বাবলী হকের রম্যগদ্য: সলিটারি থেকে মিলিটারি

কল অন-এ হাতেখড়ি

কর্তা অফিস থেকে ফিরে বলল, আজ সন্ধ্যায় কমান্ডিং অফিসারের বাড়ি ফর্মাল কল অন-এ যেতে হবে। ফর্মাল শব্দটি একটু টেনে জোর দিয়ে বলল। শুনে ঘাবড়ে গেলাম। আমার তো ফৌজিদের সব কিছুকেই ফর্মাল মনে হয়। উঠা-বসা, খাওয়া-পরা সবই নিয়মের তালে তালে চলা। ঝড়-বৃষ্টি, শীত-গ্রীষ্ম সপ্তাহে পাঁচদিন, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত একই রুটিন। নিয়মের বাইরে যাওয়া চলবে না। ব্যতিক্রম শুধুমাত্র শীতকালীন ‘উইন্টার কালেক্টিভ ট্রেনিং’– এর একমাস মাঠে-ময়দানে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলার সময় ছাড়া। এক-এক সময় তো মনে হয় আমি নিজেও যেন ঘরের ভিতর সারাক্ষণ লেফট-রাইট করছি। খাবার সময় যদি বলি,
–’ডালের বাটিটা একটু এগিয়ে দাও তো।’ কর্তা ডালের বাটি টেবিলে খুঁজতে থাকে। অবাক হয়ে বলি, –’তোমার ডানদিকে ডালের বাটি দেখতে পাচ্ছ না?’
গম্ভীর মুখে উত্তর দেয়,
–’খাবার সময় ডানে-বাঁয়ে তাকানোর নিয়ম নেই। অন্যের প্লেটের দিকে তাকানো অভদ্রতা।’
টেবিল ম্যানার্স বলে কথা! খাবার সময় কাঁটা-চামচ ব্যবহার করবে কিন্তু কোনো শব্দ হবে না। খেতে খেতে উচ্চস্বরে কথা বলা যাবে না। প্রয়োজনে পাশে বসা মানুষের সঙ্গে কথা বলা যায়, কিন্তু ক্রস টক করা যাবে না। হাসাহাসি করা চলবে না। মুখ বন্ধ রেখে খাবার চিবোতে হয়, শব্দ হবে না। হাড্ডি চিবানো চলবে না। এতসব নিয়ম-কানুন! কিন্তু মুশকিল হল আমি খাবার টেবিলে কর্তার মুখোমুখি বসি। খাবার টেবিলে ক্রস টক করা না গেলে কথা বলব কখন? আমার যে আবার সব কথা খাবার টেবিলেই মনে পড়ে!

আজ কর্তা নিজে বলছে, ফর্মাল কল অন। বলে-কয়ে ফর্মাল! না জানি বিষয়টা কেমন হবে! মাথায় একটু দুষ্টামি বুদ্ধি খেলে গেল। কর্তাকে জিজ্ঞেস করলাম,
–’শোনো তোমাদের ‘কাস্টমস অ্যান্ড এটিকেট’ বইয়ে ফর্মাল কল অন-এ পোশাকের রং কী হবে, কী ভাবে বসতে হবে, কেমন করে কথা বলতে হবে সেটাও কি লেখা থাকে?
কর্তা আমার খোঁচাটা ধরতে পারল না।
বরং নিয়ম-নীতি বিষয়ে আমার ঔৎসুক্য দেখে খুব উৎসাহের সঙ্গে বলল,
–’লেডি ওয়াইফদের জন্য সে রকম কোনো নিয়ম নেই। তুমি যে-কোনো ডিসেন্ট কালারের শাড়ি পরতে পারো। তবে এখানে রাতে সবাই ডার্ক কালার পরে। আর অফিসারকে পরতে হবে ডার্ক ট্রাউজার, লাইট কালার ফুল স্লিভ শার্টের সঙ্গে ডার্ক টাই। কালো অক্সফোর্ড স্যু-এর সঙ্গে কালো মোজা। আর শীতকাল হলে লাউঞ্জ স্যুট।’
নিশ্চিত হলাম। যাক আমার পোশাক-আশাকের উপর তেমন কোনো বিধিনিষেধ নেই। ডিসেন্ট হলেই চলবে। যদি বলা হত ইন্ডিগো শাড়ির সঙ্গে শকিং পিঙ্ক ব্লাউজ পরতে হবে তাহলে এইবেলা মুশকিলে পড়ে যেতাম। এই মুহূর্তে আমার ওয়ার্ড্রোবে এসব রঙের শাড়ি ব্লাউজ নেই। আর মার্কেট থেকে কিনে আনার সময়ও নেই। তবে ফৌজে সব ব্যবস্হা হয়ে যায়। ফৌজি ভাষায় ‘পয়দা’ হয়ে যায়! এই কয়েকদিনে এটুকু অন্তত বুঝে ফেলেছি।
ফর্মাল ভিজিটের কথা শোনার পর থেকেই মাথায় একটার পর একটা ভাবনা আসছে। বিয়ের পর এই প্রথম ফর্মাল ভিজিটে যাচ্ছি, কোথাও কোনো বিধিনিষেধ আছে কিনা সেটা ভালো করে জেনে নেওয়া দরকার। লাস্ট মোমেন্ট সাজেশ্যনস জানতে চাইলাম,
–আচ্ছা, তোমার সিইওর ওয়াইফের সঙ্গে আমিও কি ফর্মাল কথা বলব ? কী বিষয় নিয়ে কথা বলব?
কর্তা আমার দিকে এমন ভাবে তাকাল, যেন আমি ক্লাসের সেই মনোযোগী ছাত্রী, যে প্রশ্ন করলে শিক্ষক তার দিকে প্রশংসনীয় দৃষ্টিতে তাকান। বলল,
–গুড কোশ্চেন! যে কোনো বিষয়ে কথা বলতে পার, তবে খুব সাবধান ধর্ম, রাজনীতি এবং নারীদের নিয়ে কোনো আলাপ করা চলবে না।
মাথাটা গুলিয়ে গেল। আমি একজন নারী হয়ে নারী বিষয়ে কথা বলতে পারব না! তাহলে আমি কি পুরুষদের নিয়ে কথা বলব?
আরো কিছু জানতে চাওয়ার আগেই কর্তা চলে গেল লাঞ্চের পর ছোট্টো ন্যাপ নিতে। প্রতিদিনের মতো যথারীতি ন্যাপ সেরে চলে যাবে গেমস-এ।

দেখলাম গেমস থেকে ফিরে কর্তা দ্বিতীয়বার দাড়ি কামাচ্ছে। জিজ্ঞেস করি, ‘এটাও কি নিয়ম?’
কর্তা একটু হেসে গালে হাত বুলিয়ে বলল,
– ‘এই আরকী! কল অন বা পার্টি থাকলে আরেকবার শেভ করতে হয়!
–’আর দাড়ি থাকলে?’
–’তাহলে তো ঝামেলাই নাই। কোনো বেলাতেই শেভ করতে হবে না। তবে দাড়িও ট্রিম করতে হয়!’

কর্তা নিজে তৈরি হয়ে আমাকে দুবার তাড়া দিয়ে গেল,
–’কই তোমার হল? সময়মতো কিন্তু পৌঁছাতে হবে!’
জানতে চাইলাম,
–’কতক্ষণ লাগবে আমাদের বাড়ি থেকে তোমার সিইওর বাড়ি যেতে ?’
–’এই পনেরো থেকে কুড়ি মিনিট। ঠিক কুড়ি মিনিট আগে আমরা বেরিয়ে পড়ব।’
কর্তার সবটাই যে ঘড়ি ধরে চলা। আমিও শাড়ি, ব্লাউজ, ম্যাচিং স্যান্ডেল সব গুছিয়ে রেখেছি। রাতদিন চোখের সামনে কর্তাকে এ-সবই তো করতে দেখছি! কিছুটা হলেও অনুসরণ তো করতে হয়!
সময় মতো সেজেগুজে দুজনে তৈরি। ইউনিট থেকে অন পেমেন্ট গাড়ি চলে এসেছে। গাড়িতে বসতে গিয়ে বুঝলাম গাড়িতে বসারও নিয়ম আছে। জিপের সামনে ড্রাইভারের পাশে একজন বসতে পারবে। দুজনের বসা চলবে না। কর্তা বলল,
–’তুমি সামনে বসো।’
আমার অতসব নিয়ম-নীতি জানা নাই। বললাম,
–’দুজনেই তো সামনে বসতে পারব। যথেষ্ট জায়গা রয়েছে।’
–’দুজনে সামনে বসার নিয়ম নাই।’ বললাম,
–’তাহলে তুমি সামনে বসো। আমি পিছনে বসি।’
–’ইউনিফর্ম পরা থাকলে আমাকে অবশ্যই সামনে বসতে হত। শাড়ি পরে পিছনে উঠতে তোমার কষ্ট হবে, তুমি সামনে বসো। আমি পিছনে বসছি।’

সব কিছুই ঠিকঠাক চলছিল। ঝামেলাটা বাঁধল সিইওর বাড়ির দোরগোড়ায় পৌঁছে! আমরা সময়ের আগে পৌঁছে গিয়েছি। গাড়ি থেকে নামার আগে কর্তা ঘড়ি দেখে বলল, –’থামো। এখনই ভিতরে যাওয়া চলবে না। আরও কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। এখনো সাতটা বাজতে সাত মিনিট বাকি!’
অসহায় কণ্ঠে বললাম,
–’তাহলে এতক্ষণ গাড়িতে বসে থাকব?
আমার ভাবখানা এমন, সাত মিনিট তো নয় যেন সাত ঘণ্টা!
–’না, বাড়ির সামনে গাড়িতে বসে থাকাটাও ভালো দেখায় না।’
পূর্ব অভিজ্ঞতার আলোকে কর্তা এই পরিস্থিতি সামাল দিল! ড্রাইভারকে বলল,
–’জাহাঙ্গীর গেট পর্যন্ত একটা চক্কর দিয়ে আসো।’
সাতটা অথবা পাঁচ-সাত মিনিট পর প্রবেশ করা চলবে কিন্তু সাত মিনিট আগে প্রবেশ করা যাবে না। এতদিন দেখে এসেছি দর্শক সিনেমা হলে এরকম ঘড়ি ধরে প্রবেশ করে। সেখানেও পাঁচ-সাত মিনিট আগে গেলে সমস্যা হয় না। পরে গেলে অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে সিটে বসতে হয়! কারও বাড়ি গেলেও যে পাঁচ-সাত মিনিট হিসেব করে অন্দরে প্রবেশ করতে হয়, এই প্রথম জানলাম। জানা ও শেখার কোনো শেষ নাই।

যাইহোক অবশেষে সাতটা দশে গাড়ি এসে আরেকবার দাঁড়াল সিইওর বাড়ির সামনে। এবার আমিও হাতের ঘড়ির দিকে তাকিয়ে আছি। কর্তা চটজলদি গাড়ির পিছন থেকে নেমে এসে বলল,
–’চলো চলো সময় হয়ে গিয়েছে।’
এতকাল টেনশন নামক রোগটি আমার ছিল না। এমনকী পরীক্ষার সময়ও কখনো কোনো টেনশন করিনি। দিব্বি আগেরদিন সিনেমা দেখেছি। বন্ধুরা বলত,
–’কী রে তোর টেনশন হয় না?’
কিন্তু আজ টেনশন নামক ব্যামোটির আগমন বার্তার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে আমার মধ্যে, এই পাঁচ-সাত-দশ মিনিটের হেরা-ফিরি দেখে। বুকের ভিতর ঢিপ-ঢিপ শুরু হয়েছে। যাইহোক লম্বা লম্বা শ্বাস টেনে নিজেকে সুস্থির করলাম।

স্টাফরোডের ছিমছাম বাড়ির লন পেরিয়ে আমাদের দুজনের গৃহপ্রবেশ ঘটল। সাড়া পেয়ে ব্যাটম্যান ড্রইংরুমের দরজা খুলে দিল। ভাবছিলাম সিইও কি ফর্মাল পোশাকে থাকবে? না সেরকম কিছু দেখলাম না। হোস্ট-এর পরনে ট্রাউজার আর হাফশার্ট।
সিইও ঘরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে কর্তা স্প্রিংয়ের পুতুলের মতো বুকটান করে ‘স্যার’ বলে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গেল। কর্তার দেখাদেখি আমিও দাঁড়িয়ে পড়লাম। কর্তার সঙ্গে সিইও হ্যান্ডশেক করতে করতে আমার দিকে ফিরে বললেন,
–’ভাবি বসেন, বসেন।’
আমার বুকের ঢিপঢিপানি তখনও চলছে। ড্রইংরুমের স্বল্প আলোয়,
খুব নিচু স্বরে ইংরেজি-বাংলা(বেশির ভাগ ইংরেজি) মিশিয়ে দুজনের কথোপকথন চলছে। আমি উলটা দিকের একটা সোফায় বসেছিলাম বলে আমার কানে শুধু প্রতি বাক্যের শুরুতে এবং শেষে স্যার, স্যার ছাড়া আর কোনো শব্দই পৌঁছাচ্ছিল না। সিইও যখন কথা বলছেন তখনও কর্তা তাঁর কথার ফাঁকে ফাঁকে স্যার, স্যার করে যাচ্ছে। আমি চিন্তিত হয়ে পড়লাম। আমাকেও কি এমন স্যার স্যার, ম্যাডাম, ম্যাডাম করে কথা বলতে হবে? এটা তো কর্তা আমাকে আগে বলেনি। আমারও জিজ্ঞেস করা হয়নি। নাহ্! হোমওয়ার্ক আরও ভালো করে করা উচিত ছিল! কিন্তু সময় পেলাম কোথায়! অফিস থেকে ফিরে জানাল ফর্মাল কল অন। হাতে মাত্র তিন-চার ঘণ্টা। এর মধ্যে কখন আমি সাজগোজ করব আর কখনই বা নিয়ম-কানুন বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করব! এসব আবোলতাবোল ভাবছি আর ছিমছাম সাজানো ড্রাইংরুম দেখছি। ইতিমধ্যে সরবে ম্যাডাম ঢুকলেন।
–’এ কী সোলেমান ভাবি, আপনি একা বসে বোর হচ্ছেন! আর তোমরা দুজনে অফিসের আলাপ শুরু করে দিয়েছ?’
আমি চারপাশে তাকালাম। আশেপাশে আমরা তিনজন ছাড়া তো আর কেউ নেই। তাহলে উনি কাকে সোলেমান ভাবি বলে সম্মোধন করলেন?
পরমুহূর্তেই বুঝতে পারলাম আমার কর্তাটির নামের সঙ্গে ভাবি জুড়ে উনি আমাকেই বলছেন। তাই তো উনি যে আমার নাম জানেন না! কী বলে সম্মোধন করবেন! কর্তাকে হয়তো আগে থেকেই চেনেন। তাই কর্তার নামের সঙ্গে ভাবি যোগ করে আমাকে সম্মোধন করলেন।
ম্যাডামের পিছু পিছু ট্রলি ভর্তি চা- নাস্তা এলো। উনি আমার পাশে বসে সস্নেহ এটা-সেটা প্লেটে তুলে খাওয়ালেন। খুবই মাইডিয়ার প্রকৃতির মানুষ! আমার সঙ্গে কথা বলার ফাঁকে ফাঁকে কর্তার সঙ্গেও কথা বলছেন,
–’ভাই, আপনি তো দেখছি কিছুই খাচ্ছেন না। আরেকটা মিষ্টি নিন।’
এতক্ষণে আমার বুকের ঢিপঢিপানিও থেমেছে ম্যাডামের ইনফর্মাল আন্তরিকতায়! কর্তা সেই দুপুর থেকে ফর্মাল বলে বলে কী ভয়টাই না দেখিয়েছিল! কিন্তু একটা বিষয়ে আমার মনের খুঁতখুঁত ভাবটা কাটছে না। ম্যাডাম যে এখনো আমার নাম জিজ্ঞেস করছেন না। ভাবছি আমি কি নিজেই বলব? এক পর্যায়ে কথার মাঝে আমার নাম বললাম। শুনে মিষ্টি করে হাসলেন ম্যাডাম। বললেন,
–’বাহ্! ভারি আদুরে নাম! কিন্তু এখানে সবাই স্বামীর নামেই পরিচিত হয়। এই যে আমি, সবার কাছে সিইও ভাবি না-হয় মিজান ভাবি নামেই পরিচিত। আমার নিজের হাসনাহেনা নামটি আর্মিতে কেউ জানেই না।’
বুঝতে পারলাম আমার পৈতৃক নামটি ফৌজি মহলে কোনোদিনও পরিচিতি পাবে না। কাগজে কলমে থাকবে, কিন্তু আর্মির ভাই-ভাবিগণ আমাকে বাবলী নামে চিনবে না। সোলেমান ভাবি হিসেবেই চিনবে।
বাড়ি ফিরে কর্তাকে বলতেই বলল,
–’কাস্টমস অ্যান্ড এটিকেট’-এ এমন কোনো নিয়ম নেই। এটি আমাদের এখানে প্রচলিত হয়ে গিয়েছে। আজ এত বছর পরেও আর্মিতে আমি সোলেমান ভাবি!

 

বাবলী হক

বাবলী হকের জন্ম  পঞ্চাশের দশকে ঢাকা শহরে। শৈশব ও কৈশোর কেটেছে পুরোনো  ঢাকায়। কৈশোর থেকে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লিখেছেন। ছোটোদের পাতায় ছড়া ও কবিতা দিয়ে শুরু। সত্তর দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালী সাহিত্য পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে বের হয় প্রথম উপন্যাস। তারপর চলে গিয়েছিলেন অন্তরালে।  দীর্ঘ তিরিশ বছর পর ২০১৫ তে স্মৃতির পটভূমিতে লেখা দ্বিতীয় উপন্যাস ‘আম্বিয়াদাদি ও তার বিড়ালেরা’। আবার ফিরে এলেন লেখালেখির জগতে। ‘অষ্টপ্রহর আনাগোনা’ তাঁর তৃতীয় উপন্যাস। শুরুটা কবিতা দিয়ে হলেও  তিনি মূলত গদ্য লেখেন কিন্তু কবিতা পড়তে ভালোবাসেন। প্রিয় কবির তালিকাও দীর্ঘ।  প্রিয় লেখক হাসান আজিজুল হক, সেলিনা চৌধুরী ও কবিতা সিংহ। বৃষ রাশির জাতিকা এই লেখকের শখ—ভ্রমণ ও বাগান করা।

Facebook Comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।