সুধাংশু শেখর বিশ্বাসের ভ্রমণ গল্প: দশরথের ঢোল

দশরথকে চিনতাম না আমি। নামও শুনি নি কখনও। এককালে সংস্কৃতি জগতে একটু আধটু বিচরণ ছিল বটে আমার। ছাত্রজীবনে ‘উদীচী’, ‘খেলাঘর’ …

নাভিদ চৌধুরীর ভ্রমণগদ্য-২: আতলান্তেরর মিতা ও মিতালি

পাবলো কফি নিয়ে এসে বসেছে আমার পাশে, বলে ওলা। কমসতাস? (কেমন আছো?)! মুই বিয়েন (আমি ভালো) , বলেই আমি হাসতে …

সেলিম জাহানের মুক্তগদ্য: শেষ বিকেলের মেয়ে

চাবি দিয়ে ঘরের দরজা খুলতেই চমকে গেলাম। আলো উদ্ভাসিত ঘর— না, চড়া আলো নয়, বিকেলের নরম পড়ন্ত রোদের মোলায়েম আলো …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা  ফুল ভলিয়্যুমে রেডিও বাজার শব্দে একদিন ঘুম ভেঙে যায়। ঘুমচোখে ঠাহর করতে পারি না, এমন …

আঞ্জুমান রোজীর ভ্রমণগদ্য: মায়াবী ছোট্ট শহর ইলোরা

কানাডার অন্টারিও প্রভিন্সের একটি ছোট্ট শহর, নাম তার ইলোরা। এখানে ইলোরা নামে একটি শহর আছে, ভাবতেই পুলকিত হয়ে উঠি। ইলোরা …

দিলারা হাফিজের মুক্তগদ্য: বাংলা ভাষার বানান নিয়ে বারোয়ারি

ভাষা মানুষের প্রাণের সেতু। মনের জানা-অজানা ভাব প্রকাশের অন্যতম বাহন হিসেবে ভাষার কোনো বিকল্প নেই। বলা যায়, ভাষা সৃষ্টির অপূর্ব …

ফেরদৌস নাহারের মুক্তগদ্য: কবিতাই ধর্ম

এই যেখানে পাখিরা উড়ে চলে যায়, যেখানে রাত্রির অভিযান আলোর অক্ষরে লেখা থাকে, সেখানে আমার নাম ঠিকানা লেখা আছে কবিতার …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

সৃজনী কচিকাঁচার মেলা  দৈনিক ইত্তেফাকের ভেতরের পাতায় ‘কচিকাঁচার আসর’ নামে শিশুকিশোরদের লেখা নিয়ে একটা পৃষ্ঠা প্রকাশিত হতো। ওই পাতায় নতুন …

নাভিদ চৌধুরীর ভ্রমণগদ্য-১: মরুদ্যানে কথোপকথন

আমি ধীরে ধীরে ওয়াদি শেতার পাশ ঘেঁষে হাঁটছি। গলু (আমার গাধা, নাম আমারই দেয়া) আনমনে হাঁটতে হাঁটতে এদিক ওদিক তাকাচ্ছে। …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

ছোটকার জেলবাস একদিন ভোরবেলায় উঠে দেখি আম্মা অঝোরে কাঁদছে। অতিরিক্ত কান্নার ফলে আমার অতিরিক্ত গৌরবর্ণা আম্মার নাকমুখ একেবারে রক্তজবা ফুলের …

সেলিম জাহানের গদ্য: তোমাকে দেখতে বড্ড ইচ্ছে করবে

দাপ্তরিক টেবিলের ওপরে ছোট্ট একটা চিরকুট। আমি আস্তে করে হাতে তুলে নিলাম। তা’তে গোটা গোটা অক্ষরে ইংরেজীতে সংক্ষিপ্ত একটি বার্তা …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

ধুসর গোধূলি চানাচুর-ফুকল-আইসক্রীম-সিংগারা-তেঁতুল-অড়বড়ই-আমলকী নিত্য কিনে খেয়ে, বন্ধুদের খাইয়েও আমার হাতে প্রতি হপ্তাতেই কিছু পয়সা উদ্বৃত্ত থেকে যেত। দুই-তিন-হপ্তা বাদেই দেখতাম …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

অচ্ছুৎ অসুখের দিনরাত্রি ততদিনে আম্মার ট্রাংকে লুকিয়ে রাখা প্রায় সবগুলি নিষিদ্ধ বই-ই আমি পড়ে ফেলেছি। ভালো করে বুঝি বা না …

অরণ্য: বোধনের ডায়েরি– টিনের ট্রাঙ্ক

বড়-সড় কালো একটা টিনের ট্রাঙ্ক আমাদের বাড়িতে ছিলো, যা সারাবছরই বন্ধ পড়ে থাকত, আর নিয়ম করে খোলা হতো শীত আসার …

সেলিম জাহান: কনে দেখা আলো

নদীর পাড় ধরে হেঁটে বাড়ী ফিরছিলাম। পড়ন্ত বিকেল, পূর্বী নদীতে মোলায়েম রোদের খেলা ছোট ছোট ঢেউয়ের মাথায়। হঠাৎ করে দৃষ্টি …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

পাতারপাহাড় ও রক্তবর্ণ হীম  বিউটিআপাদের ওই বাংলোর যে কোনো জায়গায় দাঁড়ালে বিস্তর সবুজের দেখা পাওয়া যায়। সেসব সবুজ বর্ণনা করার …

শামীম আজাদের স্মৃতিগদ্য: নানীভাই

আমার নানীর বিয়ে হয় ন’বছর বয়সে! শুনেছি শাশুড়িকে পাননি তিনি। শ্বশুরই তাঁকে মাতৃস্নেহে বড় করেছেন, শাড়ি পরা শিখেছেন, পড়িয়েছেন। হয়ত …

মাহমুদ হাফিজের ভ্রমণগদ্য: ফ্লোরেন্স গর্জন মুখর প্রশান্ত-সৈকত

পাহাড়ের আঁকাবাঁকা রাস্তায় সাদারঙের ‘শেভরোলে’ যখন ছুটতে শুরু করলো, শক্ত করে সিটবেল্ট বেঁধে আমরা তখন আল্লাহ আল্লাহ জিকির করছি। দুদিকেই …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

উষ্ণ বয়সী ব্ল্যাকবোর্ড  সুদীর্ঘ ঘোরানো সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠলে দেখি ছিমছাম এক বাংলো। অত্যন্ত মনোরম আর্কিটেক্টচারে একতলা বিল্ডিং। বাংলোতে ঢোকার …

কাজী রাফির ভ্রমণগদ্য:পশ্চিম আফ্রিকার পথ এবং প্রান্তরে

পশ্চিম আফ্রিকায় নভেম্বর শুরুর সকালের বাতাসটা বড় স্নিগ্ধ। যদিও দুপুরের দিকে তাপমাত্রা চল্লিশ ডিগ্রি অতিক্রম করছে তবু রাতে তা নেমে …

ফেরদৌস নাহারের মুক্তগদ্য: আমার শহর ঢাকা আছে প্রাণে

আমার শহর নয়কো তেমন বুড়ো অতীতকালের অস্থি মুদ্রা চৈত্য বিহার কিছু পাবে না তার কোথাও মাটি খুঁড়ে, হঠাৎ কখন নদীর …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

অরণ্যের পথে  সহসা এর মাঝে একদিন আমি জীবনের প্রথম স্বাধীনতার স্বাদ পেয়ে গেলাম। রাজাকাক্কার প্রতি আব্বার ছিল অপরিসীম শ্রদ্ধা,ভালোবাসা আর …

সেলিম জাহানের স্মৃতিগদ্য: স্মৃতির আয়ু কত দীর্ঘ?

কড়া নাড়ব না বৈদ্যুতিক ঘণ্টিটি বাজাবো তা ভাবতেই মিনিট খানেক কেটে গেল। অকারণে নয়, সময়টার কথা ভেবেই আমার এ দ্বিধা। …

শান্তা মারিয়ার ভ্রমণগদ্য: গড মেড ওকলাহমা

ইউ আর দ্য রিজন গড মেড ওকলাহমা ঝকঝকে তকতকে বিশাল ওকলাহমা সিটি আর নরম্যান নামের ছোট্ট শহর। যেখানেই যাচ্ছি ঝাঁ …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

ছোটফুপুর শুভবিবাহ আমরা আমাদের দাদীকে ডাকতাম দিদি। আমার দিদির কথা ‘মায়াপারাবারে’ বহুবার বহুভাবে আমি বলেছি। সে ছিল আমাদের জন্য অতি …

শান্তা মারিয়ার ভ্রমণগদ্য: গড মেড ওকলাহমা

ঘটনাটা ২০০৬ সালে। সেপ্টেম্বর মাস। স্থান ওকলাহোমা স্টেট। মহাদেশ আমেরিকা। লিডারশিপ ইন জার্নালিজম নামে একটি সংক্ষিপ্ত ফেলোশিপ প্রোগ্রামে অংশ নিতে …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

আসা-যাওয়ার পথের পাশে যুদ্ধের চিন! মাত্র কিছুদিন আগেই যে আমরা এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের ভেতর দিয়ে গিয়েছি, সেই যুদ্ধের নানা চিহ্ন …

দিলারা হাফিজের মুক্তগদ্য: অগ্রজেরা নতুন কবিতা লিখিয়েদের যা বলতেন

যার নাড়িতেই কবিতা থাকে, দেহের তন্তুতে বাক্ ও ছন্দের প্রতি আকর্ষণ। তার অন্য পথে যাবার উপায় নেই যে! তাকে শেষ …

Back to Top