন এই প্রসঙ্গে একটা তথ্য ছুড়ে দিল আড্ডায়…।

হুকোর তো বৌ মারা গেছে বছরখানেক আগে, জানিস তোরা?

নাহ্‌, কেউ জানে না। সকলেই এ ওর দিকে তাকাল।

আসলে হুকোর খোঁজখবর রাখে কে? রিটায়ার করেছে এ পর্যন্ত। তারপর কবে বৌ মরল, কী হলো, এসব ব্যাপারে আগ্রহ কোনোদিনই কারো ছিল না।

তারপরও এই তথ্যে আমরা সকলে একটু নিশ্চুপ হয়ে গেলাম, কেননা এর মধ্যে কিছুটা বেদনার ছোঁয়া ছিল।

 

আমাদের মধ্যে নঈম একটু ফটকা ধরনের। হঠাৎ সে হাততালি দিয়ে খুব আয়েশ করে উচ্চারণ করলো, শালা।

তারপরই চায়ের অর্ডার দিল, মিলে গেছে।

আমরা উৎসুক হয়ে তার দিকে তাকালাম, সহজ হিসেব, হুকোর মনে রঙ লেগেছে।

দূর, আমি প্রতিবাদ করলাম। কেননা প্রসঙ্গের সূত্রপাত তো আমাকে দিয়েই। আমাদের স্যার, বুঝিসনে!

স্যার তো কী! মানুষ না? নঈম বেশ জোর দিয়েই বলে উঠল। তারপর প্রসঙ্গ ঘুরে গেল অন্যদিকে। হুকো স্যার কবে কী করেছেন, কোন মেয়েকে দাঁড় করিয়ে বারবার পড়া ধরতেন ইত্যাদি হাজারো প্রসঙ্গ।

দেখা গেল হুকো স্যারকে আমরা শুধু ভয়ই পেতাম না, তার প্রতিটি আচরণকে যে যার মতো খুব সূক্ষ্মভাবে খেয়ালও করতাম এবং রিক্তা নামে সুদর্শন তুখোড় যে মেয়েটাকে হুকো স্যার একদিন ক্লাসে একেবারে অহেতুক দাঁড় করিয়ে যাচ্ছেতা‌ই অপমান করে কাঁদিয়েছিলেন, সেটাকে আমরা কেউই মানতে পারিনি। যদিও বিষয়টা এর আগে কোনোদিন আমাদের আলোচনায় আসেনি।

সুতরাং হুকো স্যার সুচিত্রা সেন আর স্যারের স্ত্রীর মৃত্যু, এর মধ্যে একটা সরলরেখা টানার চেষ্টায় কদিন আড্ডা বেশ জমে উঠল। কিন্তু সবকিছুই তো একটা পরিণতির দিকে যায়,  এই আড্ডাও তাই ক্রমান্বয়ে একঘেয়ে হয়ে ওঠার আগেই রাজু প্রস্তাব করে বসল, চল না, একদিন স্যারের বাসায় যাওয়া যাক! খেয়ে তো আর ফেলবে না!

কেন খাবে কেন, চেতে উঠল নঈম। এতদিন তো বাসায় যাওয়াই উচিৎ ছিল। আমাদের স্যার যখন, বেচারার বৌ মরেছে, এখন সুচিত্রা সেনকে খুঁজে বেড়াচ্ছে, এই সময় আমরা যদি পাশে না দাঁড়াই কে দাঁড়াবে?

হুকো  স্যারের ব্যাপারে নঈমের মনোভাব যে একটু বিরূপ সেটা আমরা জানতাম। ঘটনাটা বেশ আগের, তখন সবাই ইন্টারমিডিয়েটে পড়ি। কলেজ থেকে একটা সাময়িকী বের হলো, হুকো স্যার সম্পাদক। সেই সাময়িকীতে আমাদের অবাক করে দিয়ে নঈমের একটা কবিতা ছাপা হলো। নঈম যে নিভৃতে কাব্যচর্চা করত আমাদের জানা ছিল না। ‘তোমাকেই ভালবাসবো বলে এতকাল নিবৃত্ত ছিলাম’ কবিতার প্রথম লা‌ইন। রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে গেল নঈম। কোনো পছন্দের মেয়ের উদ্দেশ্যে চিৎকার করে এই লাইন বলে ছেলেরা তাদের মনের আশ মেটাতে লাগল। এদিকে নঈম হয়ে উঠল একটু উদাসীন ধরনের। মাথার চুল এলোমেলো। কখনও ওকে দেখা গেল দলছাড়া, একাকী, কখনও পরনে পায়জামা-পাঞ্জাবি, সবমিলিয়ে কবি বলতে যা বোঝায়। শোনা যায়, একদিন সে বেশ ক’টা কবিতা নিয়ে হুকো স্যারকে দেখতে দিয়েছিল, চড়া প্রেমের কবিতাও তার মধ্যে কয়েকটা ছিল। স্যার দেখেছিলেন কিনা কে জানে তবে কবিতাগুলো ফেরত দেওয়ার সময় একটু বিরক্তি নিয়েই নাকি বলেছিলেন, ওসব এখন বাদ দাও, পড়াশোনা করো, কবিতা লেখা সহজ কাজ না।

কিছুদিন পরই নঈমের মধ্যে আবার পরিবর্তন দেখা গেল। প্যান্ট-শার্ট, পরিপাটি চুল, হল্লাবাজ, ওর যেমন স্বভাব। যে কারণে কবিতা নিয়ে হুকো স্যারের ঘটনাটা আমরা গোপনে বিশ্বাস করতাম।

 

সেই স্মৃতি যে নঈম ভুলতে পারেনি ওর এখনকার আচরণে সেটা প্রকাশ পেতে লাগল। তারপরও হুকো স্যারের বাড়ি যাওয়াই ঠিক হলো। আমি, নঈম আর রাজু। বাকিরা অপেক্ষায় থাকল আমাদের অভিজ্ঞতা শোনার জন্য। হুকো স্যারের বাড়িটা আামাদের চেনা ছিলনা, এলাকাটা চিনতাম। নির্দিষ্ট দিনে আমরা যথারীতি এলাকায় গেলাম, তখন প্রায় বিকেল, সূর্যের তেজটা একটু কম। নঈম আগবাড়িয়ে একটা চায়ের দোকানে যেয়ে বলল, আচ্ছা মি: হুকোর বাড়িটা…।

দোকানদার চা বানাচ্ছিল। নঈমের কথা শেষ না হতেই আড়চোখে এমনভাবে তাকাল যাতে তার অসন্তুষ্টি বুঝতে সমস্যা হলো না।

আমি পরিস্থিতিটা বুঝতে পেরে তাড়াতাড়ি বললাম, হুমায়ূন কবির স্যারের বাড়ি, চেনেন?

চোখ দিয়ে রাস্তার অপরপাশে একটা বাড়ি দেখিয়ে দোকানদার আবার চা বানানোয় মন দিল।

নিতান্ত সাদামাটা একতলা বাড়ি। সামনে ঘাসেঢাকা এক টুকরো জায়গা বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘেরা, তাতে কামিনী, হাসনাহেনা এ জাতীয় কয়েকটা গাছ। দরজায় কড়া নাড়তে একটা অল্পবয়সী ছেলে দরজা খুলল, স্যার আছেন? সে দৌড়ে ভিতরে চলে গেল। তারপর যা দেখলাম তার জন্য আমরা মোটেই প্রস্তুত ছিলাম না। একগাল হাসি ছড়িয়ে স্যার এলেন, মাথা ভর্তি সাদা চুল। স্যারের মুখে হাসি আর মাথাভর্তি কালোর পরিবর্তে সাদা চুল, যা ছিল আমাদের কল্পনারও বাইরে।

আরে তোমরা! আমাদের দেখে কয়েক মুহূর্তের জন্য স্যার যেন হতভম্ব হয়ে গেলেন তারপর সাদর অভ্যর্থনা জানালেন, এসো এসো।

সাবেকি আমলের একটা সোফা ঘরের মধ্যে, কয়েকটা কাঠের চেয়ার আর একপাশে একটা টেবিল, টেবিলের উপর স্তূপীকৃত বই, কাগজ। সবমিলিয়ে কিছুটা অগোছাল ভাব।

আমরা তিনজন সোফায় বসলাম। সামনেই আরেকটা সোফায় বসলেন স্যার, তারপর ফরহাদ? স্যারই কথা শুরু করলেন। কিন্তু স্যারের মুখে আমার নামটা যেন তপ্ত সীসার মতো কান দিয়ে প্রবেশ করল। স্যার যে আমার নাম জানেন আর এতদিনও মনে রেখেছেন সেটা ছিল আমার জন্য একেবারে কল্পনাতীত ব্যাপার। কিন্তু আমাদের জন্য আরও বিস্ময় অপেক্ষা করছিল, আর নঈম? স্যার একটু হাসলেন, তোমার কাব্যচর্চা কতদূর? তোমার নাম যেন কী? নিজে প্রশ্ন করে নিজেই উত্তর দিলেন স্যার, রাজু, তুমি তো নাটক করতে, তোমাদের সাথে আরও দুজন ছিল। তিনি একটু ভাবলেন, হারুন আর রিফাত তা‌ইনা? তা তোমরা সব এখন কী করছ?

আমাদের মাথা নিচু হয়ে গেল, প্রশ্নটার উত্তর দেওয়া কঠিন বলে না। স্যার যে আমাদেরকে চিনতেন আর এতদিন পর্যন্ত আমাদের মনে রেখেছেন এই কথা ভেবে।

সত্যি বলতে কি আমি ব্যবসার চেষ্টা করছিলাম। নঈম একটা কলেজে শিক্ষক হিসেবে ঢুকেছে, যে কলেজে কোনোদিনই ওর বেতন হবে না আর রাজু বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছে। স্যারের প্রশ্নের উত্তরে এইসব গলা উঁচু করে বলা কঠিন আবার নিতান্ত নিশ্চুপ থাকাটাও বেমানান। কিন্তু স্যারই যেন বুঝলেন সমস্যাটা। তিনিই বলা শুরু করলেন, আসলে ক্রমান্বয়ে আমরা যেন একটা গর্তের মধ্যে চলে যাচ্ছি, বুঝলে? খাওয়া পরা এসব হচ্ছে ঠিকই কিন্তু নিঃশ্বাস যে নেব বুক ভরে, প্রাণপ্রাচুর্যে দাপিয়ে বেড়াব, সেটা আর হয়ে উঠছে না। দূষিত বাতাসে ভেতরটা বিষিয়ে উঠছে, আয়ু ক্ষীণ হয়ে আসছে, কেন্নোর মতো কুণ্ডলী পাকিয়ে যাচ্ছি আমরা, এভাবে কিছু হয়! বলো? নিজের হয়? নাকি দেশের হয়? ন্যায়-অন্যায়, নীতি-নৈতিকতা, সম্ভব-অসম্ভব, সব যেন তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে।

 

স্যারের চোখ দুটো বিশাল, প্রায় ছোটখাট দুটো ডিমের মতো, সেই চোখ তুলে অপলক তিনি তাকিয়ে থাকলেন আমাদের দিকে।

ইতোমধ্যে চা এল, সাথে বিস্কুটও। চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে আমরা একটু সহজ হতে চেষ্টা করলাম কিন্তু আয়োজন করে আসামি ধরতে এসে নিজেরা যে দাগী আসামি হয়ে গেলাম এ কথা আর কীভাবে অস্বীকার করি? মনের মধ্যে অসম্ভব অপরাধবোধ আর সঙ্কোচ নিজেদেরকে বিপর্যস্ত করে তুলতে লাগল। অপ্রস্তুত সবাই, এদিকে ওদিকে তাকাচ্ছি, এমন সময় চোখ পড়ল ঘরের কোনায় দেওয়ালে টাঙানো দু’টো ছবির দিকে।

একটা ছবি মাঝবয়সী এক ভদ্রমহিলার, দেখতে খুব সুশ্রী বলা যাবে না। চোখ বড় করে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। আমাদের এই আসাটা তিনি যে মোটেই পছন্দ করতে পারছেন না সেটা তার দৃষ্টি থেকেই বোঝা যাচ্ছে। তার পাশেই সুচিত্রা সেনের ছবি, ঠোঁটের কোনায় খুব মৃদু একটু বিদ্রূপের হাসি ঝুলিয়ে অপাঙ্গে যেন আমাদের দেখছেন।

স্যার খেয়াল করলেন বিষয়টা, আমার স্ত্রী। তিনি বললেন, গত বছর মারা গেল। ক্যানসার হয়েছিল। ভুগল বেশ কবছর। ও সুচিত্রা সেনের এত ভক্ত ছিল, শুধু ও না, আমিও, স্যারের চেহারার রঙ পাল্টে গেল। এখন তাকে নিতান্ত নিরীহ লাজুক স্বভাবের একজন মানুষ বলে মনে করা যায়। সুচিত্রা সেনের ডায়লগগুলো শুধু ওর মুখস্থ ছিল এমন না, হুবহু অভিনয় করেও দেখাতে পারত। ভেতরের তীব্র বেদনাকে আড়াল করার চেষ্টায় স্যারের মুখটা হয়ে উঠল নিস্তব্ধ, করুণ । ভাবলাম, তিনি বললেন, শুধু ওকে রাখলে তো পুরোটা হবে না, তা‌ই সুচিত্রা সেনকেও পাশে টাঙিয়ে দিলাম।

হুট করে সন্ধ্যে নেমে এল। ঘরের মধ্যে দম বন্ধ হওয়ার অবস্থা। কী যে অস্বস্তি, নিজেদের খোঁড়া গর্তে নিজেরাই কি বন্দি হয়ে গেলাম? স্যারের কাছ থেকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিদায় নিয়ে আমরা বাইরে এলাম। বাইরে মুক্ত বাতাস, বুক ভরে নিঃশ্বাস নিয়ে পা চালালাম দ্রুত।

রাস্তার পাশে ল্যাম্পপোস্টের লা‌ইটগুলো ততক্ষণে জ্বলে উঠেছে। হেডলাইটের তীব্র আলো ছড়িয়ে ছুটে যাচ্ছে ছোট বড় নানা ধরনের গাড়ি। কিন্তু আমাদের ঘিরে আদিগন্ত অন্ধকার ছাড়া আর কী আছে! মুখের কথাও যেন হারিয়ে গেছে কিসের ইশারায়। বেশ কিছুদূর চলে আসার পর ক্লান্ত হলে হাঁটার গতি কমলো। আর এই সময় আমার পিঠে সজোরে একটা কিল বসিয়ে নঈম বলল, আসলে হুমায়ূন কবির স্যার কিন্তু একটু অন্য ধরনের মানুষ, যাই বলিস।

আমি ঘাড় নেড়ে সায় দিলাম, কথা বলার দরকার হলো না।

 

পাভেল চৌধুরী

যশোর শহরে জন্ম ১৯৫৭ সালে, বেড়ে ওঠাও যশোরে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে অধ্যাপনার কাজে যুক্ত হন। অতঃপর শহীদ মশিয়ূর রহমান কলেজ, ঝিকরগাছা, যশোর-এর অধ্যক্ষ পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন ২০১৮ সালে। ১৯৮২ সালে সাপ্তাহিক বিচিত্রা পত্রিকায় প্রথম গল্প প্রকাশিত হয়। লেখালিখির সংখ্যা খুবই কম, প্রকাশনার সংখ্যা আরও কম। ২০১৭ সালে প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘চলে যাচ্ছি’ প্রকাশিত হয়। ছোট গল্প ছাড়াও প্রবন্ধ নিবন্ধ লেখায় আগ্রহী।

E-mail: [email protected]

Facebook Comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।