শান্তা মারিয়ার ভ্রমণগদ্য: বিশ্বের বিস্ময় সামার প্যালেস

বিশ্বে মানুষের তৈরি যত সুন্দর স্থান আছে তার মধ্যে অন্যতম সেরা হলো বেইজিং এর সামার প্যালেস। কথাটি একা আমার নয়। …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

কেন হয়েছিল শুরু হবে যদি অবসান? মেয়েটির মুখ যতোটা স্পষ্ট মনে আছে, তার নামটা আমি ততোটাই ভুলে গিয়েছি।  ন্যাড়া করে …

সেলিম জাহানের মুক্তগদ্য: সুতো

আমাদের আবাসিক ভবনের ফটক থেকে বেরিয়ে রাস্তা পেরুলেই মাঝারি মাপের একটি উদ্যান। বেশ বড় বড় বার্চ গাছ দু’সারিতে। মাঝে মাঝে …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

শিমুল ফুলের দুনিয়া—১৩ ইচিংবিচিং খেলায় সময় অন্যদের হাত-পা দিয়ে বানানো পিরামিডের তিনফুট উচ্চতা হাইজাম্প করে সহজেই পেরোতে পারি আমি। বা …

লুৎফুল হোসেনের মুক্তগদ্য: নির্বোধের কড়চা

ছ’তলার বারান্দায় দাঁড়ালে এই পাশটাই খোলা পাই। সাথে লাগোয়া গলিটার অন্য পাড়ে একটা চারতলা বাড়ি। সম্ভবত বছর পঁচিশেক আগে তৈরি …

আবদুর রবের ভ্রমণগদ্য: রোম যেমন একদিনে গড়ে ওঠেনি, তেমনি মনট্রিয়লও

১ এই নিয়ে চারবার মনট্রিয়লে আসা হলো। প্রত্যেকবার হাতে মাস খানেক সময় নিয়ে এসেছি যাতে মনের মতো ঘুরতে পারি। কিন্তু …

নাভিদ চৌধুরীর ভ্রমণগদ্য-৩: শ্যাওলার নিশ্চিত যাত্রা

বসফরাসের নীল জল চাঁদের আলোয় ঝকমক করছে। আমি এক কাপ ধূমায়িত চা নিয়ে ওপারের আলো ঝলমলে ইস্তাম্বুলের মোহময়ী রূপ দেখছি। …

খালেদ হামিদীর মুক্তগদ্য: প্রকৃত কবিতা কি আসলেই দুর্বোধ্য কিংবা ছন্দহীন হতে পারে?

কবিতায় দুর্বোধ্যতা আসলে কি? তা কি সৃষ্টি হয় জনজীবনে অপ্রচলিত শব্দ কিংবা উপমা-উৎপ্রেক্ষা-মেটাফর জাতীয় অলংকার কাব্যে ব্যবহারের ফলে? নাকি অন্য …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

পাঁচিলের ফোকর গলে—১২ অগ্রগামী ইশকুল থেকে কোনো ছাত্রীরই ক্লাস-চলাকালীন অবস্থায় বের হওয়ার সুযোগ একদম ছিল না। এমনকি টিফিন-পিরিয়ডেও না! গেটের …

মধ্য শরৎ উৎসব: সুপ্রাচীন চন্দ্রদেবীর গল্প

চীনের অন্যতম প্রধান উৎসব হলো মধ্য শরৎ উৎসব বা মিড অটাম ফেস্টিভাল। এটি শরৎকালীন বা হেমন্তকালীন প্রধান উৎসব। এর সঙ্গে …

সুধাংশু শেখর বিশ্বাসের ভ্রমণ গল্প: দশরথের ঢোল

দশরথকে চিনতাম না আমি। নামও শুনি নি কখনও। এককালে সংস্কৃতি জগতে একটু আধটু বিচরণ ছিল বটে আমার। ছাত্রজীবনে ‘উদীচী’, ‘খেলাঘর’ …

নাভিদ চৌধুরীর ভ্রমণগদ্য-২: আতলান্তেরর মিতা ও মিতালি

পাবলো কফি নিয়ে এসে বসেছে আমার পাশে, বলে ওলা। কমসতাস? (কেমন আছো?)! মুই বিয়েন (আমি ভালো) , বলেই আমি হাসতে …

সেলিম জাহানের মুক্তগদ্য: শেষ বিকেলের মেয়ে

চাবি দিয়ে ঘরের দরজা খুলতেই চমকে গেলাম। আলো উদ্ভাসিত ঘর— না, চড়া আলো নয়, বিকেলের নরম পড়ন্ত রোদের মোলায়েম আলো …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা  ফুল ভলিয়্যুমে রেডিও বাজার শব্দে একদিন ঘুম ভেঙে যায়। ঘুমচোখে ঠাহর করতে পারি না, এমন …

আঞ্জুমান রোজীর ভ্রমণগদ্য: মায়াবী ছোট্ট শহর ইলোরা

কানাডার অন্টারিও প্রভিন্সের একটি ছোট্ট শহর, নাম তার ইলোরা। এখানে ইলোরা নামে একটি শহর আছে, ভাবতেই পুলকিত হয়ে উঠি। ইলোরা …

দিলারা হাফিজের মুক্তগদ্য: বাংলা ভাষার বানান নিয়ে বারোয়ারি

ভাষা মানুষের প্রাণের সেতু। মনের জানা-অজানা ভাব প্রকাশের অন্যতম বাহন হিসেবে ভাষার কোনো বিকল্প নেই। বলা যায়, ভাষা সৃষ্টির অপূর্ব …

ফেরদৌস নাহারের মুক্তগদ্য: কবিতাই ধর্ম

এই যেখানে পাখিরা উড়ে চলে যায়, যেখানে রাত্রির অভিযান আলোর অক্ষরে লেখা থাকে, সেখানে আমার নাম ঠিকানা লেখা আছে কবিতার …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

সৃজনী কচিকাঁচার মেলা  দৈনিক ইত্তেফাকের ভেতরের পাতায় ‘কচিকাঁচার আসর’ নামে শিশুকিশোরদের লেখা নিয়ে একটা পৃষ্ঠা প্রকাশিত হতো। ওই পাতায় নতুন …

নাভিদ চৌধুরীর ভ্রমণগদ্য-১: মরুদ্যানে কথোপকথন

আমি ধীরে ধীরে ওয়াদি শেতার পাশ ঘেঁষে হাঁটছি। গলু (আমার গাধা, নাম আমারই দেয়া) আনমনে হাঁটতে হাঁটতে এদিক ওদিক তাকাচ্ছে। …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

ছোটকার জেলবাস একদিন ভোরবেলায় উঠে দেখি আম্মা অঝোরে কাঁদছে। অতিরিক্ত কান্নার ফলে আমার অতিরিক্ত গৌরবর্ণা আম্মার নাকমুখ একেবারে রক্তজবা ফুলের …

সেলিম জাহানের গদ্য: তোমাকে দেখতে বড্ড ইচ্ছে করবে

দাপ্তরিক টেবিলের ওপরে ছোট্ট একটা চিরকুট। আমি আস্তে করে হাতে তুলে নিলাম। তা’তে গোটা গোটা অক্ষরে ইংরেজীতে সংক্ষিপ্ত একটি বার্তা …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

ধুসর গোধূলি চানাচুর-ফুকল-আইসক্রীম-সিংগারা-তেঁতুল-অড়বড়ই-আমলকী নিত্য কিনে খেয়ে, বন্ধুদের খাইয়েও আমার হাতে প্রতি হপ্তাতেই কিছু পয়সা উদ্বৃত্ত থেকে যেত। দুই-তিন-হপ্তা বাদেই দেখতাম …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

অচ্ছুৎ অসুখের দিনরাত্রি ততদিনে আম্মার ট্রাংকে লুকিয়ে রাখা প্রায় সবগুলি নিষিদ্ধ বই-ই আমি পড়ে ফেলেছি। ভালো করে বুঝি বা না …

অরণ্য: বোধনের ডায়েরি– টিনের ট্রাঙ্ক

বড়-সড় কালো একটা টিনের ট্রাঙ্ক আমাদের বাড়িতে ছিলো, যা সারাবছরই বন্ধ পড়ে থাকত, আর নিয়ম করে খোলা হতো শীত আসার …

সেলিম জাহান: কনে দেখা আলো

নদীর পাড় ধরে হেঁটে বাড়ী ফিরছিলাম। পড়ন্ত বিকেল, পূর্বী নদীতে মোলায়েম রোদের খেলা ছোট ছোট ঢেউয়ের মাথায়। হঠাৎ করে দৃষ্টি …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

পাতারপাহাড় ও রক্তবর্ণ হীম  বিউটিআপাদের ওই বাংলোর যে কোনো জায়গায় দাঁড়ালে বিস্তর সবুজের দেখা পাওয়া যায়। সেসব সবুজ বর্ণনা করার …

শামীম আজাদের স্মৃতিগদ্য: নানীভাই

আমার নানীর বিয়ে হয় ন’বছর বয়সে! শুনেছি শাশুড়িকে পাননি তিনি। শ্বশুরই তাঁকে মাতৃস্নেহে বড় করেছেন, শাড়ি পরা শিখেছেন, পড়িয়েছেন। হয়ত …

মাহমুদ হাফিজের ভ্রমণগদ্য: ফ্লোরেন্স গর্জন মুখর প্রশান্ত-সৈকত

পাহাড়ের আঁকাবাঁকা রাস্তায় সাদারঙের ‘শেভরোলে’ যখন ছুটতে শুরু করলো, শক্ত করে সিটবেল্ট বেঁধে আমরা তখন আল্লাহ আল্লাহ জিকির করছি। দুদিকেই …

Back to Top