পলি শাহীনা: লাল জামার ঘ্রাণ

ঈদ সমাগত। ঈদ এলে বারবার ঘুরে ঘুরে মনে পড়ে পেছনের দিনগুলো। ছোটবেলায় ঈদের আনন্দ শুরু হতো প্রথম রোজার দিন থেকেই। রমজান মাস শুরু হওয়ার কয়েকদিন পর স্কুল বন্ধ হয়ে যেত। সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠতে হতো না। স্কুলের পড়া থাকতো না। শৃঙ্খলবিহীন সেসব দিনগুলোতে ঈদের আনন্দ লেগে থাকতো পুরো মাসজুড়ে। মনের আকাশজুড়ে রঙধনুর সাত রং খেলে যেত রাতদিন দ্বিগুণ আনন্দে। রমজানের পুরো মাসজুড়েই ঈদের দিনটির জন্য মনের গহীনে আনন্দের চাপা উত্তেজনা বোধ করতো ফুলেশ্বরী। অপেক্ষায় থাকতো আর প্রতিদিন কয়েকবার আঙুলে হিসেব কষে নিতো কখন আসবে সে মাহেন্দ্রক্ষণ, ঈদের দিন।

সময়ের লয়ে লয় মিলিয়ে জীবন বদলে যায়, সঙ্গে বদল হয়ে যায় জীবন যাপনের পদ্ধতিও। ইচ্ছে কিংবা অনিচ্ছায় একজীবনে একবার নয়, কখনো কখনো একাধিকবারও মানুষকে ঘরছাড়া প্রবাসী হতে হয়। বিদেশ জীবনে বদলে যায় মানুষের চেনা ভাবনা- কিছুটা সংস্কৃতিও। জীবনের বড়বেলায় দেশ ছেড়ে এসে দূর প্রবাসে ঈদের দিনটি এখন অন্য দিনগুলোর মতই গতানুগতিক মনে হয় তার কাছে। মনে দাগ কাটে না একদম। অন্য আর দিনগুলোর মত ঈদের দিনটি আসে আবার ফুরিয়ে যায় কোন দিক দিয়ে, টেরও পাওয়া হয় না।

দেশ থেকে হাজার হাজার মাইল দূরের এ শহরে আর কয়েকদিন পরেই ঈদ।  স্কুলের নিয়মিত দু’দিনের সাপ্তাহিক ছুটির সাথে মেমোরিয়াল ডে’র একদিন বাড়তি ছুটি মিলিয়ে সর্বমোট তিনদিনের ছুটি পেয়েছে বাচ্চারা। স্কুল বন্ধের এ অবসরে ঈদের কেনাকাটা সেরে ফেলার ভাবনা থেকে ইফতারের পর বাচ্চাদেরকে কাছে ডেকে ফুলেশ্বরী জানতে চাইলো- ঈদে কে কী জামাকাপড় কিনবে? কোন রঙের কিনবে?

ছেলেদের উত্তর ছিল নীল রঙের সুতি পাঞ্জাবী, সঙ্গে সাদা সুতি পায়জামা। মেয়ে বললো তাকে যেন ঈদের জামা কেনার টাকাটা দিয়ে দেয়া হয়। সে পরে তার পছন্দমতো জামা কিনে নিবে। ঈদের আগে তার নতুন জামা কেনার দরকার নেই। কারণ তার অনেকগুলো নতুন জামার ভাঁজ এখনো খোলাই হয়নি। সেখান থেকে কোন একটা ঈদের দিন পরে নিবে। মিছেমিছি নতুন জামা কিনে অপচয় করতে চায় না। মেয়ের কথায় যথেষ্ট যুক্তি ছিল বলে ঈদের জামা কেনার বিষয়ে তার সাথে আর কথা বাড়ায় না ।

শীতের দেশ আমেরিকা। বছরের বৃহদাংশ দেশটি ঢেকে থাকে বরফের আবরণে। ভয়াবহ শীতের আধিপত্য ঠেকাতে এবং স্কুলের কারণে দেশীয় পোশাক পরিধানের তেমন সুযোগ পায় না এদেশে বেড়ে উঠা সন্তানেরা। শুধু ফুলেশ্বরী’র মেয়েই নয় প্রসঙ্গক্রমে আরো কিছু বাবা-মায়েদের মুখে ও শুনেছে, ঈদে নতুন জামা কেনার বিষয়ে তাঁদের বাচ্চাদের মধ্যেও তেমন কোন আগ্রহ নেই।

এই আগ্রহ না থাকার পেছনে কারণও আছে, পুরো বছর ধরে বাচ্চারা পরিবার এবং আত্মীয়-স্বজন থেকে নতুন জামাকাপড় উপহার পেয়ে থাকে। ফলস্বরূপ, ঈদে নতুন জামা কেনার আগ্রহ বোধ করছে না তারা। বিদেশে বড় হওয়া বাচ্চাগুলো কোনদিন উপলব্ধি করতে পারবে না ঈদের নতুন জামা পাওয়ার যে কি স্বর্গীয় আনন্দ- আপন  মনে কথাগুলো বিড়বিড় করলো সে। ওর ভাবনাগুলো দেয়ালের গা ঘেঁষে শূন্যে মিলিয়ে যায়। মেয়ের ঈদে নতুন জামা কেনার অনাগ্রহ তাকে  নিয়ে যায় বহুদূরের সেই ছোট্ট সোনাঝরা গ্রামে। যে গ্রামে ঈদের আনন্দ লেগে থাকতো পুরো মাসজুড়ে। যে গ্রামের অনাবিল বাতাসের সাথে প্রতিমুহূর্তে ও দোল খেয়ে যেতো ঈদে নতুন জামা পাওয়ার অপার্থিব আনন্দে।

স্মৃতির ক্যানভাসে ভোরের কুয়াশার মত ঝরতে ঝরতে ফুলেশ্বরী চলে যায় ফেলে আসা শৈশবে। ঈদের এক সপ্তাহ আগে থেকে ঈদের জামা গায়ে জড়িয়ে, কল্পনায় রোজ আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখতো পরম মুগ্ধতায়। লম্বা চুলে গুঁজে দিতো লাল গোলাপ কিংবা জবাফুল। সুগন্ধির জন্য হাতে জড়িয়ে নিতো ওর প্রিয় বেলিফুল কিংবা হাসনাহেনা। নিজেকে মনে হতো তখন রাজকন্যা। সবকিছুতেই সে উজ্জ্বল রঙ খুঁজতো। গুনগুন করে গলা ছেড়ে গাইতো, ‘আমরা সবাই রাজা আমাদের-ই রাজার রাজত্বে’…

আম্মা বা বড় আপা শুনে ফেললে লজ্জা পেয়ে দৌড়ে লুকিয়ে যেতো বাড়ির পেছনের আম বাগানে। সেখানেও সবুজ গাছগাছালি আর ফুল-পাখিদের সাথেও চলতো ওর ঈদের জামার অবিরত গল্প বলে চলা। আম্মার কাছে পুরো রোজার মাসজুড়ে ওর একমাত্র বায়না থাকতো- ঈদে লাল জামা কিনে দিতেই হবে। সঙ্গে মিলিয়ে লাল ফিতা, লাল জুতা, লাল চুড়ি, লাল টিপ, লাল নেইলপালিশ, লাল লিপস্টিক। প্রিয় রং ছিল লাল। শেষ পর্যন্ত ঈদের লাল রঙের জামা প্রাপ্তিতে এসে ফুলেশ্বরীর গল্পরা স্থির হতো।

ছোটবেলায় একমাত্র নতুন জামা পেতো ঈদের সময়। বছরের অন্য সময় খুব বেশী দরকার ছাড়া জামাকাপড় কেনা হতো না। তাই পুরো বছরজুড়ে অপেক্ষায় থাকতো এই দিনটির জন্য। তার ছেলেমেয়ে কিংবা এখনকার অন্য বাচ্চাদের মতো, সারাবছর উপহার হিসেবে জামাকাপড় পাওয়া হতো না, তাই ঈদ এলে আনন্দের চাপা একটা উত্তেজনা ছিল সারা মাসজুড়ে।

পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলো ফুলেশ্বরী’র বাবা। রোজার মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই আম্মা অপেক্ষায় থাকতো, বিদেশ থেকে আব্বার পাঠানো রেজিস্ট্রি করা চিঠি, ড্রাফটের জন্য। দাদা-দাদী, পরিবার, পাড়া-প্রতিবেশীদের অনেক দায়িত্ব থাকতো আম্মার উপরে। ওর মনে আছে আম্মাকে অনেক কষ্ট করে এবং খুব হিসেব করে সবাইকে ঈদে খুশী করতে হতো। ফুলেশ্বরী এবং ওর অন্য ভাইবোনরা প্রতিদিন ডাকপিয়নের পথ চেয়ে বসে থাকতো সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি। সবকিছুতেই ছিল আনন্দচিত্তে অপেক্ষার পালা।

একবার ঈদের আগে আব্বার টাকা আসতে বেশ দেরি হয়। আব্বার পাঠানো টাকা ছাড়া তো ওদের পরিবারের ঈদের বাজার করার অন্য কোন উপায় ছিল না। আব্বার টাকা দেরিতে হাতে পাওয়ায় সেবার আম্মা কেনাকাটা করতে মার্কেটে যেতে পারে নি। বাড়িতে আসা ফেরিওয়ালার থেকে গজ কাপড় কিনে ঈদের নতুন লাল জামা সেলাই করে দিয়েছিলো। খুব মনে আছে, মার্কেটে গিয়েও ছোটবেলায় সব রঙের জামা দেখার পর, শেষ পর্যন্ত সব ঈদে সেই লাল রঙের জামাই কিনতো।

ঈদে লাল নতুন জামা পেয়ে আনন্দে ঘাসফড়িঙের মতো লাফাতে শুরু করে। নতুন জামার ঘ্রাণে সারারাত ঘুম আসে না। ঈদের জামা কোনভাবেই কাউকে দেখানো যাবে না। সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে ভীষণ যত্নে মাথার পাশের আলমিরাতে লুকিয়ে রাখে। কাউকে সে লাল জামাটি না দেখালেও, সহপাঠীদের কাছে ঠিকই রাজ্যের গল্প করে ফেলে নতুন জামা নিয়ে। সহপাঠীদের জামা দেখার তীব্র আকাঙ্ক্ষা থেকে কত যে প্রশ্নবাণে তাদেরকে অস্থির করতো ফুলেশ্বরী।  জামার কী  রং? কেমন ডিজাইন? কামিজ নাকি ফ্রক? এমন আরো কত-শত প্রশ্ন করে ধারণা নিতে চাইতো, ওর জামার সাথে সহপাঠীদের জামার রঙ বা কারুকাজ  মিলে গেলো কিনা? কোন কিছুতেই তেমন কাজ হতো না। কেউ কাউকে ঈদের জামার কোন তথ্য দিতো না। ঘরে ফিরে এসে অত্যন্ত সঙ্গোপনে লুকিয়ে লুকিয়ে কিছুক্ষণ পর পর ওর নতুন লাল জামাটার গন্ধ নিতো। নতুন জামার ঘ্রাণে ও কল্পনায় প্রজাপতির মতো উড়তো।

একবার চৈত্রের চড়চড়ে রোদে ঈদের লাল জামা পরে স্কুলের বান্ধবীদের সাথে বাইরে ঘুরতে বেরিয়েছিলো ফুলেশ্বরী। বলা নেই, কওয়া নেই, হঠাৎ মাঝপথে আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নামলো। কখনো সখনো আকাশে মেঘ ছাড়াও বৃষ্টি নামে। আবার কখনো ভারী মেঘের বোঝাও আকাশ একাই ধারণ করে চলে। সেদিন আচমকা বৃষ্টিতে ফুলেশ্বরী’র লাল জামার রং উঠে ভেসে গেলো। বাড়ী ফিরে ওর খুব মন খারাপ হয়। আম্মা ওর কান্না থামালো কত কিছু যে করে! আহা! নানান রঙের সেসব দিনগুলো! ওর খারাপ লাগে এখন এই ভেবে, ওদের সন্তানেরা ঈদের দিনের সেসব আনন্দঘন অনুভূতিগুলোর সাথে পরিচিত হতে পারছে না! কী করেই বা পারবে, এটা একেবারে অন্য একটি দেশ, ভিন্ন সংস্কৃতি এবং যাপন। ইচ্ছে করলেই সবকিছুতে দেশের আবহাওয়া এখানে খোঁজা সম্ভবও না। অভিবাসী জীবনে এমনই কিছু অপূর্ণতা রয়ে যায়। এরই মাঝে সন্তানদের জন্ম, বেড়ে ওঠা। কী করে অনুভব করবে ওরা মা-বাবার ফেলে আসা মাটির টান কিংবা উৎসবের আনন্দ!

দেশ ছেড়ে হাজার হাজার মাইল দূরের শহরে চলে আসার পরও ফুলেশ্বরী’র মা সারা বছর ধরে ওর বাবার সম্মানে পাওয়া পেনশনের টাকা থেকে ঈদে ওর জন্য নতুন লাল জামা কিনে পাঠাতো। বড় বোনের কাছে শুনেছে, অনেক অনুরোধ করে বছরের অন্য সময়গুলোতে আম্মাকে ঢাকায় আনতে না পারলেও, ঈদের সময় তার জন্য নতুন জামা কেনার জন্য ঢাকায় চলে আসতো। এসেই বড় আপাকে বলতো, সবচেয়ে ভালো জামা যে মার্কেটে পাওয়া যায় সেখানে তাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। কোনভাবেই জামার রং উঠা চলবে না। আম্মা মার্কেটের দোকান ঘুরে ঘুরে ফুলেশ্বরী’র জন্য সেরা জামাটাই কিনতো। তারপর, ডাকযোগে লাল জামাটি বিদেশে পাঠিয়ে দিতো ঈদের  আগেই।

আম্মা গত হয়েছে বেশ কয়েক বছর আগে। সবশেষ ঈদে যে জামাটি পাঠিয়েছিলো তার রঙও লাল ছিল।  জামাটি খুব যত্ন করে আলমারিতে চোখের সামনে সাজিয়ে রেখেছে। যে কোন উৎসবে বা প্রয়োজনে বাইরে যাওয়ার সময় আম্মার পাঠানো জামাটি আগে নয়ন ভরে দেখে, নাকে চেপে ধরে আম্মার ঘ্রাণ নেয়, পরে অন্য জামা পরে বাইরে যায়। আম্মার পাঠানো ঈদের সেই লাল জামাটা বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে ফুলেশ্বরী অদ্ভুত এক প্রশান্তি পায়।

বিশ্বায়নের যুগে জীবনের সব রঙ কেমন যেন ফিকে হয়ে গেছে। প্রযুক্তির আকাশছোঁয়া আধিপত্যের কাছে ছিনতাই হয়ে গেছে মানুষের অমূল্য সব আবেগ, অনুভূতি,  আনন্দ,  ভালোলাগা। উঁচু উঁচু দালানের ঠাসাঠাসি ভিড়ে উৎসবের সানাই আর কানে এসে বাজে না। ঈদের নতুন জামা,  জুতা লুকিয়ে রাখার যে কী আনন্দ, বাচ্চাদের সঙ্গে সঙ্গে সেও যেন অনেকটা ভুলে গেছে। অবশ্য এতে কারো কোন দোষও দেয়া যায় না। সময়ের হাত ধরে পাল্টে যায় জীবনধারণের পদ্ধতি। এখন ঈদ আসে,  ঈদের চাঁদ উঠে,  কেউ কেউ ঈদে নতুন জামাও কেনে। তবে এখানে ঈদের সেই মধুর আনন্দটা নেই বললেই চলে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে কিংবা গাড়িতে এখন আর ঘামে না, বৃষ্টিতে ভিজে  লাল জামার রঙ ধুয়ে যায় না। দায়িত্বের কাদাজলে নিমজ্জিত ফুলেশ্বরী বান্ধবীদের সাথে পালা করে এ-বাড়ি ও-বাড়ি ঘুরতেও বের হয় না। নতুন জুতায় পায়ে ফোস্কা ফেলে ঈদের দিনশেষে খোঁড়াতে খোঁড়াতে বাড়ি ফেরাও হয় না আর।

এখন ঈদের দিন অবসরে সাজানো প্রাণহীন পুতুলের মত জানালার এ-পাশে বসে আকাশ দেখে সে।  আকাশের গায়ে ভেসে যাওয়া সাদা মেঘের ভেলায়, চিকচিকে রুপালি আলোর ভিড়ে বাবা-মা কে খুঁজতে খুঁজতে ঝাপসা চোখে নিস্তব্ধতায় ডুবে থাকে। বাইরে সবুজ পাতার উপর উজ্জ্বল ঝিকিমিকি আলো যখন খেলে যায়, তখন পরানের গহীনজুড়ে অন্ধকারে বোবা কান্নার স্রোত বয়। যে ভেজা কান্নার ধ্বনি কেউ শোনে না, কেউ না। জীবনের কষ্টের গল্পগুলো লেপটে থাকে একান্তে বুকের গভীর গহীনে। অন্য কেউ এ বেদনা টের পায় না। খুব কাছের মানুষগুলোও না। সুখগুলো শিশিরের মত মিলিয়ে যায় বাস্তবতার উত্তাপে। জীবন কেটে যায় জীবনের নিয়মে।

তবু বিশেষ বিশেষ দিনগুলোতে কোথা থেকে যেন একরাশ ইচ্ছেরা এসে ভর করে! যেমন, ঈদ এলেই ফুলেশ্বরী’র খুব ইচ্ছে করে উত্তরের পাখিদের সঙ্গে উড়াল দিয়ে মায়ের কাছে যেতে। ঈদ এলে এই দূর পরবাসে যান্ত্রিক এ শহরে বসে, একাধিক নতুন জামার ভিড়ে হন্যে হয়ে খুঁজতে থাকে সে, ছেলেবেলার নতুন লাল জামার ঘ্রাণ।

 

পলি শাহীনা

ন্ম ৪ জুন, নোয়াখালী জেলায়। ছাত্র-জীবনেই লেখালিখির শুরু। এ-পর্যন্ত প্রকাশিত গ্রন্থ তিনটি। প্রথম কাব্য গ্রন্থ-গভীর জলের কান্না (২০১৬), দ্বিতীয় স্মৃতিগদ্য-হৃৎকথন (২০১৯), তৃতীয় গল্পগ্রন্থ-ধূসর নির্জনতা (২০২১)।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বসবাস করছেন। বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও অনলাইন সাহিত্য পত্রিকায় লিখছেন। নিউইয়র্কের ‘সাহিত্য একাডেমি’র সঙ্গে যুক্ত আছেন, এছাড়া বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়।

Facebook Comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।