সুধাংশু শেখর বিশ্বাসের ছোটগল্প: স্ট্যাটাস

লন্ডনে গিয়েছিলাম পড়াশুনা করতে। ভার্সিটির বেসমেন্টে লাইব্রেরী, কফিশপ, ওয়াশরুম। বাইরে প্রচণ্ড  ঠাণ্ডা আর তুষারপাত। ক্লাসের অবসরে বেশীরভাগ সময় তাই আমরা বেসমেন্টেই কাটাই।

ওয়াশরুমসহ গোটা বেসমেন্ট পরিচ্ছন্ন রাখে জন। পুরো নাম আব্রাহাম জন। হাসিখুসি লম্বা বিশালদেহি আফ্রো-ইউরোপীয়ান বংশদ্ভূত। হাঃ হাঃ করে প্রচন্ড বেগে হাসে, কথা বলে হেঁড়ে গলায় উচ্চগ্রামে। দেখা হলেই ‘হাই’ বলে সামনে দাঁড়িয়ে যায়। গল্প জমানোর চেষ্টা করে। আমরাও ‘হ্যালো’ বলে ভদ্রতা রক্ষা করি বটে, তবে আড্ডায় মেতে উঠতে পারি না।

সুইপারের সাথে আড্ডা দেয়া কি আমাদের শোভা পায়!

পারতপক্ষে তাই চেষ্টা করি জনকে এভয়েড করতে। কিন্তু মাথামোটা সুইপার ব্যাটা সেটা ধরতে পারে না। সে বোঝে না যে, আমরা হলাম বাংলাদেশের ক্রিম। ক্যাডার সার্ভিস অফিসার। লন্ডনে এসেছি উচ্চতর ডিগ্রি নিতে। আমাদের স্ট্যাটাসই আলাদা। সুইপার লেভেলের লোকজনের সাথে আমাদের ওঠাবসা চলে না।

এভাবেই কেটে যাচ্ছিল সময়। জনের সাথে দেখা হয় প্রতিদিন। ‘হাই’ বলে সে আমাদের দিকে এগিয়ে আসে। বিরক্ত হই, তবু অনুগ্রহ করি তাকে। ‘হ্যালো’ বলে উত্তর দেই। ভাবি স্বয়ং ঈশ্বর তাকে সুইপার বানিয়েছে। তার দোষ কি? জন্মের দায় তো আর তার নয়। তাছাড়া লন্ডনে কাজ হল কাজ। কে কি কাজ করে সেটা ইম্পর্টেন্ট নয়। বরং কায়িক পরিশ্রমেই উপার্জনই বেশি। জনকে তাই আমরা অবহেলা বা ঘৃণা কোনটাই করতে চাই না।

এককালে বাম রাজনীতি করেছি। সাম্যের গান গেয়েছি। মানুষে মানুষে তফাৎ করা ঠিক নয়- এই তত্ত্বের উপর ভক্তি-শ্রদ্ধার অবশেষ একেবারে নিঃশেষে ধুয়েমুছে ফেলে তো দিতে পারি নি।

একসময় বিটিভি-তে আগ্রহভরে ‘রুটস্’ সিরিয়ালটা দেখতাম। জাহাজের খোলে ভরে বলশালী এই মানুষগুলোকে পশুর মতো নিয়ে যেত ইংরেজরা। অমানুষিক নির্যাতন চালাত তাদের উপর। ক্রীতদাস হিসেবে বাজারে বিক্রি হত। মনে হত, কবে বদলাবে এই সমাজ! বিপ্লবের মাধ্যমে আনতে হবে অর্থনৈতিক মুক্তি। প্রতিষ্ঠা করতে হবে মানুষের মৌলিক অধিকার। দূর করতে হবে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ।

আমলাগিরি করতে এসে সে সব যে একেবারে ঝেড়েমুছে ফেলে দিয়েছি তা নয়। তাই অতটা অবিবেচক হতে পারি না। নিম্ন মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান আমরা। ভুলে যেতে পারি না সবকিছুতে আমাদের দ্বিধাদ্বন্দ্বের কথাও। তাই ভাবি, শ্রেণি বৈষম্য না হয় নাই করলাম, মানুষ হিসেবে যথাযথ মর্যাদাও না হয় দিলাম তাকে। তাই বলে সুইপারের সাথে সখ্যতা করে গলাগলি সম্পর্ক তো আর স্থাপন করতে পারি না!

এভাবেই কেটে গেল আরও কিছুদিন। সবকিছু আমাদের সহ্য হয়ে আসছে একটু একটু করে। এখন আমরা হাই-হ্যালোর বাইরেও টুকটাক কথাবার্তা বলি জনের সাথে। ভাবি, মানুষটা তো খারাপ না। খোলা দিলের সহজ সরল আমুদে বোকা একটা। আমরা যে তার সাথে অন্তরের পুরোটুকু মাধুর্য নিয়ে মিশি না, একটু দূরত্ব যে রাখি সেটাও সে বুঝতে পারে না।

সামান্য সুইপার। বোঝার মতো জ্ঞানই বা তার আসবে কোথা থেকে?

দেখা হলেই সে গালভরা হাসি নিয়ে এগিয়ে আসে। এডাল্ট জোক বলে আসর জমানোর চেষ্টা করে। সে রকমই একটা জোক পরিবেশন করে কথাচ্ছলে সেদিন হাসিবের পিঠে বিশাল একটা থাবড়া মেরে দিল জন। বিরক্ত হাসিব এদিক তাকায়, ওদিক তাকায়। কেউ আবার দেখে ফেলল কি না!

লুক মিঃ বিসওয়াস্। বলে আমার কাঁধেও আচমকা বিরাশি শিক্কার আর একটা থাবড়া বসিয়ে জন হাঃ হাঃ করে হাসতে লাগল। আমি ব্যথায় কুকড়ে গেলাম। হাসিব আর ভদ্রতার মুখোশ ধরে রাখতে পারে না।

দেখ, তুমি হলে একটা মাথামোটা সুইপার, বাথরুম পরিষ্কার কর। আর আমরা বাংলাদেশের হাই লেভেল সরকারি অফিসার। তোমার সাথে কথা বলাই আমাদের শোভা পায় না। তারপরও কালো বলে তোমাকে সহ্য করি। কিন্তু লিমিট ক্রস করে গিয়েছো তুমি। ভবিষ্যতে আমাদের সাথে আর মেশার চেষ্টা করবে না। রাগতস্বরে বলল হাসিব। আহত দৃষ্টিতে অসহায়ের মতো জন আমাদের দিকে তাকিয়ে থাকে। সারা মুখে ছড়িয়ে থাকে বেদনার বোবা কান্না।

স্যরি! নিশ্চয়ই বেশি ব্যথা দিয়ে ফেলেছি। আই এ্যাম এক্সট্রিমলি স্যরি। দেখি কোথায় লেগেছে!

আস্ত আহম্মক একটা!

ব্যথাটা যে আমাদের ঠিক কোথায় লাগল, তার তুই কি বুঝবি? কালো ভূত কোথাকার! মনে মনে বলি।

জনকে আর আমরা পাত্তা দেই না। বাঁদরকে আদর দিয়ে মাথায় না চড়ানোই ভাল। কিন্তু যতবার জনের সাথে দেখা হয়ে যায়, ততবারই সে এগিয়ে এসে ‘স্যরি স্যরি’ বলতে থাকে। মাঝে মাঝে ভাবি, থাক বিদেশ বিভুঁইয়ে এসেছি। খামাকা একটা বোকা কালো মানুষের উপর রাগ করে কি লাভ? সাদা চামড়ার দেশে বেচারারা এমনিতেই নিগৃহীত!

কোর্স শেষ। পরীক্ষা মোটামুটি ভালই দিয়েছি আমরা বাংলাদেশীরা। পাশ তো করবই, দু’একজন ডিসটিংশনও পেয়ে যেতে পারে। সামনের সপ্তাহেই রেজাল্ট, সার্টিফিকেট বিতরণ। তারপরই দেশে ফেরা। বৌ-বাচ্চা, বন্ধু-স্বজন দীর্ঘ প্রতীক্ষায়। কতদিন পর দেখা হবে তাদের সাথে!

শেষ মুহুর্তের কেনাকাটা সারতে সানডে মার্কেট, ব্রিক লেন, অক্সফোর্ড স্ট্রীট, ইস্টহ্যাম এর শপিং মলগুলো চষে বেড়াচ্ছি। হিসাব মেলাই, সবার জন্যে ঠিকঠাকমতো গিফট কেনা হল কিনা! বারবার লাগেজ চেক করি। ওভার ওয়েট হয়ে গেলে আবার এক্সট্রা পাউন্ড গুনতে হবে। কতদিন পর দেশে ফিরব। মনের মধ্যে খুশি তিরতির করে। হৃদয়ে উদারতার তরল প্রস্রবণ।

আমার বুকের ভেতরটা কেমন খচখচ করে। জনের শুকনো মুখ বারবার চোখের সামনে ভেসে উঠে। ভাবি, লন্ডন ছেড়ে তো চলেই যাচ্ছি। ওর বাচ্চাকে কিছু একটা উপহার দিয়ে যাই! বন্ধুদের কাছে বিষয়টা উত্থাপন করতেই হাসিব খেঁকিয়ে উঠল। যথেষ্ট হয়েছে। আর নয়। দেশে হলে হারামজাদার পিঠের চামড়া তুলে নিতাম। শালার ব্যাটা সুইপার হয়ে দোস্তের মতো আমার গায়ে হাত দেয়!

কিন্তু এখানকার কালচার তো এ রকমই। দেখলি না সেদিন পার্টিতে স্বয়ং ভিসি জনের সাথে বসে ওয়াইন খাচ্ছিল। আর চুটিয়ে আড্ডা দিচ্ছিল। মনে করিয়ে দিই আমি।
দিক না আড্ডা, করুক না গল্প আমাদের সাথেও। আমরা তো এলাউ করেছিলাম তাকে। ব্যাটা মাথামোটা বাঁদর! পারলে কোলাকুলি করতে আসে। লেভেল বোঝে না, স্ট্যাটাস বোঝে না। সাধে কি শালারা ক্রীতদাস ছিল এতকাল?

বাদ দে। দেশে ফিরে যাচ্ছি। শুধু শুধু ওর উপরে রাগ পুষে রেখে লাভ কি? চল্ সবাই মিলে ওর বাচ্চার জন্য একটা ছোটখাট গিফট দিয়ে যাই। ব্যাটা বুঝুক, বাঙালি ফকিরের জাত না। হৃদয় আমাদের সমুদ্রের মতো বিশাল, মন আকাশের মতো উদার। যোগ করে রায়হান।

খোঁজ নিয়ে জেনেছি, জনের পাঁচ বছর বয়সী একটা পালিত মেয়ে আছে। আর আমার ছেলের বয়স চার। রবিবার ছেলের জন্য একটা খেলনা ‘রোবোকপ’ কিনতে গেলাম সানডে মার্কেটে। সাথে চমৎকার একটা বড়সড় ডল পুতুলও অল্পদামেই কিনে ফেললাম। ভাবলাম, বন্ধুরা যদি শেয়ার করে তো ভাল। নইলে উপহারটা আমি একাই দেব।
আত্মপ্রসাদ লাভ করি এই ভেবে যে, বন্ধুরা তো আর আমার মতো ছাত্রজীবনে বাম রাজনীতি করে আসে নি! উপহার পেয়ে কতটা খুশি হবে গরীব সরল মানুষটা, সেই হিসেব মেলাতে থাকি। তার মেয়েটার হাসিখুশি টুসটুসে কল্পিত কোমল মুখ আমার চোখের সামনে ভেসে উঠে। সাথেসাথেই মনে পড়ে যায়, পৃথিবীর আরেক প্রান্তে থাকা নিজের ছেলেটার কথাও।

আজ সার্টিফিকেট বিতরণী অনুষ্ঠান। কোট টাই পড়ে সেজেগুজেই অনুষ্ঠানে গেলাম। অডিয়েন্সে বসে আছি আমরা বিভিন্ন দেশের পাশ করা সব স্টুডেন্টরা। তেমন আড়ম্বরপূর্ণ নয়। এটাই ওদের রীতি। বাহুল্য নেই কোন কিছুতে। ভিসি ডায়াসে উঠলেন। সাথে অন্য টিচাররা। কিন্তু জন কেন উঠছে!

বোধগম্য হয় না কিছুতেই। পরনে মানানসই চমৎকার ড্রেস। টকটকে লাল শার্ট, কালো কোট। সাথে ম্যাচিং টাই। কোটের পকেটে উঁকি মারছে লাল রঙের রুমাল। ভাবলাম, ফাইল-সার্টিফিকেট এসব ক্যারি করার জন্যে ওকে আনা হয়েছে।

কিন্তু না! ভিসি সসম্মানে উঠে দাঁড়িয়ে তাকে জায়গা করে দিলেন। জন এগিয়ে গিয়ে মাঝখানের চেয়ারটায় বসে পড়ল।

আমাদের সৌভাগ্য যে, আজ এই অনুষ্ঠানে মিঃ আব্রাহাম জন অনুগ্রহ করে চিফ গেষ্ট হিসেবে সার্টিফিকেট বিতরণ করতে সম্মত হয়েছেন। বিনীতভাবে বললেন ভিসি।
আমরা তো হা। বলে কি! ঠিক শুনছি তো!

জন আমাদের গর্ব। এই ভার্সিটির ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়ে তিনি ইকনমিক্সে গোল্ড মেডেল পেয়েছিলেন। সেই রেকর্ড আজো কেউ ভাঙ্গতে পারে নি। তিনি ছিলেন এই ভার্সিটির ইকনমিক্স ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান। পরবর্তীতে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন বৃটিশ গভর্ণমেন্টের এডভাইজার হিসেবে। তাঁর পাবলিকেশনের সংখ্যা যে কোন গবেষকের কাছে ঈর্ষণীয়। রিটায়ারমেন্টের পর শরীর ঠিক রাখার জন্য তিনি কায়িক পরিশ্রমের কাজ নিয়েছেন। আব্রাহাম জন এখন আপনাদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করবেন। জন প্লিজ…

আমরা মুখ চাওয়া চাওয়ি করতে লাগলাম। ছিঃ ছিঃ… কি করেছি… মরমে মরে যেতে ইচ্ছে করল।

কি করে সার্টিফিকেট নেব! কাতরে উঠল হাসিব। মাফ চাওয়ার মুখও তো নেই আমার।

মাথা নিচু করে বসে থাকি আমরা। ঘামতে ঘামতে ধিক্কার জানাই নিজেদের। বাংলাদেশের মধ্যে প্রথমেই আমার নাম। পারলে চেয়ারের সাথে লেপটে বসে থাকি। কিছুতেই যেন উঠতে না হয়। আবার নাম ঘোষণা হল। বন্ধুরা এবার জোর করে ঠেলে উঠিয়ে দেয়। পা চলতে চায় না। মরমে মরে এগোতে থাকি। জনের দিকে চোরের মতো তীর্যক দৃষ্টিতে তাকাই।

কিন্তু না! জনের হাসিমাখা মুখের মধ্যে ‘কেমন বুঝছ’ জাতীয় কোন কৌতুক বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন নেই। বরং সারা অবয়বে ছড়িয়ে আছে অনাবিল প্রশান্তি। আমি জড়সড় হয়ে হাত বাড়িয়ে দিলাম সার্টিফিকেট নেবার জন্য। কিন্তু জন তার বিশাল দুই থাবার মধ্যে আমার হাতটা টেনে নিল। তারপর বাম হাতখানা আমার কাঁধে রেখে দুঃখিত গলায় বলল- সেদিন তোমার খুব লেগেছিল তাই না?

ন্.. নাঃ.. অস্ফুটস্বরে বলার চেষ্টা করি আমি। কিন্তু গলা দিয়ে স্বর বের হতে চায় না।

সত্যিই খুব দুঃখিত আমি। জানো, এ ক’দিন ঠিকমতো ঘুমাতে পারি নি। বারবার মনে হয়েছে তোমাদেরকে হার্ট করেছি। আমাকে তোমরা মাফ করে দিও। আর যদি কিছু মনে না কর, আমার তরফ থেকে তোমার আর হাসিবের বাচ্চার জন্যে সামান্য উপহার। নিলে ভীষণ খুশি হব আমি।

জন বড় একটা চকোলেটের বাক্স আমার হাতে ধরিয়ে দিল। সাথে প্যাকেট খুলে বের করল একটা ‘রোবোকপ’। মিঃ হাসিব প্লিজ এখানে আসো। হাসিবকেও দিল এক বাক্স চকোলেট আর ওর মেয়ের জন্যে একটা ডল পুতুল। যেমনটা আমি কিনেছিলাম আমার ছেলে আর জনের মেয়ের জন্যে।

পার্থক্য এই, আমি কিনেছিলাম রাস্তায় বসা সানডে মার্কেট থেকে রিজেক্টেড সস্তা জিনিস। আর জনের দেয়া উপহারগুলো নতুন, ব্র্যান্ড আইটেমের। চেইনশপ ‘আরগোস’ এর ছপ্পর মারা ইনট্যাক্ট প্যাকেটের গায়ে।

 

সুধাংশু শেখর বিশ্বাস

জন্ম ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার প্রত্যন্ত বিলের মধ্যে মধুপুর গ্রামে। পড়াশুনা  করেছেন অর্থনীতিতে এমএ। বিসিএস ১৯৮৪ ব্যাচের সহকারী সচিব হিসেবে কর্মজীবন শুরু। মাঠ পর্যায়ে ছিলেন ইউএনও, এডিসি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান আরডিএ, বগুড়ার পরিচালক। কাজ করেছেন উপ-সচিব, যুগ্ম-সচিব হিসেবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে। অবসর নিয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে। সরকারি কাজে ঘুরেছেন বহু দেশ। অবসর জীবন কাটে ঘোরাঘুরি আর লেখালিখি করে।

প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা আঠারো। ভ্রমণ কাহিণি-৬ (সাগিনো ভ্যালি, হোটেল সিয়াম, মস্কোর ঘন্টা, হোয়াইট চ্যাপেল, ঘুরে দেখা আমেরিকা),

ছোটগল্প-১ (স্ট্যাটাস),  

গবেষণা গ্রন্থ-১ (বিলের জীবনঃ নমশূদ্রদের বার মাসের তের পার্বণ), ২ নমসপুত্র আর ৩ নমস উপাখ্যান। এই দু’টি গ্রন্থের জন্য  তিনি অত্যন্ত সুপরিচিত। 

কিশোর উপন্যাস-১ (সুরুজ দ্য গ্রেট) স্মৃতিগল্প-৩ (সোনালী ডানার চিল- শৈশব, কৈশোর, যৌবন)।

Facebook Comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।