স্বর্ণেন্দু সেনগুপ্তের গুচ্ছ কবিতা

পিতার দৃশ্য জুড়ে রাস্তার দৃশ্য ক্রমশ দূরের দিকে যায় গৃহিপালিতের দিকে চেয়ে থাকার পরিণামগুলি বিকেলের অনভ্যাসে মানবিক হয়ে ওঠে দিন শূন্যতাও চলমান, স্থিরতার স্পর্শে জেগে ওঠে মানুষের হাত থেকে ফুলের আতিথ্য ঝরে যাওয়ার আগে বিকেলের দ্বিপ্রাহরিক, পিতার দৃশ্য জুড়ে স্থির হয়ে আছে গৃহময়তার আগে বাতাস …

আউয়াল আনোয়ার: দশটি হাইকু

১. কেউই নও ছিলেওনা কখনো সময় সত্য ২. আমি ছিলেম? বর্তমানই সত্য কেউ থাকেনা ৩. কেঁদেছো মন? শান্তি পেতেও পারো কাঁদছি খুব ৪. সত্য সময়? এখনই সময় শুরু করেছি ৫. ভোরের সূর্য ডিমের কুসুমটি এক নয়তো ৬. ভালোবাসোগো দ্বিধাহীন চিত্তেই ভোর আসবে ৭. হিংস্র কেনো …

কুন্তল মুখোপাধ্যায়ের একগুচ্ছ কবিতা

প্রার্থনা নিজের সংগে একলা থাকার সঙ্গতি দাও গাছপালারা যেমন থাকে একলা একলা তাঁতিপুকুর ভরা শহর দাঁড়িয়ে থাকে অনতিদূর – সারাটি রাত প্রদীপ জ্বেলে ল্যাম্পপোস্টের দাঁড়িয়ে থাকা সারাটি দিন জাগতে থাকা মনের মধ্যে নীল নিরাকার … ঘুরতে ঘুরতে বামাবর্তে যৌনতাহীন মাঠের মধ্যে একটি পাগল কী উদাসীন …

রনক জামানের একগুচ্ছ কবিতা

প্রতিভা একটা লম্বা চুল সারাদিন ঘুরেফিরে যুবকের মেরুন জামায়। আপাতত এইটুকু সুখ, আর ভাবনার দু’একটা হৈচৈ—মাথার ভেতর। বাইরে দীর্ঘ শীত। চুমুর অভাবে তার ঠোঁট ফেটে যায়। সারাদিন ঘুরেফিরে তাই, যুবকটি অনুসরণ করে—একটি লম্বা চুল; দেখে নেয় চুপিচুপি—সে চুলের বাকিটা মানুষ, ঠোঁট, চুমু আর অন্যান্য মেয়েটি—মূলত …

রেজাউদ্দিন স্টালিনের কবিতা: পিঁপড়ের স্টেশন

একজন জিজ্ঞেস করে কোথায় যাবেন কেউ গন্তব্য বলে না পাখিরা কোথায় যায় কেউ জানে নিষিদ্ধ পল্লীর পাশ ঘেষে যাত্রীদের কাছে পাখি কেনা-বেচার কৌতুক চলে প্লাটফর্মের আকাশ সীমাবদ্ধ হুইসেলের শব্দে হারিয়ে যায় ভূগোল প্রান্তর গিলতে গিলতে সামনে এসে দাঁড়ায় বিশাল পিঁপড়ের সারি রুদ্ধশ্বাস যাত্রীরা অজগরের পেটে …

হিন্দোল ভট্টাচার্যের কবিতাগুচ্ছ

লা দলচে ভিতা ভাসে; যার ভার নেই কোনও, ঘাটও নেই, মান্দাস যেমন, যেন এই দূর থেকে দেখাই আসল। কোথাও থাকার টান রয়ে যাওয়া মানে তার নিজেকেই ভালোবেসে ফেলা; একটি কাচের ভাঙা টুকরোয় যে আকাশ দেখা যায়, তা সত্যি নয়, শুধু একটি আকাশের মতো কিছু, সে …

শাহীদ লোটাসের তিনটি কবিতা

মহা লগ্ন গন্তব্যস্থানে পৌঁছেছি ! তোমার তীক্ষ্ণ চক্ষু অথবা পঞ্চেন্দ্রিয় দেখে না কিছুই আমার এই উত্তীর্ণ হওয়া অথবা পুরাতন জীবন নতুন করে পাওয়া। পৃথিবীর যত প্রেম যত ব্যথা আছে আজ যত স্বপ্ন যত না পাওয়ার কোলাহল সবে যেন মিথ্যে মরীচিকা আর মর্ত্যলোক, তুমি তো দেখ …

অভ্র আরিফের তিনটি কবিতা

স্বপ্ন ঘুম ও জাগার বাইরের যে মুহূর্ত– সেখানটাতে আটকে আছি হাওয়ায় দুলে দুলে শূন্যে ভেসে তোমার বাড়ি পৌঁছে যাই সদর দরজায় আটকে দেয় তোমার ডাবের মতো চোখ আমার কর্নিয়া রিডেবল তোমার চোখে চোখ রাখতেই হৃদয়ের কপাট খুলে যায় তোমার তারপর করতলে বন্দী করে হাত, চিবুক …

কামরুল হাসানের গুচ্ছ কবিতা

এই নাও দাহ ভেতর কঙ্কাল নেবে? আলোর দহন ঢেউ আলোকিত ভোর কালোর কলঙ্ক গাঁথা তপ্ত বাহুডোর। গুচ্ছ আর পুঞ্জময় বিভক্ত পীরিতি মোমের প্রতিমা শব, প্রসূন প্রতীতি। নেবে? ঐ দীর্ঘ স্বর্ণাভ স্মৃতিতন্তুজাল?   প্রথম পাঠ পাঠ ভুলে থাকি, প্রতিপাঠ ভুল হতে থাকে! সে উদ্ভিন্ন, পাতা থাকে …

একরাম আলির একগুচ্ছ কবিতা

কিডন্যাপ জংলা ফলের শাঁস তুমি বোবা মন গাঁয়ের কিশোরী যেমন বহু হাত ঘুরে পৌঁছোয় অচেনা উপকূলে হাওয়ার টানা গর্জনে জেগে থাকে ভয়ে আলো নিবে গেলে গোঙায় লোহালক্কড়ের অন্ধকারে ঘুম-ঘুম বন্দরের হাঁটাচলা পরস্পরবিরোধী বিশ্বাসের ফাঁকে তার চোখ ঝুলে থাকে ভীত   ছবি আজ ফের সব কিছু …

শিমুল আজাদের সাম্প্রতিক কবিতা

মেহেরগড় আদিতে ভারত ভিন্ন প্রস্তর যুগের পৃথিবীর পুরাতন প্রাচীন সভ্যতা; বালুচিস্তানের কাচ্চি, সমতল ভূমি বোলান নদীর পাড়ে কোয়েটা শহর- উচ্ছ্বল দিনের ভাঁজে রোদের ঝকমক। কিলেগুল, মহম্মদ, কোটডিজি গুমনা, মুণ্ডিপাক, মেহের গড়- রানা ঘুনডাই, প্রাচীন আনজিরা খ্যাত নিত্য পাকিস্তান। চাষাবাদ ও শিকার, পশুর পালন, মাটিগৃহে বসবাস, …

লুবনা ইয়াসমিন: কবিতার পেছনের গল্পযাত্রা

নর্দার্ন লাইটস চলো একবার যাই, ঘুরে আসি উত্তরে সম্ভোগ, অনুরাগ, বিরাগ, কিচ্ছু নয়… আকাশ-চেরা রোশনাই খুঁজে রাত্রির পথে কেবল চেয়ে থাকবো দ্যুতি জ্বেলে চোখে রাতের নির্মল আকাশে, অন্ধকার নিবিড় হলে! পরস্পরকে দেখবার দরকার নেই, পাশাপাশি আছি, বুঝে নিলেই হবে নিঃশ্বাসের ওঠা নামায় নর্দার্ন লাইটস জ্বেলে …

যশোধরা রায়চৌধুরীর একগুচ্ছ কবিতা

নাও যখন বেরুলাম আমরা, তখন ছিল জোয়ারের সময়। নৌকো বাঁধা হল যেখানে, জল সেখান থেকে অনেক নিচে। নাইয়া বলল, রোসো। সরু ফিনফিনে একটা কাঠের তক্তা সে পেতে দিল একেবারে জেটি থেকে নৌকো অব্দি কাঠের তক্তার গায়ে খাঁজ কাটা কাটা। আরো সরু সরু সব তক্তা বসিয়ে …

শেলী নাজ: মরণরঙ্গের আলোর ফেরিতে, একলা আগুন

একলা আগুন এ আগুন একাকিনী, সন্ধ্যার গাউন পরে দাঁড়িয়ে রয়েছে মরণরঙের আলোর ফেরিতে, দাহ্যহাড়লোভী, রাক্ষুসে, বর্ণাঢ্য! ভস্ম করবার বিষ নিয়ে ঘোরে ফেরে, গৃহবিমুখ, নির্জন হারমোনিয়ামের রিডে সুর জ্বলে যাচ্ছে, জ্বলছে লিবিডো সন্ধ্যা তাকে ছাড়াই ধাবিত মধ্যরাতের নিদ্রায় এ আগুনের বুকে ঘুম নাই, চোখে ময়ূরাক্ষী তার …

নজরুল মোহাম্মদের একগুচ্ছ কবিতা

লকআপ জলমগ্ন জীবন জামদানি আঁচলে ভাসিয়ে দিই—দেয়ালের বুকে পেরেক ঠুকে ঝুলিয়ে দিয়েছি ছবির ফ্রেম! খুনসুড়ি রাতের চোখ গলে সেতারে উঠছে ঝড় সুরের মূর্ছনায়!জানালার পর্দা ভীষণ কাঁপছে জ্বরে বাতাসের শিহরণে—তাতিয়ে ওঠা রোদ ব্যালকনির গা ঘেঁষে চাইছে শীতল সবুজের প্রশ্রয়! চায়ের কাপে ছাইয়ের মাখামাখি অবশিষ্ট জল—শাদা পাঞ্জাবির …

বুবুন চট্টোপাধ্যায়ের একগুচ্ছ কবিতা

যাপন ভাঙা হারমোনিয়ামের মতো সকাল। ফাটা বাজারে থলে থেকে যেটুকু রোদ্দুর পিছলে পড়ে সেই আমাদের ডাল, ভাত। সকাল দশটার টাইমের জলের মতো সরু হয়ে বিষাদ পড়ে আমাদের বারোয়ারি চানঘরে। কতটা পথ হাঁটলে তবে গরিবি ভোলা যায়। কতটা নেশা করলে তবে আমীর হওয়া যায়। এইসব ভাবতে …

রথো রাফির একগুচ্ছ কবিতা

ভার একশ বছর ধরে দাঁড়িয়ে আছে একটি নিষ্ফল গাছ তুমি কি তার কষ্ট বোঝো! অথচ এর পেছনে আজো তার কোনো হাত নেই! তাহলে বন্ধ্যা এ শব্দটি কেমন করে উচ্চারণ করো ঠোঁটে মৃদু বাঁকা হাসি নিয়ে! একশ বছর, একশ বছর ব্যর্থতা নিয়ে বসন্ত বাতাস বুকে নিয়েছে …

সোনালী চক্রবর্তী সিরিজ: ‘প্র-অতি-পরা’ লৌকিক

পয়লা বৈশাখ, ১৪২৭ প্রাচীন নগরীর চবুতরায় তিনি কুম্ভকে বহুদিন, চাঁদ ভাসে, সূর্য ডোবে নির্লিপ্ত পরিক্রমায়, আশ্চর্য মহামুদ্রা তার, যেমত প্রস্তর, উদাসীন। নির্বাসিত সেই ছায়ার ভারে ইদানিং গোধূলির চোখ অতিরিক্ত কাজল টেনে ফ্যলে। ছেঁড়া প্রদীপের পদ্ম ভেসে এলে পিঙ্গল সমুদ্রের আড়ালে শীতল আগুন প্রসারিত হয়ে নিমেষে …

মনিকা আহমেদের গুচ্ছ কবিতা

ন হন্যতে বললে, তুমি কী রোমান্টিক! আমি বললাম, রোমাঞ্চকর… তুমি সশব্দে হাসলে। বললাম, তুমি তেতুঁলগাছের ভুতুড়ে হাওয়া। তুমি বললে, ‘হ্যাঁ, তাই তো আমি বুড়ো বটগাছটার শেকড়ে শেকড়ে স্রোতের ছলছলানি’ কিন্তু তুমি অন্যরকম, তুমি পারমিতা– ‘ত্বমসি মম জীবং’… দার্জিলিং এর ঘুম স্টেশনের ট্রয়ট্রেন। ঝমঝম শব্দ তুলে …

ফুয়াদ হাসানের কবিতা ডায়েরির শায়েরি

ডায়েরির শায়েরি ফুয়াদ হাসান * আসমান ও জমিনের মাঝখানে যে সব অনুভূতি ঝুলছিল, তাদের কিছু খুঁজে পাবে এখানে। আর কিছু ছেড়া কাগজের টুকরো, দীর্ঘদিন বইচাপা পড়ে শুকিয়ে চেপ্টা হওয়া পাতাসহ একটি গোলাপ, হলুদ চিঠিপাতার ফাঁকে ফসিল হয়ে থাকা পুরাতনী ঘ্রাণ অথবা রঙহারা কোন প্রজাপতির খোলস। …

লুৎফুল হোসেনের কবিতাত্রয়ী

এক বিকেলে চায়ের কাপে চায়ের কাপে ধোঁয়ার মাপে চুমুক চুমুক সখ্যতা যেনো বিজ্ঞাপনে সুর মেপে আজ একশো বেলুন মুখরতা স্মৃতির সাঁকো নাড়তে থাকো নাব্য গভীর মগ্নতা দুঃখগুলো হাওয়াই ফানুস হুল ফোটানো সভ্যতা এক বিকেলে তোমার ছাদে নামলে কিছু উষ্ণতা উড়িয়ে দিও সুতোর প্যাঁচে আকাশমুখর ঘুড্ডিটা …

কাজী গিয়াস আহমেদের একগুচ্ছ কবিতা

তন্দ্রালোকের অন্তকথা সূর্য উঠে… সূর্য ডোবে…আবার সূর্য উঠে… এই গ্রামে আমাদের বাড়ি সকালের সাথে দেখা হয় বিকালের সাথে খেলি সন্ধ্যা অধিক সুন্দরী বেশিক্ষণ থাকে না… রাত মায়ের মতো, বউয়ের মতো বিছানা পেতে ঘুমাতে দেয়। স্বপ্নরা সারারাত আড্ডা বসায় কোনদিন গানের জলসা, পাঠচক্র… বছর আসে, মাস …

মিতুল দত্তের কবিতা মিঠু আর দুগ্গামাঈ 

মিঠু আর দুগ্গামাঈ ১ দুগ্গামাঈ দেখো ওই হ্যাঁ-পদ্ম না-পদ্ম ভাসে জলে আর জলের দক্ষিণে বালিটিকুরির ধোঁয়া যেদিকে উড়েছে সেই অগ্নি না বায়ু না কোন ঈশানে নৈঋতে ভাঙা ঘর আলো করা অদ্ভুত চাঁদের গ্রাম চাদরে পানের নকশাকাটা বুড়োবুড়ি গল্পে বসে সন্ধের রোয়াকে আর চিলেকোঠা থেকে কার …

জেনিস মাহমুনের সাম্প্রতিক কবিতা

আয়না সবুজ কুঠার দিয়ে কেটেছি কালো গাছ সবুজ বর্শা দিয়ে গেঁথেছি কালো মাছ সে-কুঠার ঐতিহাসিক, সে-বর্শা চিহ্নের মতো বিস্ময়! তাদের গল্পে দম ফেটে ফেটে অনুনাসিক। পৃথিবীর জাদুঘরে সময়ের কঙ্কাল রাখা আছে তার পাশে সবুজ কুঠার, বর্শার ধার। তাদের চোখ ঘষে ঘষে দেখতে আসে মহাকাল! কুঠারের …

শান্তিময় মুখোপাধ্যায়ের একগুচ্ছ কবিতা

খারিফজন্ম ভাটিয়ালি আকাশের পাশে চুপ করে বসে আছে পর্যটনপ্রিয় দোতারাটি দু-তারের ভেতর ঢেউ বিনিময় শুধু হাসিটুকু জেনেছে আমাদের সর্ষে বীজ বোনা মাঠে ভূগোলস্যারের প্রতিবেদন এটুকুই লাঙল ফলার রোদে শুকানো দেহাতি টোটেম কিছুটা হলেও তার ওম পুড়িয়ে দিচ্ছে বীজতলা খারিফজন্মের দিনগুলো মনে রেখে   রোমন্থন শেষপর্যন্ত …

ফায়সাল আইয়ূবের তিনটি কবিতা

ইউথেনেসিয়া বেলজিয়ামের বাসিন্দা হলে অনেক আগেই ইউথেনেসিয়া পেপারর্সে সাইন করে ফেলতাম দুর্ভাগ্য, আমি ফরাসিদের প্রতিবেশী— এদেশে এখনো এটি বৈধতা পায়নি আর যা কিছু অবৈধ তার সম্পাদন সকল দেশেই অপরাধ মরে অপরাধী হলে তোমাকে এর শাস্তি পেতে হবে তোমাকে আমার মৃত্যুর কৈফিয়ত দিতে হবে অথচ আমি …

শ্যারন ওল্ডসের কবিতা পরিচিতি ও ভাষান্তর: সাবেরা তাবাসসুম

“প্রতিটি সঙ্গম একটা আত্মা— লাজুক, আরক্ত এবং প্রার্থনারত” [অ্যামেরিকান কবি শ্যারন ওল্ডসের কবিতার সাথে আমার প্রথম পরিচয় কবি শামস আল মমীন অনূদিত সাম্প্রতিক অ্যামেরিকান কবিতার বইয়ের পাতায়। এরপর ১৯৯৯ সালে প্রকাশিত তাঁর কবিতার বই Blood, Tin, Straw হাতে এলে আরেকটু পাকাপোক্ত রকমের চেনা-জানা হতে থাকে …

পিয়াস মজিদের কবিতা ও কবিতা ভাবনা

আগুনের আল্পনা আমি কোথায় আমারই অশরীরী আল্পনায় রোদের তীব্র ছায়া ভেসে যায়। কত পরি পেরিয়ে জন্মসনদের খোঁজে গেছি তোমার মায়ামর্গে; সেখানে লেখা হয়ে আছে কবির কফিন; তার ধূপশব্দ আর ছন্দ। তারার পাতাল থেকে যাকে ডুবিয়ে মারে দিগন্তের নীচুনীল নাব্যতা।। গনগনে গদ্যকবিতায়ও তার ভেতর উপচে পড়ে …

Back to Top