শকুন্তলা চৌধুরী: অবলাকান্তের বিশ্ব ‘দর্শন’ পর্ব-৩

অবলাকান্ত কলম ধরিয়া লিখিলেন — “পাঠকগণ, আজিকে আমরা ‘বিশ্বায়ন’ লইয়া আলোচনা করিব। আমার বাটির সম্মুখের বহুতল ফ্ল্যাটবাড়ীটির বাসিন্দা মিত্রসাহেব — যাঁহার সহিত আমি কচিৎ কদাচিৎ পাড়ার পার্কে মিলিত হইয়া থাকি এবং মিলনকালে যিনি আমাকে কৃপাদৃষ্টিপূর্বক বহুবিধ জ্ঞান প্রদান করিয়া থাকেন — তিনি এই বিষয়ে সম্যক জ্ঞানপ্রাপ্ত বলিয়া আমার ধারণা হইয়াছিল। কিন্তু তাঁহার আমেরিকাবাসী পুত্রটিকে দেখিয়া আমার সেইভ্রান্তি দূর হইল। সেই পর্যন্ত আমি আহ্লাদে ছটফট করিতেছি কলম ধরিবার জন্য, ‘বিশ্বায়ন’ লইয়া আলোচনা করিবার জন্য — কিন্তু লিখিয়া উঠিতে পারি নাই। তাহার এক কারণ এই যে কথাগুলি মাথার ভিতর জমা হইয়াও কলমের ডগায় আসিতেছিল না — প্রবল ঘূর্ণাবাত্যায় এ’দিক—ও’দিক ছড়াইয়া যাইতেছিল। গতকল্য মিত্রসাহেবের পুত্রটি ঘরের ছেলে ঘরে ফিরিয়া গিয়াছে, অর্থাৎ আমেরিকা চলিয়া গিয়াছে। আজি সকাল হইতে আমার চিন্তাগুলিও দেখি মৃদু— মন্দ পবনে হেলিতে দুলিতে দিব্য কলমের ডগায় আসিয়া জুটিতেছে। অতএব শুভস্য শীঘ্রম।

পাঠক, আপনি কি ‘বিশ্বায়ন’ সম্বন্ধে অবগত আছেন? অবগত থাকিলে আমার প্রণাম নিবেন, কারণ আমি কয়বৎসর আগে পর্যন্তও ইহার সম্বন্ধে কিছুই জানিতাম না। আড়াই বৎসর পূর্বে মিত্রসাহেব পাড়ায় প্রবেশপূর্বক, আমাকে ইহার সম্বন্ধে সম্যক জ্ঞান প্রদান করিতে শুরু করিয়াছিলেন।

আমি দেখিতেছিলাম যে আমাদের ঠ্যালাগাড়ীর সব্জীওয়ালারা উধাও, আমাদের গলির মুখে সকালে এসে বসা মাছওয়ালারা উধাও। আমি শুনিতেছিলাম যে ‘মৎস্যমুখী বাঙালী’ এখন ‘মাংসাশী’ হইয়া, পেশী ফুলাইয়া, ‘বডি বিল্ডিং’ করিতেছে। আমি দেখিতেছিলাম যে পাড়ার খেলার মাঠটিতে একটি ঝাঁ—চকচকে বাড়ীর আবির্ভাব হওয়া ইস্তক পাড়ার বাবু—বিবিরা ‘মল্’—এ গিয়া খাইবার ও পরিধান করিবার জিনিস বেশী পয়সায় কিনিয়া আহ্লাদ প্রকাশ করিতেছেন; আর আমি ভৃত্য—নির্ভর নিরামিষাশী একক অবলাকান্ত, কোনক্রমে ভাতে—ভাত ও দুধ—মুড়ি খাইয়া বাঁচিয়া আছি। আমি দেখিতেছিলাম যে পাড়ার ভুবনমোহিনী বালিকা বিদ্যালয়টি টিমটিম করিতে করিতে অবশেষে বন্ধ হইয়া গেল; আর পাড়ার সমুদয় বালক—বালিকা গলায় টাই ঝুলাইয়া অন্য পাড়ার ইংরাজী বিদ্যালয়ে চলিল। আমি শুনিতেছিলাম যে ইহারা বিদেশী গানে গীটার বাজাইয়া থাকে আর রবিঠাকুরের গানের
অর্থ বুঝিতে পারে না। গলির মুখে আমি আমেরিকার নির্বাচন লইয়া তর্ক শুনিয়াছিলাম; কিন্তু রাণী রাসমণির স্বামীর নাম জিজ্ঞাসা করায় তাঁহারা আমাকে পাগল ভাবিয়াছিলেন। আমি ভ্রাতুষ্পুত্রের বাটীতে নিমন্ত্রণ রক্ষা করিতে গিয়া, ব্রকলি ও স্ট্রবেরী খাইয়া ধন্য হইলাম।

শাপলাফুলের বড়া ভাজা আর আমি চর্মচক্ষুতে দেখিতে পাইলাম না। ইদানীং হাঁটিতে হাঁটিতে আমি যত হিন্দী কথা আর ইংরাজী কথা শুনি, তাহার আর্দ্ধেকও বাংলা কথা শুনিনা। দেখিতে দেখিতে আমাদের পাড়ার পুরানো বাড়ীগুলি ভাঙিয়া বহুতল উঠিল — পিতৃপুরুষের পাড়াটি অচেনা হইয়া গেল।
আমি ও আরও কতিপয় পুরানো মানুষ টিমটিম করিয়া টিঁকিয়া রহিলাম।
আমি সব দেখিতেছিলাম এবং শুনিতেছিলাম।
কিন্তু আমি জানিতাম না যে ইহাকেই বিশ্বায়ন বলে। আমি জানিতাম না যে বিশ্বায়ন—ই উন্নতির পথ। আমি জানিতাম না যে কাহারও শীর্ণ উদরে পদাঘাত করিয়া, অন্য কাহারও বর্দ্ধিত উদরকে ক্রমাগত বৃদ্ধি করিবার প্রক্রিয়াকেই উন্নতি বলে। আমি জানিতাম না যে আপনাকে ভুলিয়া পরকে নকল করিবার নামই উন্নতি। আমি কিছুই জানিতাম না — মিত্রসাহেব আমাকে একটু একটু করিয়া শিখাইলেন। মিত্রসাহেব আমাকে শিখাইলেন যে উন্নতির পথে হাঁটিতে হইলে মূল্য দিতে হয়। বাঙালী তথা ভারতবর্ষীয়গণ মূল্য দিতে চাহে না বলিয়াই তাহাদের এই দুর্গতি।
আমি একটু ইতস্তত করিয়া শুধাইলাম — “কিন্তু ইহারৃএই বিশ্বায়নের, পুরস্কার কি? কাহারাই বা পাইতেছে সেই পুরস্কার?”
মিত্রসাহেবের চাহনি দেখিয়াই বুঝিলাম যে তিনি আমার ন্যায় ঘোর মূর্খ আর কখনো দেখেন নাই।

আমি তাড়াতাড়ি সামলাইয়া লইয়া কহিলাম — “মানে, ঈশ্বরের পূজায় মূল্য ধরিয়া দিয়া আমরা ঈশ্বরের প্রসাদ পুরস্কার স্বরূপ পাইয়া থাকি। দোকানে মূল্য ধরিয়া দিয়া আমরা দ্রব্য পাইয়া থাকি। বিশ্বায়নের হাতে আমাদিগের সব সংস্কার ও পুরাতন জীবনযাত্রা মূল্য হিসাবে তুলিয়া দিয়া আমরা কি পাইলাম?”
মিত্রসাহেব গম্ভীরমুখে বলিলেন — “কেন, উন্নতি!”
আমি কহিলাম — “কাহার উন্নতি?”
মিত্রসাহেব বলিলেন — “দেশেরৃদশের।”
আমি বলিলাম — “আমি কি ‘দশে’র মধ্যে একজন বলিয়া গণ্য হইতে পারি?”
মিত্রসাহেব হাসিয়া কহিলেন — “অবশ্যই — সকলকে নিয়াই তো ‘দশ’!”
আমি কহিলাম — “তাহা হইলে আমার উন্নতির বদলে অবনতি হইল কেন?”
মিত্রসাহেব বলিলেন — “কিরকম?”
আমি বলিলাম — “আপনাদের বহুতল বাড়ীটির কল্যাণে আমার একতলার ক্ষুদ্র ঘরটিতে আলো-বাতাস আসিতে পারেনা। গ্রীষ্মে ঘর্মাক্ত হইয়া যাই, শীতে বাতের বেদনা বাড়িয়া উঠে। আপনারা, ফ্ল্যাটবাসিন্দারা, পাড়ায় সংখ্যাগরিষ্ঠ; আপনারা মন্ত্রীমহাশয়কে ধরিয়া পাড়ার খেলার মাঠে মল তুলিয়া দিলেন, রাখিলেন শুধু একফালি একটি পার্ক। সে নাহয় একরকম হইল — আজকাল ছেলেপুলেরা খেলে কম, খেলিলেও তাহা টিভির সামনে বসিয়া ভিডিও খেলা। কিন্তু গাছগুলি কাটা পড়িল, তাহাদের তলায় বসিয়া আমরা কতিপয় বৃদ্ধ সুখ—দুঃখের কথা কহিতাম — তাহাও গেল।
পাড়ার পার্কটিতে দুদণ্ড বসিবার জো নাই — আপনাদিগের সারমেয়দের বল খেলিবার জায়গা ওটি।
মল—এর বহুমূল্য জিনিস কিনিবার আমার সামর্থ্য নাই, আর ঠ্যালাওয়ালার মাছ—সব্জি
আপনাদিগের মুখে রুচে না দেখিয়া তাহারা আর আইসে না — অগত্যা আমি ভাতেভাত খাইয়া বাঁচিয়া
আছি। এক্ষণে আপনি বলুন, ইহা উন্নতি না অবনতি?”

মিত্রসাহেব গম্ভীরমুখে কহিলেন — “এই ক্ষুদ্র ত্যাগস্বীকারে আপনি এতো বিচলিত? এইজন্যই
বাঙালীরৃআমেরিকাতে দেখুন গিয়েৃ”
কথাটি অসমাপ্ত রাখিয়া তিনি মলের দিকে হাঁটা দিলেন। আমি সঙ্কুচিত হইয়া গৃহে ফিরিলাম।

ইহার পর বহুদিন যাবত আর দেখা—সাক্ষাত নাই। আমি আছি আমার গৃহে, তিনি আছেন তাঁহার ফ্ল্যাটে। ঠাণ্ডাটা একটু কম দেখিয়া সেইদিন বাহির হইলাম। ভাবিলাম শালমুড়ি দিয়া পার্কটিতেই একটু হাঁটিয়া আসি — ডাক্তার বলিয়াছেন যে একটু হাঁটাহাঁটি করিলে ভাল হয়।
পার্কে গিয়া দেখি মিত্রসাহেবের পরিবর্তে একটি অল্পবয়সী ছেলে তাঁহার কুকুরটিকে
হাঁটাইতেছে।
আমি ইতস্ততপূর্বক জিজ্ঞাসা করিলাম — “আপনি কি আমেরিকা হইতে আসিয়াছেন? মিত্রবাবুর
পুত্র?”
ছেলেটি হাসিয়া বলিল — “হ্যাঁ, খ্রীস্টমাসের ছুটিতে এসেছি। আমার নাম রোহনৃআপনি?”
আমি পরিচয় দিলাম। সে আরও কয়েকটি কথা কহিল। আমিও কহিলাম।
মোটের উপর, রোহনকে আমার ভাল লাগিয়া গেল। দেখিলাম তাহার মধ্যে উন্নাসিকতা নাই।

আমি ঠিক করিলাম যে ‘বিশ্বায়ন এবং উন্নতি’ সংক্রান্ত বিষয় সম্বন্ধে আমি অতঃপর
রোহনের কাছ হইতেই জ্ঞান লাভ করিব, তাহার পিতার কাছ হইতে নহে।
সেইমতো আমি প্রত্যহ, রোহনের কুকুর হাঁটানোর সময় মিলাইয়া পার্কে উপস্থিত হইতে
লাগিলাম।
দেখিলাম যে রোহন শুধু হাস্যমুখে প্রশ্নের উত্তরই দেয় না, আমাকে সে প্রশ্ন করিতেও থাকে।
অতএব, প্রত্যহ এইরূপ কথোপকথন চলিতে লাগিল।
আমি বলিলাম — “বিশ্বায়নে কাহার উন্নতি ঘটে?”
সে উত্তর করিল — “মূলতঃ পূঁজিপতির এবং পূঁজিবাদী দেশগুলোর। নিজের দেশের বাজারে বিক্রী করে যখন যথেষ্ট লাভ হয়না, তখন এরা অন্যদেশের বাজার খোঁজে। পরে অবশ্য অর্থনীতির  শিকল—প্রক্রিয়ায় নীচে ও চারপাশে ছড়িয়ে যায় তার ছিঁটেফোঁটা, এবং গরীব দেশগুলো কম্পিটিশনে উপরে উঠে আসে — তবে প্রক্রিয়াটি খুব সরল নয়, এর সুবিধা নিতে গেলে গভীরে ঢুকে ভেবেচিন্তে খেলতে হয়। আচ্ছা, এখানে টাটকা মাছের বাজার নেই? তার স্বাদই আলাদা, আমেরিকায় পাইনা।”

আমি বলিলাম — “পূর্বে উহারা ঠ্যালায় করিয়া টাটকা সব্জী ও মাছ লইয়া পাড়ায় আসিত। ইদানীং কেহ কিনে না, সকলেই মলের জিনিস কিনে। উহারা তাই আর আইসে না। সর্বোপরি, ভদ্রলোকে এখন মাছ না খাইয়া মাংস খাইয়া থাকে — তাই উহাদের আর বিক্রি নাই।”

সে বলিল — “এইসব টাটকা অরগ্যানিক জিনিস আমেরিকাতে কতো বেশী দামে কিনতে হয়! এখানে সহজলভ্য ছিল, কিন্তু আমরা তাকে হারিয়ে বসেছি। বেশী মাংস খাওয়া স্বাস্থ্যকর নয়। অনেক আমেরিকান তো এখন শুধু নিরামিষ খায়, বড়োজোর মাছ। ৃ আচ্ছা, এখানে একটা বড়ো নিমগাছ ছিল না?”

আমি বলিলাম — “ছিল, আর নাই। তোমাদের উল্টাদিকের ঐ নতুন ফ্ল্যাটবাড়ীটি উঠিবার সময় সেই নিমগাছটি এবং তার পাশের কৃষ্ণচূড়া গাছটি কাটিয়া ফেলা হইয়াছে।”

মুখে একটি আক্ষেপের শব্দ করিয়া রোহন বলিল — “নতুন গাছ না লাগিয়ে শুধু পুরোনো গাছ কেটে ফেললে কিন্তু প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হয়। আর নিমের হাওয়া তো খুব ভাল! জানেন, আমাদের হলুদ—নিমপাতা নিয়ে পশ্চিমে ওরা রিসার্চ করছে — অনেক গুণ আছে ঐসব জিনিসে, রোজ খাওয়া উচিত। আচ্ছা, এখানে কমবয়সীরা কেউ আর বাংলায় কথা বলে না?”
আমি বলিলাম — “বলিয়া কিই বা হইবে? বিদেশগমনই তাহাদের জীবনের প্রধান লক্ষ্য আর বিদেশে তো বঙ্গভাষা কাজে আসিবে না!”
সে বলিল — “জাপানী—চীনা ওরাও আমেরিকা যায়, কিন্তু শুধু নিজের ভাষাটুকু জেনেই তারা সেখানে পৌঁছয়। ওদেশে লোকে এখন টাকা খরচ করে নিজের কালচারের শিকড় খুঁজছে, বৈচিত্র্যকে বাঁচিয়ে রাখতে ‘কালচারাল ডে’ করছে — আমরা কেন করিনা সেইসব? আমাদের কালচার তো আরও পুরোনো — কত গর্ব করার মতো।”
আমি বলিলাম — “আমেরিকায় বোধহয় সবই বহুতল ফ্ল্যাটবাড়ী? গোছানো, সুন্দর?”
সে বলিল — “না, না! ঐসব পায়রার খোপের মতো ছোট ছোট ফ্ল্যাটে আরাম করে থাকা যায় নাকি?

আছে মাল্টিস্টোরিড নিউইয়র্কে আর অন্য সব বড়ো বড়ো শহরে, ওখানে জায়গা কম তো! তবে বেশীরভাগ লোকই হাত—পা ছড়িয়ে আরাম করে বাড়ীতে থাকে। আমি তো এতদিন স্টুডেন্ট ছিলাম, পয়সা ছিল না হাতে বেশী; তাই ফ্ল্যাটে ছিলাম। এখন চাকরি করছি, সামনের বছর বাড়ী কিনব।”

আমার মাথাটি কেমন যেন গুলাইয়া গেল। মাথার ভিতর চিন্তাভাবনাগুলা প্রবল ঘূর্ণাবাত্যায়
দিশাহীন হইয়া চতুর্দিকে ছড়াইয়া পড়িতে লাগিল।
গতকল্য রোহন ফিরিয়া গিয়াছে, আজি আমার মস্তিষ্কটি পুনরায় নিত্যকর্মে যোগ দিয়াছে।
তাই আমি বুঝিতেছি যে আমরা সত্যই ‘আত্মঘাতী’ জাতি।

আমরা ‘বিশ্বায়নের’ ল্যাজাটি লইয়া নাচানাচি করিতেছি, মুড়াটি লইয়া গিয়াছে অন্য কেহ।
সেইদিন কবে আসিবে যেদিন আমরা গড়গড়ানো আঁটি—টি ফেলিয়া, দুধে—ফেলা আমটি চুষিতে পারিব?” এই পর্যন্ত লিখিয়া, কলম রাখিয়া, খাতা বন্ধ করিয়া, অবলাকান্ত উন্মুক্ত হাওয়ায় হাঁটিতে বাহির হইয়া গেলেন।

 

শকুন্তলা চৌধুরী

ডঃ শকুন্তলা চৌধুরীর জন্ম কলকাতায়, বড় হয়েছেন বি. ই. কলেজ ক্যাম্পাসের প্রফেসরস্ কোয়ার্টারে। পড়াশোনা কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিয়ে এবং তথ্যবিজ্ঞানে পিএইচডি করার সূত্রে বিদেশগমন। কর্মসূত্রে বর্তমানে মিশিগানের বাসিন্দা। স্কুলজীবন থেকেই নিয়মিত লেখেন। সানন্দা, বাতায়ন, পরবাস, সাহিত্যকাফে, ঋতবাক এবং আরো বহু পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে শকুন্তলার কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ, উপন্যাস। শকুন্তলার লেখা গান ভিডিওতে পরিবেশন করেছেন শ্রীকান্ত আচার্য, রূপঙ্কর বাগচী, নচিকেতা চক্রবর্তী, কায়া ব্যাণ্ড। প্রকাশিত গ্রন্থ পৃথা (ঋতবাক প্রকাশনী)।

Facebook Comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to Top