আনোয়ারা সৈয়দ হকের কবিতা: জীবনের দুর্বিনীত মেয়ে

সাবেরা তাবাসসুম

“এক জীবনেরই ফাঁকে অনেক জীবন

একটি পুড়লে পরে আরও কটি থাকে,

যদিও একটি আমি নরকে ঠেলেছি

আরও কটি দূর থেকে হাত দিয়ে ডাকে!”

                                                  অনেক জীবন

                                                  আনোয়ারা সৈয়দ হক

এক জীবনে অনেক জীবনের রস আস্বাদন খুব সহজ নয়। যেখানে একটি জীবনের হিসাব-নিকাষ নিয়ে জীবনধারীর জের-বার অবস্থা, সেখানে অনেকের স্বাদ বুঝে নেবার সময়, ঘরকুনোর শ্রবণে বহু দূরের হ্রেষাধ্বনি যেন, যা কেবল ক্ষণিকের রোমাঞ্চ জাগায়। তবে এক মানবজনমে অনেক জীবনের দেখা পান কেউ কেউ। তাদের আমরা বলি কবি, সাহিত্যিক। বলি শিল্পী।  মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, কলাম লেখক, কবি, ঔপন্যাসিক  আনোয়ারা সৈয়দ হক সেই বিরল মানুষদের একজন যিনি এক জীবনের ফাঁকে বহু জীবনের সন্ধান পেয়েছেন। যা তাঁকে দেখিয়েছে তমসাঘন রাত্রির অমসৃণ উদ্বেগ, দিয়েছে আলোর জলে উষ্ণ স্নানের আরাম। বেশ ক’ দিন ধরেই আমার দেখা হচ্ছে কবি আনোয়ারা সৈয়দ হকের সাথে মানে তাঁর কবিতাগ্রন্থ ‘মেয়ে হয়েছি বেশ করেছি’-র সাথে। এই বইটির পৃষ্ঠা জুড়ে এই দেখা হওয়ার, তাঁকে চিনে নেয়ার পর্বগুলো লিখতে বসলাম পাঠককে উদ্দেশ্য করে।

‘মেয়ে হয়েছি বেশ করেছি’ কবিতাগ্রন্থটি কবি উৎসর্গ করেছেন তাঁর নারী পাঠককে। চার ফর্মার এই বইটি প্রকাশিত হয়েছে ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। কবিতাগ্রন্থের নাম ও উৎসর্গপত্র পাঠককে পষ্ট আভাস দেয় কবিতার বিষয়বস্তু সম্পর্কে। বইটিতে নারী জীবনের বঞ্চনা, প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের গল্প পাই আমরা কবির ছন্দবদ্ধ বয়ানে। প্রায় প্রতিটি কবিতা যেন একেকটি পূর্ণাঙ্গ গল্পের আধার। শুরুটা হচ্ছে নারীর নিপীরণের ছবি দিয়ে। তারপর এর প্রেক্ষিতে নারীর অবস্থানের ব্যাখ্যা। সব শেষে এই অবরুদ্ধ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসা তথা অমিত সম্ভাবনার আহ্বান। নমুনা দিচ্ছি। ভালো লাগা একটি কবিতা, দুর্বার পুণ্যের মতো করে তোলো পাপ—

বোরকার ছিদ্র দিয়ে দেখে গেলে জীবনের ছায়া

কবরে নামার আগে দেখে গেলে জীবন্ত কবর,

ফেলে দিয়ে অচেনার নোনা জলে পায়ের নূপুর

ভালো হয়ে থেকে গেলে মানুষজীবন।   

…………………………..

জীবনের অর্থ নেই যদিনা বাসনা মেলে রাখো,

যদিনা ছড়িয়ে দাও যৌবনের রক্তরাঙা ফুল

বোরকার ভেক ছেড়ে যদিনা অচিরে জেগে ওঠো,

দুর্বার পুণ্যের মতো করে তোলো যাবতীয় পাপ।

                                  দুর্বার পুণ্যের মতো করে তোলো যাবতীয় পাপ (২০০৮)

অক্ষরবৃত্তে কবি উপহার দিয়েছেন তার অনুভব উপলব্ধি। এই ছন্দের বুনোটে কবিতার বারতা পাঠকের মনে মননে গেঁথে যায় পাকাপাকি ভাবেই। কাছাকাছি অনুভূতির ভিন্ন রকমের প্রকাশে আরেকটি কবিতাংশে চোখ বুলিয়ে আসি—

মাগো, তোমাকে দেখেই শিখেছি

প্রতিবাদী না হলে

কীভাবে বুড়িয়ে যেতে হয় অকালে।

কীভাবে মাগো, অন্ধকূপ রান্নাঘরে

ঝুলকালি মাকড়শার দাঁড়ার আলিঙ্গনে

বদ্ধ হয় জীবন

…………………………..

তাইতো মা, তাইতো আজ আমার মুখের গহ্বরে

আগুনের গোলা, যাকে বলে বাক্যরাশি

আর চুলের ঝাঁপিতে কেউটের ফণা

ছোবল দেবে বলে প্রস্তুত

তাইতো আজ আমি প্রতিবাদী মা,

তোমার দুর্বিনীত মেয়ে।

                    তোমার দুর্বিনীত মেয়ে (২০০৩)

এই বইটিতে গ্রন্থিত কবিতাগুলোর রচনার কাল ১৯৮৮ থেকে ২০১১। লক্ষ্য করলে পাঠক দেখতে পাবেন এই দীর্ঘ ১৩ বছরের কবিতাগুলোয় প্রকাশের ভিন্নতাও গুরুত্বপূর্ণ মাত্রা লাভ করছে। মেয়ে হয়েছি বেশ করেছি শিরোনামে ১৯৮৯ সালে স্বরবৃত্তে রচিত যে কবিতাটি এ বইটিতে গ্রন্থিত সেটি পাঠককে একরকমের আবেদন উপহার দেয়। আবার ২০০৮-এ অক্ষরবৃত্ত ও গদ্যের মিশেলে রচিত ভস্মই জীবন কবিতাটির মাত্রা পাঠকের চেতনাকে আরেক উচ্চতায় নিয়ে যায়। চলুন, পাঠ করে দেখি—

মেয়ে হয়েছি বেশ করেছি

তোমার তাতে কি!

মেয়ে হয়েছি বেশ করেছি

চুলটা বেঁধে নি।

…………………

মেয়ে হয়েছি বেশ করেছি

মেয়ে আরো হবো

একটা দুটো তিনটে আকাশ

ইচ্ছে মতো ছোঁবো।

                  মেয়ে হয়েছি বেশ করেছি (১৯৮৯)

 

জ্বলন্ত ফার্নেস ছিলাম একদিন

সেখানে উড়ছে ছাই

উড়ছে, উড়ছে ছাই, নরকের ছাই,

জীবনের ছাই, আশাভঙ্গের ছাই,

ছাই মাখা শরীর আমার

আবারও হয়েছে ছাই

মহাদেবের কন্যা আমি

ভস্মে পেয়েছি জীবন,

যেহেতু ভস্মই জীবন!

                   ভস্মই জীবন (২০০৮)

আনোয়ারা সৈয়দ হকের এই বইটির কবিতা একই সাথে গভীর এবং উচ্চকিত। বিষয়ের প্রয়োজনে কখনো গলা চড়াচ্ছেন, আবার গভীর বোধের জায়গায় মন্দ্রস্বরে বেদনার্ত গানটি শুনিয়ে যাচ্ছেন। যেহেতুএই কবিতাগ্রন্থটি বিশেষ পাঠকশ্রেণির জন্যে উৎসর্গ করেছেন, তাই বেদনার চেয়ে বঞ্চনার দীর্ঘ ইতিহাস, তার পুনর্পাঠ এবং তার ক্ষমতাজাল থেকে বেরিয়ে আসার প্রত্যয়ে কবিতার কণ্ঠস্বরকে বলীয়ান করেছেন কবি।

মেয়ে হয়েছি বেশ করেছি কবিতাগ্রন্থটি পাঠে পাঠকের মনে পড়ে যেতে পারে ২০১১-য় প্রকাশিত কবি আনোয়ারা সৈয়দ হকের আত্মজীবনী ক্ষুব্ধ সংলাপ-এর কথা। নিজ জীবনে শৈশবে কৈশোরে তারুণ্যে ঘটে যাওয়া বঞ্চনা ও নিপীড়নের ইতিহাসের সাথে এই কবিতাগ্রন্থটির বিষয় সাজুয্যের দিকটি অনভিপ্রেত মনে হবার কারণ নেই। নিজের জনক-জননীর উদ্দেশ্যে লিখিত কবিতাটি পাঠ করলে ক্ষুব্ধ সংলাপের ধারাবাহিকতার কথা মনে হতে পারে পাঠকের। কী অপরিসীম বেদনার অনুভূতি নিয়ে মাকে উদ্দেশ্য করে কবি লিখছেন—

………………….

মাথা পেতে নিয়েছিলে মারপিট আমৃত্যু শাসন

যেন ক্রিতদাসী ছিলে তুমি আফ্রিকার

হাহাকার বুকে নিয়ে কাটিয়েছো রাত্রি দিন কতো

আঁকড়ে রেখেছো তবু সংসারের ধুলোবালিটুকু

 

পৃথিবী ছেড়ে গেছো কত দিন আগে

আবার কি সাজিয়েছো দাসীর সংসার

স্বপ্নগুটি খুলে নিয়ে  সাজিয়েছো সোনার নাটাই

শান্তিবেড়া দিয়ে ঘেরা আঙিনায়

আকাশের ওপারের মা আমার আজও হাহাকার?  

                                     আশা করি ভালো আছো, মা (২০০১)   

ক্ষুব্ধ সংলাপ বইটিতে আনোয়ারা সৈয়দ হক নির্বিকার ও অনায়াস ভঙ্গিতে জীবনের বৈরীতা ও তার লড়াইয়ের অমীমাংসিত গল্প বলেন। গল্পের পরেও যেন উত্তর বাকি থাকা প্রশ্নমালা একদৃষ্টে চেয়ে থাকে। কখনো পাঠকের দিকে। কখনো স্বয়ং লেখকের দিকে। মেয়ে হয়েছি বেশ করেছি কবিতাগ্রন্থের কবিতাগুলো যেন সেই অপলক নির্বাক দৃষ্টির বিপরীতের শাণিত উত্তর।

আনোয়ারা বেগম চৌধুরী। এই নামে শুরু। এটা সেই শুরু যেটা শরীরী জন্মের পর, পিতা-মাতার নামকরণের পর,  বৈরী শৈশবের ভেতর লড়াই করে স্বতন্ত্র মানুষ হিসেবে বেড়ে ওঠার প্রক্রিয়ার একটা প্রবল অংশ হিসেবে চিহ্নিত। এই নামেই তিনি প্রথম লিখেছিলেন গল্প । ছাপানো হয়েছিল ইত্তেফাক পত্রিকার কচিকাঁচার আসরে ১৯৫৫ সালে। পরে অন্য পদবীর আড়ালে নামের অংশ ঢাকা পড়লেও তার লেখনী স্বমহিমায় হয়েছে আরো তেজস্বী আরো স্বতন্ত্র।  যশোর থেকে তার শিক্ষা ও বিকাশের শুরু। তারপর ঢাকা। তারও পরে লন্ডন। দেশে বিদেশে নানা শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ লাভ এবং সেবাদানের মধ্য দিয়ে  তাঁর ভাবনা ও চিন্তার জগৎ পেয়েছে প্রসারতা। প্রবল পাঠানুরাগ ও পাঠাভ্যাস এবং ব্যক্তিজীবনে নারীর বঞ্চনার সুদীর্ঘ ইতিহাস তাঁকে দিয়েছে বোধের গভীরতা। কবিতায় বলেছেন, বোধের শুরুতেই জেনে গেছেন নারীরা কোথাও নেই। এই রাষ্ট্র-রাজনীতি-সমাজ-সংসার কোথাও নারীর কাঙ্ক্ষিত জায়গাটি নেই। তাই নিজের জায়গা তৈরি করাটাকে খুব জরুরি মনে করেছেন। নির্বাকের মুখে ভাষার যোগানের তাগিদ অনুভব করেছেন তিনি। কবি বলেছেন—

নারীদের কথা বলো

সেইসব নারীদের কথা বলো

যারা খাটিয়ায় শুয়ে আছে বহুকাল ধরে

চক্ষুহীন কোটরের গুহায় যাদের অগ্নিক্ষুধা

পিতামহের পাপের ফসল যারা নির্দ্বিধায়

বহন করেছে যুগ যুগ ধরে

                       নারীদের কথা বলো (২০০৩)

কাউকে ভাষা দেয়ার কাজটি বড় শক্ত। উভয়ের অংশগ্রহণ না হলে তা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। তবু এই কঠিন কাজটি একজন কবি হিসেবে, নারী হিসেবে তিনি করে চলেছেন। কবিতার শক্তিতে তিনি বুনে দিয়েছেন বিষয় ও ভাবনা বৈচিত্র্যের পরিপুষ্ট বীজ। তাই আবারো বলতে হয়, আনোয়ারা সৈয়দ হকের কবিতা জোরালো। শক্তিশালী। যেন সুলতানের আঁকা কিষাণী-গৃহি রমণী। নারীর অন্তর্জগৎ ও বহির্জগতের বলশালী রূপটি যেখানে গৌণ নয়। কেবল নিষ্পেশনের চেহারা নয়, লড়াইয়ের প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ এখানে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।

আনোয়ারা সৈয়দ হকের কবিতাগুলো প্রথমত দারুণ কবিতা! দ্বিতীয়ত চূড়ান্ত আধুনিক কবিতা যেখানে ভাবালুতার জায়গা কম। যা সংযত, মননশীল এবং আবেগের রাশ টেনে ধরার জন্যে যথেষ্ট মজবুত। তৃতীয়ত, এ সকল বৈশিষ্ট্য এবং নির্ধারিত বিষয়ের কারণে কবিতাগুলো নারীবাদী কবিতার অভিধা পায়। এই ধারাটি কবিতার ইতিহাসে একটি বিশেষ জায়গার দাবী রাখে অবশ্যই। তবে এসব পরের বিষয়। আগে পাঠকেরা দারুণ শক্তিশালী  কিছু কবিতার সাথে পরিচিত হবেন, সেটি নিশ্চিন্তে বলা যায়। এবং সেটিই সবচাইতে জরুরি। কবিতাকে দাঁড়াতে হয় মূলত কবিতার গুণেই।

এত নিপীড়ন, অসহযোগিতার অভিজ্ঞতার পাশাপাশি নারীর প্রেমের অনুভব ও বেদনার দিনলিপিও নিবিড় পরিচর্যায় আনোয়ারা সৈয়দ হকের কলমে মূর্ত হয়েছে। বিশুদ্ধ অক্ষরবৃত্তে কবি গাইছেন—

সে কোন ছেলেবেলায় তুমি এসে দিয়েছিলে ডাক

অবোধ বালিকা আমি ছুটে এসে দাঁড়ালাম কাছে

কোঁচড় ভরিয়ে দিলে ফুলের সুবাসে

সে কথা গোপন আছে আজীবন গোপনই তা থাক।

………………………………………..

একবার এসে কাছে ডাক দাও আরও একবার

পূর্ণতার প্রান্ত ধরে একবার দাও শুধু টানÑ

সকল বেদনা আমি মেলে দিই সকালের রোদে

অঘ্রাণের ধানগুলো ভরে দিক সুগন্ধ হৃদয়।

                                সুগন্ধ হৃদয় (১৯৯৯)

এই আবেদন চাপা পড়ে যায় ফিরিয়ে নেয়া মুখের ভাঁজে, মাথা নিচু অপারগতায়। অসহযোগিতায়। জীবন যেখানে শোকগ্রস্ত, নিশ্চুপ—

কতো, কতো দিন আমি চলে গেছি গভীর অতলে,

কতো, কতো রাত আমি শুনে গেছি ব্যাঘ্রনাদ সেই

উত্তপ্ত ময়ূখে আমি বুনে গেছি কতো দুঃখকাঁথা

কতো কাদা মেখে পার হয়েছি পুরীষ।

………………………………………..

জীবন আমার কাছে শোকার্ত শিরীষ

শীতের আগুনে যার ডাল পুড়ে গেছে।।

                              শোকার্ত শিরীষ

শেষমেশ বোধের কাছে কবিতাকে ফিরে আসতে হয় বলেই বেদনার পংক্তিগুচ্ছের চারপাশে আমাদের ঘুরে মরা। জয় নয় পরাজয় নয়, কেবল দেখে যাওয়ার, স্মৃতি রেখে যাওয়ার হাহাকার গান অমিত স্বরে গীত হয় কবিতায়—

এখনও সাঁতার কেটে আমি চলে যাই বহুদূর

এখনও ট্রেনের স্লিপারে রেখে পা

চলে যাই রূপগঞ্জ বা যশোর

এখনও চাঁদনী রাতে আমি

গাছের শিকড় ধরে দিতে পারি টান

……………………………………

তবুও গেরুয়া এক ধূসরতা আমাকে তাড়ায়

তবু নীলাভ এক অন্ধকার আমার সত্তায়

চৈতন্যের অহংকারে কেন এত ফাটলের শোক?

জীবন ক্রন্দন করে কেন, এত কেন?

                                   জীবন ক্রন্দন করে কেন (২০১১)

নিমগ্ন কবিতার দেখা পাই বলে, নারীর জীবন ও সংঘর্ষ নির্ভর কবিতার সাক্ষাৎ লাভের সুযোগ হয় বলে, মেয়ে হয়েছি বেশ করেছি’ আদ্যোপান্ত একটি জীবন্ত কবিতার বই। কবি যদিও বইটি উৎসর্গ করেছেন নারী পাঠককে,  পুরুষ কিংবা  রূপান্তরকামী পাঠকের জন্যেও বইটি সমান গুরুত্ব বহন করে বলে আমার মনে হয়েছে। মানুষের মানবিক হওয়ার সংকেত-আহ্বান রয়েছে কবিতাগ্রন্থটিতে যা একজন প্রকৃত কবিতার পাঠককে নাড়া দেবেই। সকলকে পড়ার আমন্ত্রণ রইল। কবি আনোয়ারা সৈয়দ হকের কাছ থেকে এমন নির্মেদ নির্জলা নির্ভার কবিতাগুচ্ছের অপেক্ষায় রইলাম আমরা। ভালোবাসা।

 

সাবেরা তাবাসসুম


কবিতা লেখা শুরু পিতা মোঃ সাইদুল হক ভুইয়ার অনুপ্রেরণায়। পড়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগে। এ পর্যন্ত প্রকাশিত বই ১৪টি। ১৩টি মৌলিক কবিতা এবং একটি হিন্দী ও উর্দু কবি গুলজারের কবিতার অনুবাদ-গ্রন্থ। একমাত্র পুত্রকে নিয়ে বেশিরভাগ সময় কাটে। চলচ্চিত্রের প্রতি রয়েছে তীব্র টান। সবকিছু্র বাইরে কবিতাই সাবেরার আরাধ্য ভূমি, পাশাপাশি অনুবাদ ও মুক্ত গদ্য লেখা তো আছেই।

Facebook Comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to Top