জাপানিদের গ্রন্থমানস: প্রবীর বিকাশ সরকার

২০১৮ সালের ১৯ এবং ২০ অক্টোবর দুদিনব্যাপী নিহোন তোশোকান কিয়োকাই বা জাপান লাইব্রেরি অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ১০৪তম গ্রন্থাগার মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল “টোকিও মহাসমম্মেলন” নামে Youth Education National Olympics Memorial Youth Center মিলনায়তনে। ২০২০ সালে ১০৫তম মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে ওয়াকায়ামা-প্রিফেকচারে। এই বছর অনুষ্ঠিত হবে ১০৭তম গ্রন্থাগার মহাসম্মেলন ১১ ও ১২ নভেম্বর ইয়ামানাশি-প্রিফেকচারে। এভাবে প্রতিবছর এই ধরনের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় আর এতে সারা দেশের গ্রন্থাগার এবং তৎসংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকেন। আরও উপস্থিত থাকেন আন্তর্জাতিক গ্রন্থাগার সমিতি, আমেরিকা গ্রন্থাগার সমিতি, আরিজোনা গ্রন্থাগার সমিতি, দক্ষিণ কোরিয়া গ্রন্থাগার সমিতি প্রভৃতির প্রতিনিধিরা। দুদিনব্যাপী তারা স্বদেশ-বিদেশের গ্রন্থাগারের বার্ষিক প্রতিবেদন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, নতুন প্রকল্প, ভিটিআর প্রদর্শন এবং বিভিন্ন সমস্যাদি নিয়ে আলোচনা করেন। ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত মহাসম্মেলন ছিল ১০০ তম এবং থিম বা বিষয়: ‘তোশোকান বুনকা অ আশিতা নো চিকারা নি’ অর্থাৎ ‘গ্রন্থাগার সংস্কৃতিকে আগামী দিনের শক্তিতে (পরিণত করা)’। এই বার্ষিক মহাসম্মেলনের সূচনা হয়েছিল ১৯০৬ সালে মেইজি যুগে (১৮৬৮-১৯১২)। হেমন্তকালীন এই সম্মেলন গ্রন্থপ্রিয়, গ্রন্থপাগল, গ্রন্থাগারগামী, গ্রন্থব্যবসায়ী, প্রকাশক এবং লেখকদের জন্য এক অনন্য সংস্কৃতি এবং আনন্দঘন স্বর্গ।

তারা শুধু যে এই ধরনের মহাসম্মেলই করে থাকে তা নয়, সারা বছর ধরেই এদের নানা ধরনের কর্মকাণ্ড বিদ্যমান। বিশাল সংগঠনটির ওয়েবসাইট (http://www.jla.or.jp/jlaevent/tabid/93/Default.aspx)  গেলে দেখা যায় কতখানি ব্যাপৃত সংস্থাটি। এর ইতিহাস থেকে জানা যায় ১৮৯২ সালের মার্চ মাসে ২৫ জন গ্রন্থাগারিককে নিয়ে এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। বিশ্বে আমেরিকা এবং বৃটেনের পরই জাপানে এই ধরনের উদ্যোগ গৃহীত হয় যা তৃতীয় দেশ। ১১৫ বছরের প্রাচীন এই সংস্থাটি গঠন করার সময় তৎকালীন প্রভাবশালী সাহিত্যিক নাৎসুমে সোওসেকিসহ একাধিক লেখক ও প্রকাশকবৃন্দ সহযোগী হয়েছিলেন। মূল উদ্দেশ্য দেশের ৬টি ক্ষেত্র যথাক্রমে পাবলিক, মহাবিদ্যালয়-বিশ্ববিদ্যালয়, বিদ্যালয়, পেশাগত, গণ এবং সরকারি গ্রন্থাগার ছাড়াও অন্যান্য গ্রন্থাগারের নিয়মিত কাজকর্ম ও অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা। সেইসঙ্গে পাঠকের পাঠ্যাগ্রহ বৃদ্ধি এবং দলিলপত্র-তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার্য সাহায্য-সহযোগিতা করার মধ্য দিয়ে সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অবদান রাখা। বর্তমানে JLA এর নির্বাহী সদস্যসংখ্যা ৭০০০, যাদের মধ্যে রয়েছেন তালিকাভুক্ত গ্রন্থাগারগুলোর দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ছাড়াও বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ।

JLA থেকে অনেক মূল্যবান গ্রন্থ প্রকাশিত হয়ে থাকে। এছাড়া নিয়মিত মাসিক ‘তোশোকান জাসশি’ বা ‘গ্রন্থাগার সাময়িকী’, ১৯০৭ সাল থেকে এই পর্যন্ত প্রকাশিত সংখ্যার সংগ্রহ-সমগ্র শতাধিক ছাড়িয়ে গেছে যা জাপানে কেন বিশ্বেই ব্যতিক্রম ঘটনা! তাছাড়া সংস্থার গবেষণা দপ্তরে চলছে প্রতিনিয়ত গবেষণা। রয়েছে মেইল ম্যাগাজিন।

উল্লেখ্য যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিধ্বস্ত জাপান সরকার দ্রুত আধুনিক শিক্ষা এবং গ্রন্থাগার নির্মাণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে। ১৯৫৪ সাল তথা যুদ্ধপরবর্তী দশ বছরের মধ্যেই পুনর্গঠিত করা হয় সংস্থাটিকে। একাধিক নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ, পদ্ধতি ও আইন তৈরি করা হয়। যুদ্ধবিধ্বস্ত জাপান ভালো করেই অনুধাবন করেছিল যে, আধুনিক শিক্ষাগ্রহণ এবং গ্রন্থপাঠের বিকল্প দ্রুত উন্নয়নের ক্ষেত্রে আর কিছু নেই। নিরক্ষর জনগণ দিয়ে কিছুকাল কাজ করানো সম্ভব চিরকাল নয়। সমৃদ্ধ জাতি ও রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা ও গ্রন্থাগার বৃদ্ধির প্রকল্প প্রধান অগ্রগণ্য না হলে পরিস্থিতি কী দাঁড়ায়, কীভাবে পিছিয়ে যায় সভ্যতা তার সবচে উজ্জ্বল উদাহরণ হচ্ছেন ভারতীয় উপমহাদেশের ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ।

জাপান শতভাগ শিক্ষিতের দেশ। এই দেশে একজনও নিরক্ষর বা অশিক্ষিত কেউ নেই। কমপক্ষে উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষাগ্রহণ এদেশে বাধ্যতাম‚লক। খুবই ব্যয়বহুল এদেশের শিক্ষাব্যবস্থা। কিন্তু উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীরা যা শিখে তাতেই কর্মজীবী হিসেবে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করতে কোনো অসুবিধে হয় না। মাতৃভাষায় শিক্ষাপদ্ধতির কারণে কোনো কাজেই এরা আটকে থাকে না। এখন জনসংখ্যা হ্রাস এবং আধুনিক প্রযুক্তির কারণে গন্থপাঠের প্রবণতা কমে গেলেও দৈনিক পত্রিকার মুদ্রিত সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে না তেমন করে। তরুণ নেটিজিনের পাশাপাশি বয়স্ক নাগরিকরাও এখন ডিজিটাল ডিভাইসে পড়ে নিচ্ছে গ্রন্থ, সাময়িকী, পত্রিকা বা বিষয়ভিত্তিক তথ্যাদি। স্বভাবতই যুগের তালে পাঠ্যাভাসের গতিপ্রকৃতি পরিবর্তিত হওয়ায় বইবিতান এবং গ্রন্থাগারের সংখ্যাও ক্রমহ্রাসমান। কিন্তু অন্যদিকে গ্রন্থাগারগুলোকে অত্যাধুনিকীকরণে জাপান শক্তি নিয়োগ করেছে এক দশক আগে থেকেই। এখন কম্পিউটারে ডিজিটাল পদ্ধতিতে খুব সহজে গ্রন্থাগারে গিয়ে গ্রন্থ এবং তথ্য-উপাত্ত অনুসন্ধান, কপিকরা এবং ধার করা সহজতর হয়ে গেছে। অশীতিপর বৃদ্ধও কার্ডের মাধ্যমে গ্রন্থাগার ব্যবহার করছেন। জাপানের সর্ববৃহৎ কোক্কাই তোশোগান বা ডায়েট (সংসদ) লাইব্রেরি বিশ্বের অন্যতম প্রধান গ্রন্থাগার এটা প্রতিষ্ঠিত ১৯৪৮ সালে। এটা থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ইমেইলযোগে তথ্য অনুসন্ধান ও কপিসংগ্রহ করা যায়। ডায়েট লাইব্রেরির টোকিও তথা দক্ষিণপূর্ব অঞ্চলে প্রধান ভবন ছাড়াও উন্মুক্ত হয়েছে বর্ধিত ভবন এবং দাক্ষিণপশ্চিম জাপানের কিয়োতো শহরে শাখাভবন। একে আমি আমার একটি প্রবন্ধে ‘জাদুঘর’ বলে অভিহিত করেছি এর সমৃদ্ধ সংগ্রহ ও ব্যাপ্তিময় কর্মকাণ্ডের জন্য (জানা অজানা জাপান দ্বিতীয় খণ্ড দ্রষ্টব্য।)

যে দেশে যতবেশি বই, পত্রিকা, সাময়িকী, সিডি, ডিভিডি সে দেশের সংগ্রহশালা ততবেশি সমৃদ্ধ হওয়ার কথা। জাপান তার ব্যতিক্রম নয়। এদেশে গ্রন্থ প্রকাশের সংখ্যা যেমন বিপুল তেমনি ম্যাগাজিন বা পত্রিকা এবং গানের সিডি, চলচ্চিত্র-নাটক-অনুষ্ঠানাদির ডিভিডিও অসংখ্য। সেগুলো নিয়মিত গ্রন্থাগারে গিয়ে জমা হচ্ছে। ডায়েট লাইব্রেরিতে প্রকাশিত গ্রন্থ এবং পত্রপত্রিকার দুকপি জমা দেয়া এক অলিখিত নিয়ম।

জাপানি গ্রন্থাগারগুলোর বৈশিষ্ট্য দারুণ আকর্ষণীয় এবং অনুকরণীয়। এদেশের প্রতি পাড়া ও মহল্লায় নগর প্রশাসনের গ্রন্থাগার রয়েছে। পৌর কর্মচারীরা অদলবদল করে গ্রন্থাগারগুলোতে কাজ করে থাকেন। প্রতিটি নগর ও অঞ্চলের পৌর বা নগর গ্রন্থাগারে রয়েছে দুটি বিভাগ একটি শিশুদের জন্য অন্যটি সাধারণ নাগরিকদের। শিশুবিভাগে ছুটির দিনে শিশুরা আর কিশোর-কিশোরীরা প্রতিদিনই সুযোগ পেলে বই পড়া, ম্যাগাজিন পড়তে যায়। একটি অনুচ্চ মঞ্চে শিশুরা শুয়ে বসে শিশুগ্রন্থাদি পড়ে বা খেলা করে। খেলতে খেলতে ঘুমিয়ে পড়ে! কী চমৎকার এই দৃশ্য! ২০০০ সালে টোকিওর উয়েনো শহরে উন্মুক্ত করা হয়েছে কোকুসাই কোদোমো তোশোকান বা International Library of Children’s Literature এতে রয়েছে দেশি-বিদেশি বিপুল পরিমাণ শিশু বিষয়ক গ্রন্থ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর। প্রচুর সাময়িকী এবং শিশুবিশ্বকোষসম‚হ। অনন্য সাধারণ একটি প্রতিষ্ঠান এবং জাপান শুধু নয়, এশিয়া মহাদেশের গৌরব বলতে হবে। জাপান শিশুর দেশ তাই শিশু বিষয়ক গ্রন্থ, পিকচার বুক এবং ম্যাগাজিন অগণন প্রকাশিত হয়ে থাকে। ম‚লত আন্তর্জাতিক শিশু গ্রন্থাগার ছিল জাপানের প্রথম আধুনিক গ্রন্থাগার–ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৭২ সালে।

এদেশে রয়েছে বহু জাদুঘর যেখানে নির্ভুলভাবে একটি গ্রন্থ ও তথ্যবিষয়ক সংগ্রহশালা বিদ্যমান। অনুরূপ প্রতিটি প্রদেশ বা জেলা এমনকি প্রত্যন্ত অঞ্চলেও লেখক জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়ে চলেছে শতবর্ষ ধরেই। সেখানে সেইসব লেখকদের গ্রন্থই শুধু নয়, তাঁদের পরিচিতি, ব্যবহার্য জিনিসপত্র, আলোকচিত্র, হাতেলেখা ম‚ল পাণ্ডুলিপি, চিত্রায়িত ফিল্ম সংরক্ষিত আছে। কত রকমের ডিজাইনের যে গ্রন্থাগার এদেশে বিগত ৭৫ বছরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তার হিসাব নেই। যাদের নয়নাভিরাম নকশা ও সৌন্দর্য হৃদয়কে দারুণভাবে আন্দোলিত করে!

আগেই বলেছি জাপানি গ্রন্থাগারগুলোর বৈশিষ্ট্য আকর্ষণীয় এবং অনুকরণীয়। প্রতি মাসে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, ঋতুভিত্তিক, ঘটনাভিক্তিক গ্রন্থ ও বিশেষ সাময়িকী প্রদর্শনী, ঐতিহাসিক দলিলপত্র-নিদর্শন উপস্থাপন করা হয় গ্রন্থাগারের ভেতরে। সরকারি গ্রন্থাগারগুলো প্রতি বছরের শেষদিকে প্রচুর পরিমাণে অতিরিক্ত গ্রন্থ, ম্যাগাজিন ও পত্রিকা বিনাম‚ল্যে প্রদানের ব্যবস্থা করে থাকে। তখন গ্রন্থপাগল মানুষজন হামলে পড়ে। আমিও এই সুযোগের প্রতীক্ষায় থাকি।

জাপানের গ্রন্থাগারগুলোতে দুই দশকেরও বেশি আগে থেকে রিসাইক্লিং কর্নার স্থাপন করা হয়েছে। আদরবঞ্চিত অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়া গ্রন্থ, সাময়িকী ও গানের সিডিসম‚হ জাপানিরা সেখানে রেখে আসেন। কারো প্রয়োজন হলে বিনানোটিশেই নিয়েও যেতে পারে। পরিত্যক্ত গ্রন্থ, ম্যাগাজিন ও সিডিসমূহ যথাক্রমে পুনরায় কাগজের মণ্ড ও মূল্যবান শিল্পকারখানার কাচামালে রূপান্তরিত করা হয়। দাম বেশি হলেও জাপানে রিসাইকলড্ বা পুনর্প্রস্তুত কাগজে বিস্তর বই ও পত্রপত্রিকা প্রকাশিত হচ্ছে। তাছাড়া দৈনিক সংবাদপত্র ও ম্যাগাজিনসমূহ নির্ভুলভাবে রিসাইক্লিং সেন্টারে প্রেরণ করা হয়ে থাকে বাসাবাড়ি, প্রতিষ্ঠানসমূহ এবং মেলা-উৎসব থেকে।

এই দেশের বড় বড় বইয়ের দোকান, হাসপাতাল, বিউটি পার্লার এবং অগনিত চা-স্টল, কফিশপ, ক্যাফে এবং মানগা কিসসা বা কার্টুন, কমিকস ম্যাগাজিনের রেস্টুরেন্টে বই পাঠ করা যায় নিরিবিলি কাব্যিক পরিবেশে। হাসপাতাল এবং বিউটি পার্লারে সদ্যপ্রকাশিত বিবিধ বিষয়ক ম্যাগাজিন এবং গ্রন্থাদিও রাখা হয় যাকে মিনি গ্রন্থাগার বলা যেতে পারে। থাকে শিশুদের পাঠযোগ্য গ্রন্থাদিও। অপেক্ষমাণ রোগী এবং কাস্টমার পাঠে মগ্ন হয়ে যান আর বিরক্তবোধ না করেন।

জাতিগতভাবে খুঁতেখুঁতে স্বভাবের দায়িত্বশীল জাপানি কর্মীরা গ্রন্থাগারগুলোকে ঝকঝকে করে রাখতে সচেষ্ট সর্বদাই। ফাঁকিঝুঁকির কোনো সুযোগ নেই। কার্ড ছাড়া কেউ বই বা ম্যাগাজিন ধার করতে পারে না। কপিয়ার মেশিনে ১০ ইয়েনের বিনিময়ে প্রতি পৃষ্ঠা কপি করা যায়। দুসপ্তাহের বেশি গ্রন্থ ধার করা যায় না। সময়মতো বই ফেরৎ দিতে ব্যর্থ হলে ভবনের বহির্ভাগের দেয়ালে পোস্টবক্স রয়েছে সেখানে ফেলে দিলেই চলে। বই পড়ার সময় কথা বলা বা অহেতুক গুঞ্জন করা বাঞ্ছণীয় নয়। অবশ্য শিশুদের ক্ষেত্রে আলাদা বা ব্যক্তিকেন্দ্রিক গ্রন্থাগারগুলোতে নিয়মিত আড্ডা হয়ে থাকে। সেই আড্ডায় কফি, লাল চা, সবুজ চা ছাড়াও বিয়ার ও রেড ওয়াইনের স্বাদ গ্রহণের ফলে আলোচনা এবং তর্কবিতর্ক দারুণ জমে ওঠে।

 

প্রবীর বিকাশ সরকার

জন্ম ১৯৫৯ সালে। সাহিত্যচর্চার শুরু ১৯৭৬ সালে। জাপানে গমন ১৯৮৪ সালে।
‘বাংলাদেশ সোসাইটি জাপানে’র সাংস্কৃতিক এবং প্রকাশনা সম্পাদক (১৯৮৭-৯০)।
‘বঙ্গবন্ধু পরিষদ জাপান শাখা’ গঠনের প্রধান উদ্যোক্তা (১৯৯০)।
‘আড্ডা টোকিও’সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য (১৯৯৪)।
‘সাংবাদিক-লেখক ফোরাম জাপানে’র প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক (১৯৯৮)।
মাসিক ‘মানচিত্র’ প্রকাশ ও সম্পাদনা (১৯৯১-২০০২)।
জাতীয় শিশু সংবাদপত্র ‘কিশোরচিত্র’ প্রকাশ ও সম্পাদনা (২০০৭)।
জাপানের তাকুশোকু বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি গবেষক (২০০৪-৫)।
গিফু মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন দক্ষিণ এশিয়া গবেষণা কেন্দ্র জাপান এর বিশেষ অতিথি গবেষক (২০২০-২১)।
গ্রন্থ : অসংখ্য গ্রন্থের প্রণেতা তিনি। উল্লেখ যোগ্য গ্রন্থগুলো- জানা অজানা জাপান ১.২.৩
খণ্ড, জাপানের নদী নারী ফুল, জাপানে গণিকা সংস্কৃতি, Rabindranath Tagore: India-Japan Cooperation Perspectives, রবীন্দ্রনাথ ও জাপান: শতবর্ষের সম্পর্ক ১.২.৩ খণ্ড, জাপানে রবীন্দ্রনাথ, জাপানি ব্যবসায়ীদের মননে রবীন্দ্রনাথ, সূর্যোদয়ের দেশে সত্যজিৎ রায়, অতলান্ত পিতৃস্মৃতি, কলকাতার স্মৃতিকথা এবং নিহোন গা আজিয়া অ মেজামে সাসেতা (জাপানি)।
সম্মাননা : নিহনবাংলা.কম বিশেষ সম্মাননা ( ২০১৫)
গুনমা, সাইতামা এবং তোচিগি প্রবাসী বাংলাদেশী বিশেষ সম্মাননা (২০১৯)
বিবেকবার্তা বিশেষ সম্মাননা ( ২০১৯)

Facebook Comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।