পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

কেন হয়েছিল শুরু হবে যদি অবসান? মেয়েটির মুখ যতোটা স্পষ্ট মনে আছে, তার নামটা আমি ততোটাই ভুলে গিয়েছি।  ন্যাড়া করে দেয়ার পর সদ্য-গজানো এক/দেড়-ইঞ্চি চুল ছিল তার  মাথায়। কালো কুচুকুচে চুল! প্রথম দিকে স্কার্ফ জড়িয়ে আসত। চুল সামান্য সামান্য বড় হওয়ার পরে স্কার্ফ পরা ছেড়ে …

সেলিম জাহানের মুক্তগদ্য: সুতো

আমাদের আবাসিক ভবনের ফটক থেকে বেরিয়ে রাস্তা পেরুলেই মাঝারি মাপের একটি উদ্যান। বেশ বড় বড় বার্চ গাছ দু’সারিতে। মাঝে মাঝে অনেকগুলো ম্যাপল গাছ। বার্চ আর ম্যাপল মিলে ঢেকে দিয়েছে পুরো উদ্যানটা। উদ্যানে ঢোকার মুখেই বাঁ-হাতি একটা মানুষ সমান ঝোপ। ওটার পাশ দিয়েই প্রতিদিন যাই আমাদের …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

শিমুল ফুলের দুনিয়া—১৩ ইচিংবিচিং খেলায় সময় অন্যদের হাত-পা দিয়ে বানানো পিরামিডের তিনফুট উচ্চতা হাইজাম্প করে সহজেই পেরোতে পারি আমি। বা খেলতে পারি ছি-কুতকুত। কিন্তু ইশকুলে বউচি খেলায় দৌড়ে স্লো বলে আমাকেই ‘বুড়ি’ হয়ে ঘরে বসতে হয়। ঘোড়া ও আরোহী খেলায় এজন্যই আমাকে ঘোড়া সেজে হাঁটু …

লুৎফুল হোসেনের মুক্তগদ্য: নির্বোধের কড়চা

ছ’তলার বারান্দায় দাঁড়ালে এই পাশটাই খোলা পাই। সাথে লাগোয়া গলিটার অন্য পাড়ে একটা চারতলা বাড়ি। সম্ভবত বছর পঁচিশেক আগে তৈরি করা। হয়ত তিরিশ বছরও হতে পারে। সামনের গেটের সাথেই একটা বাতাবিলেবু গাছ। ওতে এখনও গোটা ছয় বাতাবিলেবু ঝুলছে। বাড়িটার পশ্চিম পাশের অর্ধেকটা কেবল একতলা। তার …

খালেদ হামিদীর মুক্তগদ্য: প্রকৃত কবিতা কি আসলেই দুর্বোধ্য কিংবা ছন্দহীন হতে পারে?

কবিতায় দুর্বোধ্যতা আসলে কি? তা কি সৃষ্টি হয় জনজীবনে অপ্রচলিত শব্দ কিংবা উপমা-উৎপ্রেক্ষা-মেটাফর জাতীয় অলংকার কাব্যে ব্যবহারের ফলে? নাকি অন্য কোনো কারণে? গেলো শতকের সত্তরের দশকের একজন অগ্রজ কবি ও অনুবাদকের কাছ থেকে, আমার আবির্ভাবকাল আশির দশকের মাঝামাঝি কোনো একদিন, সুধীন্দ্রনাথ দত্তর কবিতা সংগ্রহ ধার …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

পাঁচিলের ফোকর গলে—১২ অগ্রগামী ইশকুল থেকে কোনো ছাত্রীরই ক্লাস-চলাকালীন অবস্থায় বের হওয়ার সুযোগ একদম ছিল না। এমনকি টিফিন-পিরিয়ডেও না! গেটের বুড়ো-দারোয়ানটা ছিল হাড়বজ্জাত। ফুকলওয়ালা, তুক্তুকিওয়ালা, আঁচারওয়ালা, তেঁতুলওয়ালারা বসতো ছোট-গেটের বাইরে। আইস্ক্রীমওয়ালা, চানাচুরওয়ালাকেও বড়-গেটের বাইরেই থাকতে হতো। কিন্তু বড়-গেটের ওইটুকুন ফাঁক দিয়ে আমরা হাত গলিয়ে চানাচুর …

মধ্য শরৎ উৎসব: সুপ্রাচীন চন্দ্রদেবীর গল্প

চীনের অন্যতম প্রধান উৎসব হলো মধ্য শরৎ উৎসব বা মিড অটাম ফেস্টিভাল। এটি শরৎকালীন বা হেমন্তকালীন প্রধান উৎসব। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সুপ্রাচীন চন্দ্রদেবীর আরাধনা এবং ফসল তোলার রীতি রেওয়াজ। এই উৎসব হয় চীনের চান্দ্র পঞ্জিকা বা লুনার ক্যালেন্ডার অনুযায়ী অষ্টম চান্দ্র মাসের ১৫তম দিনে …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা  ফুল ভলিয়্যুমে রেডিও বাজার শব্দে একদিন ঘুম ভেঙে যায়। ঘুমচোখে ঠাহর করতে পারি না, এমন ভোর ভোর অমন জোরে রেডিও বাজাচ্ছে কে? আমাদের বাসায় এরকম জোরে রেডিও বাজে না। আর সকালে তো অবশ্যই না। এরকম সকালগুলিতে আমরা ঝুমতে ঝুমতে পড়ার …

দিলারা হাফিজের মুক্তগদ্য: বাংলা ভাষার বানান নিয়ে বারোয়ারি

ভাষা মানুষের প্রাণের সেতু। মনের জানা-অজানা ভাব প্রকাশের অন্যতম বাহন হিসেবে ভাষার কোনো বিকল্প নেই। বলা যায়, ভাষা সৃষ্টির অপূর্ব সোপান টপকে তবেই পূর্ণতা এসেছে মানব সভ্যতায়। পৃথিবীর ১৪ হাজার ভাষার মধ্যে গত ১০০ বছরে হারিয়ে গেছে হাজার হাজার ভাষা। ভাষাবিদদের হিসাব অনুযায়ী, পৃথিবীর মোট …

ফেরদৌস নাহারের মুক্তগদ্য: কবিতাই ধর্ম

এই যেখানে পাখিরা উড়ে চলে যায়, যেখানে রাত্রির অভিযান আলোর অক্ষরে লেখা থাকে, সেখানে আমার নাম ঠিকানা লেখা আছে কবিতার রক্তে, বর্ষাধারার ভেজা গন্ধের আগে-ভাগে। আমাকে কি খুব চেনা মনে হচ্ছে, নাকি খুব প্রাচীন? আমি এসেছি সন্ন্যাস বেশে, গেরুয়া রঙের উল্লাস গায়ে মেখে। দুহাতে সাঁতার …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

সৃজনী কচিকাঁচার মেলা  দৈনিক ইত্তেফাকের ভেতরের পাতায় ‘কচিকাঁচার আসর’ নামে শিশুকিশোরদের লেখা নিয়ে একটা পৃষ্ঠা প্রকাশিত হতো। ওই পাতায় নতুন সদস্যদের জন্য একটা নির্ধারিত ফরম ছাপানো হতো তখন। আমি একদিন ওই ফরমটা কাঁচি দিয়ে কেটে, ফিলআপ করে, খামে ভরে দৈনিক ইত্তেফাক কার্য্যালয়ের ঠিকানায় পাঠিয়ে দিলাম। …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

ছোটকার জেলবাস একদিন ভোরবেলায় উঠে দেখি আম্মা অঝোরে কাঁদছে। অতিরিক্ত কান্নার ফলে আমার অতিরিক্ত গৌরবর্ণা আম্মার নাকমুখ একেবারে রক্তজবা ফুলের মতো টুকটুকে লাল হয়ে উঠেছে। আব্বারও চোখ দুটো ফুলে ঢোল— অনুমিত হয়, বিস্তর-কান্নাকাটির পরে আব্বা সদ্য কিছুটা হয়তো ধাতস্থ হয়েছে। আমাদের সমস্ত বাসা রাতভর টর্নেডো …

সেলিম জাহানের গদ্য: তোমাকে দেখতে বড্ড ইচ্ছে করবে

দাপ্তরিক টেবিলের ওপরে ছোট্ট একটা চিরকুট। আমি আস্তে করে হাতে তুলে নিলাম। তা’তে গোটা গোটা অক্ষরে ইংরেজীতে সংক্ষিপ্ত একটি বার্তা – বাংলা করলে যার অর্থ দাঁড়ায়, ‘সম্প্রতি আমার বিদায় সম্বর্ধনা সভায় তোমার বলা আমার হৃদয় ছুঁড়ে গেছে। বলার শেষে তুমি তোমার হাতের উল্টো পিঠ দিয়ে …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

ধুসর গোধূলি চানাচুর-ফুকল-আইসক্রীম-সিংগারা-তেঁতুল-অড়বড়ই-আমলকী নিত্য কিনে খেয়ে, বন্ধুদের খাইয়েও আমার হাতে প্রতি হপ্তাতেই কিছু পয়সা উদ্বৃত্ত থেকে যেত। দুই-তিন-হপ্তা বাদেই দেখতাম হাতে পাঁচ-দশটাকা জমে গেছে! এত টাকা কই বা কীভাবে খরচ করব তাল পেতাম না। রিক্সা ও নৌকাভাড়া দেয়া ছাড়া আমার নিজের কোনো খরচই ছিলনা। আমার …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

অচ্ছুৎ অসুখের দিনরাত্রি ততদিনে আম্মার ট্রাংকে লুকিয়ে রাখা প্রায় সবগুলি নিষিদ্ধ বই-ই আমি পড়ে ফেলেছি। ভালো করে বুঝি বা না বুঝি পড়তে ইচ্ছে করেছে, ব্যস পড়ে ফেলেছি। ওইসব আউট বইয়ের মাঝে নজরুলের ‘মৃত্যুক্ষুধাও’ ছিল। প্রচণ্ড কাশির তোড়ে যখন আমার কচি বুক থেকে সিঁদুরের মতো লাল …

অরণ্য: বোধনের ডায়েরি– টিনের ট্রাঙ্ক

বড়-সড় কালো একটা টিনের ট্রাঙ্ক আমাদের বাড়িতে ছিলো, যা সারাবছরই বন্ধ পড়ে থাকত, আর নিয়ম করে খোলা হতো শীত আসার আগে। ট্রাঙ্কটির বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা, এবং শোবার ঘরের এককোণ থেকে সারাবছর জানাতে থাকা তার নিভৃত, নির্জন অস্তিত্ব, যা আমরা কখনোই সেভাবে লক্ষ্য না করলেও …

সেলিম জাহান: কনে দেখা আলো

নদীর পাড় ধরে হেঁটে বাড়ী ফিরছিলাম। পড়ন্ত বিকেল, পূর্বী নদীতে মোলায়েম রোদের খেলা ছোট ছোট ঢেউয়ের মাথায়। হঠাৎ করে দৃষ্টি ছড়িয়ে গেল নদী ছাড়িয়ে ওপারে ম্যানহ্যাটনের হর্ম্যরাজির ওপরে। আহা, ভারী নরম ‘কনে দেখা আলো’ র আভা ছড়িয়ে আছে সেখানে। সঙ্গে সঙ্গে মনে পড়ে গেল বহুদিন …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

পাতারপাহাড় ও রক্তবর্ণ হীম  বিউটিআপাদের ওই বাংলোর যে কোনো জায়গায় দাঁড়ালে বিস্তর সবুজের দেখা পাওয়া যায়। সেসব সবুজ বর্ণনা করার সাধ্য আমার নাই। যেদিকে তাকাই উঁচা উঁচা পাতারপাহাড়।  সেইসব পাহাড় বড় আয়েশ করে নীল আকাশের গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে! জোর হাওয়া বইলে পাহাড়েরা সামান্য …

শামীম আজাদের স্মৃতিগদ্য: নানীভাই

আমার নানীর বিয়ে হয় ন’বছর বয়সে! শুনেছি শাশুড়িকে পাননি তিনি। শ্বশুরই তাঁকে মাতৃস্নেহে বড় করেছেন, শাড়ি পরা শিখেছেন, পড়িয়েছেন। হয়ত সে কারণেই আমাদের সমাজের পুরুষদের মতই ছিল তার আত্ম নির্ভরতা ও প্রতিপত্তি। আমরা তাকে একটু ভয়ই পেতাম। সৈয়দা কমরুন্নেছা খাতুন যখন বই থেকে মুখ তুলে …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

উষ্ণ বয়সী ব্ল্যাকবোর্ড  সুদীর্ঘ ঘোরানো সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠলে দেখি ছিমছাম এক বাংলো। অত্যন্ত মনোরম আর্কিটেক্টচারে একতলা বিল্ডিং। বাংলোতে ঢোকার মুখে ফুলের বাগান । নানা প্রজাতির ফুলের সমারোহ। একটা ঝুমকোজবা গাছে ঝেঁকে লাল লাল ফুল ধরে আছে। গাছের ডাল ঝুমকোর ভারে মাটির দিকে অবনত। নানান …

ফেরদৌস নাহারের মুক্তগদ্য: আমার শহর ঢাকা আছে প্রাণে

আমার শহর নয়কো তেমন বুড়ো অতীতকালের অস্থি মুদ্রা চৈত্য বিহার কিছু পাবে না তার কোথাও মাটি খুঁড়ে, হঠাৎ কখন নদীর ধারে ব্যাপারীদের নায়ে আমার শহর নেমেছিল কাদামাখা পায়ে। এই তো সেদিন নারকেল আর খেজুর গাছের ঝোপে অনেক ধুলোয় মলিন পা তার অনেক ধোঁয়ার ঝাপসা দুটি …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

অরণ্যের পথে  সহসা এর মাঝে একদিন আমি জীবনের প্রথম স্বাধীনতার স্বাদ পেয়ে গেলাম। রাজাকাক্কার প্রতি আব্বার ছিল অপরিসীম শ্রদ্ধা,ভালোবাসা আর নির্ভরতা। সেই নির্ভরতার সূত্র ধরে আব্বা আমাকে রাজাকাক্কার সংগে আম্মাকে ছাড়া একা একা বরমচাল যাওয়ার অনুমতি দিলো। শুধু যে রাজাকাক্কার জন্যই দিলো, এমন নয়।বিউটিআপার অবদানও …

সেলিম জাহানের স্মৃতিগদ্য: স্মৃতির আয়ু কত দীর্ঘ?

কড়া নাড়ব না বৈদ্যুতিক ঘণ্টিটি বাজাবো তা ভাবতেই মিনিট খানেক কেটে গেল। অকারণে নয়, সময়টার কথা ভেবেই আমার এ দ্বিধা। শীতের পড়ন্ত বিকেল– ইতিমধ্যেই সূর্য এলায়ে পড়েছে পশ্চিম গগনে। চারদিক সুনসান, শব্দদের নীলডাউন করিয়ে রাখা হয়েছে চারপাশে– নিস্তব্ধতার গন্ধ এসে লাগছে নাকে। আমি ক্ষয়ে যাওয়া, …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

ছোটফুপুর শুভবিবাহ আমরা আমাদের দাদীকে ডাকতাম দিদি। আমার দিদির কথা ‘মায়াপারাবারে’ বহুবার বহুভাবে আমি বলেছি। সে ছিল আমাদের জন্য অতি আহ্লাদের জায়গা। অত্যন্ত সহজসরল আর ভালোমানুষ ছিল আমার দিদি।শাশুড়ি হিসেবে আম্মা-চাচিমাদের দিদি দিয়েছিল অবারিত স্বাধীনতা।গভীর স্নেহমমতা ও উদারতায় দিদি ছিল খানিকটা বাউল কিসিমের মানুষ। আর …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

আসা-যাওয়ার পথের পাশে যুদ্ধের চিন! মাত্র কিছুদিন আগেই যে আমরা এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের ভেতর দিয়ে গিয়েছি, সেই যুদ্ধের নানা চিহ্ন তখনও সিলেটের নানা জায়গায় বিদ্যমান ছিল। সরকারি অগ্রগামী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে আমাদের ক্লাসরুমগুলিতে তখনও নানান ধরণের পোস্টার সাঁটানো ছিল। ক্লাস ফোর-বি তে একটা পোস্টার ছিল, …

দিলারা হাফিজের মুক্তগদ্য: অগ্রজেরা নতুন কবিতা লিখিয়েদের যা বলতেন

যার নাড়িতেই কবিতা থাকে, দেহের তন্তুতে বাক্ ও ছন্দের প্রতি আকর্ষণ। তার অন্য পথে যাবার উপায় নেই যে! তাকে শেষ পর্যন্ত কবিতাই লিখতে হয়। কিন্তু তারও তো সামান্য প্রস্তুতি থাকতে হয়? সে আবার কি? আমার গল্পটিই না হয় বলি, প্রসঙ্গে যাবার আগে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা …

সেলিম জাহানের গদ্য: ক্যাফে নিরো

বাঁয়ে ঘুরতেই ক্যাফেটা নজরে পড়ল– সুন্দর নামটি ‘ক্যাফে নিরো’। ভীড় আছে বেশ– ক্যাফের ভেতরে তো অবশ্যই, কিন্তু সেই সঙ্গে যেখানে খাবারের কথা বলতে হয়, সেখানেও। কিন্তু বিমান থেকে নেমেই কফি-তৃষ্ণা এতো প্রবল হয়ে উঠেছে যে সাত-পাঁচ না ভেবে কোনের দিকে একটা টেবিলে আমার জিনিসপত্র রেখে …

পাপড়ি রহমানের স্মৃতিগদ্য: সুরমাসায়র

[মানুষের কাজই তাঁকে আলাদা করে চিনতে শেখায়। জামদানি তাঁতিদের নিয়ে উপন্যাস ‘বয়ন’ (২০০৮) ও পালাকারদের জীবন ভিত্তিক উপন্যাস ‘পালাটিয়া’ (২০১১) লিখে পাপড়ি রহমান নব্বই দশকের সেরকম একজন ব্যতিক্রমী এবং উল্লেখযোগ্য কথাশিল্পী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন। আমরা আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, সাহিত্য ক্যাফে পাপড়ি রহমানের  স্মৃতিগদ্য …

Back to Top