নাহার মনিকা: বিসর্গ তান-২৬

ভিন্সেণ্টের বাড়ির গাড়ি বারান্দায় বোগেনভেলিয়া উবু হতে হতে মাথা ছুঁয়ে দেয়ার মত, বেশ বড় কম্পাউণ্ডের বাসা, জনশূন্য। বিস্ময়কর রকমের পরিচ্ছন্ন …

আহমেদ নকীবের একগুচ্ছ কবিতা

যারা ছিলো সব বেশরম চোখ  যখন লিখলাম মেয়েদের দেখতে আমার ভালো লাগে, ভাবীরা পরস্পর মুখ দেখাদেখি করলেন আর চোখ খুলে নিয়ে পেরেক মেরে লাগালেন একজন আরেকজনের কপালে

লুবনা ইয়াসমিনের একগুচ্ছ কবিতা

সূর্য উঠবেই আলোর শহর তেমনি সম্মোহক, শুধু উধাও জীবনের তাপ-উত্তাপ, অন্ধকার কোণাগুলো ঝুম নির্জন, আলো অন্ধকারের পরিক্রমায় রাত্রির বয়স বাড়ে, …

ললিতা: ভ্লাদিমির নভোকভ

৯. ডিভোর্সের ঝামেলায় আমেরিকা যাবার দিনক্ষণ পিছিয়ে গেল। তার উপর তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে শীতের শেষের …

পলি শাহীনা: লাল জামার ঘ্রাণ

ঈদ সমাগত। ঈদ এলে বারবার ঘুরে ঘুরে মনে পড়ে পেছনের দিনগুলো। ছোটবেলায় ঈদের আনন্দ শুরু হতো প্রথম রোজার দিন থেকেই। …

সেলিম জাহান: আমার মায়েরা

আজ মাতৃ দিবস— যেখানে যত মা’ আছেন, তাঁদের মায়াময় স্বীকৃতি দেয়ার দিন। জানি, অনেকেই এ জাতীয় দিনচিহ্নিতকরণ পছন্দ করেন না, …

কী লিখবেন কিংবা লিখবেন না: দিলারা হাফিজ

‘বাংলা ভাষা ও বানানের প্রতি সৎ থাকুন’- এই কথাটি বললে কি আপনি আমার দোষ নেবেন? নিশ্চয় নেবেন না। জানি, বাংলা …

ফারহানা রহমানের একগুচ্ছ কবিতা

মোহকাল এ পথেই বসে থাকি অনন্ত ঋতুকাল মৃত পাথরের মতো তরঙ্গহীন অভিশপ্ত পাখির নিদ্রাহীন আয়তচোখে যেভাবে তীরকাঁটা বিঁধে আছে শূন্য …

সুধাংশু শেখর বিশ্বাসের রম্য স্মৃতিগল্প: মুরগির রান

মুরগির মাংস আমার যে খুব প্রিয় তা নয়। তবে আমাদের ছোটবেলায় হিন্দু বাড়িতে মুরগির মাংস খাওয়ার চল ছিল না। ছিল …

বাবলী হকের রম্যগদ্য: সলিটারি থেকে মিলিটারি – ৪র্থ পর্ব

যশুরে বিলাস ডিসেম্বর মাস শুরু হতেই ক্যান্টনমেন্টে একটা যুদ্ধ যুদ্ধ আবহ তৈরি হয়! না। বিজয়ের মাস বলে নয়। এই সাজসাজ …

খালেদ হামিদী: পঞ্চকাব্য

কথোপকথন পুঁজিবাদী পর্বের সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় কুসংস্কারের নাম প্রেম। -হুমায়ুন আজাদ গোমর ফাঁস হলে গোবর মারে মুখে, অমন তরুণীর …

আনোয়ারা সৈয়দ হকের গল্প: গলাসি

কীর্তনখোলা নদীর ধারে দাঁড়িয়ে যখন বন্ধুদের সঙ্গে আলাপ করছিলাম, তখন তার সঙ্গে দেখা। এতদিন শুধু সে ছিল ফেসবুকে। তারপর একটা …

নাহার মনিকা: বিসর্গ তান-২৫

কুমকুম টিভিরুমের সামনে নিধিকে পাকড়াও করে,´এই মেয়ে তোকে দেখিনা কেন? আয় আমার সঙ্গে’। নিধির তখন টেলিভিশনে সন্ধ্যেবেলার খবর দেখার সময়। …

ট্রান্সট্রোমারের কবিতা: পর্ব-৫ (শেষ)

  দিনরাত্রির পালা কাঠপিঁপড়েটা শূন্যদৃষ্টিতে নিঃশব্দে পাহারা দিয়ে যাচ্ছিল। অন্ধকার পত্রালির ফোঁটা ফোঁটা শব্দ এবং গ্রীষ্মের গিরিখাতের গভীরের রাত্রির মর্মর …

ললিতা: ভ্লাদিমির নভোকভ

৭. এরপর সিদ্ধান্ত নিই এবার সত্যি বিয়ে করে ফেলব। বিয়ের চিন্তা মাথায় আসতেই ভাল-মন্দ দিকগুলো ভাবতে শুরু করলাম। যদিও এ …

ফেরদৌস নাহার: ফেদেরিকো গার্সিয়া লোরকা; সে আমার স্মৃতিকাতর মুখে একটি চুম্বন

ফেরদৌস নাহার ফেদেরিকো গার্সিয়া লোরকা; সে আমার স্মৃতিকাতর মুখে একটি চুম্বন কমরেড, কমরেড! চলো কমরেড চলো, আজ রাতে জ্বলন্ত জ্বলে …

সেলিম জাহান: দেখা হয় নাই হৃদয় খুলিয়া

আস্তে আস্তে ভোর হচ্ছে— ফিকে অন্ধকার কেটে যাচ্ছে। ঘরের বাইরে রাস্তার ফুটপাতে জোড়া জুতোর শব্দ—কারা বোধহয় কাজে যাচ্ছে, নিশ্চয়ই অপরিহার্য …

কামরুল হাসানের ছোটগল্প: কুকুর

জন্তুটা হাঁটছিল আনমনে, একরোখা সড়কটির উপর এলোমেলো পদক্ষেপে, যেন মাটিতে ছায়ার টুকরো খুঁজে বেড়াচ্ছিল সে। শুকতে শুকতে সন্দেহ বোঝাই পা …

নাহার মনিকা: বিসর্গ তান-২৪

-‘আমি একটা শর্ট কার্ট জানি, চল ঐ দিক দিয়া শাহবাগ যাই রিক্সা নিয়া’- ইউসুফ বলে। আবারো গাউসিয়ার ফুটপাতের জুতার দোকানগুলি …

হামিদুল ইসলামের কবিতা

অশ্বশক্তি ভবঘুরে স্মৃতিগুলো ফেলে আসি দূরে রঙময় জীবন সারি সারি মেঘ নিঝুম রাত্রি বুজে আসে দুচোখের পাতায় শব্দরা এখন জবানবন্দি …

ক্ষমা মাহমুদের গল্প: সমুদ্রের কাছে দুঃখ জমা রাখি

একদম কাক ডাকা এক ভোরে গ্রীনলাইনের নন এসি বাসটা এসে কলাতলি বাসস্ট্যান্ডে আস্তে আস্তে থামলো। বাসের যাত্রীরা মোটামুটি সবাই এখনও …

ট্রান্সট্রোমারের কবিতা: পর্ব-৪

  সকালবেলার পাখি গাড়িটাকে জাগিয়ে তুললাম যার উইন্ডশিল্ডটা ঢেকে ছিল পরাগরেণুতে। সানগ্লাসটা চোখে দিলাম। পাখির কূজন অন্ধকার হয়ে এল। যখন …

সেলিম জাহানের মুক্তগদ্য: আমার সত্তা, আমার ধর্ম

একজন মানুষের নানান সত্তা থাকে, থাকে নানান পরিচয়। এই যে আমি— আমি তো একজন বহুধা সত্তাসম্পন্ন মানুষ। আমি দক্ষিণ এশীয়, …

নাহার তৃণার নভেলা: অদ্বৈত পারাবার-পর্ব-৮ (শেষ)

সিঁড়ি বেয়ে উপড়ে উঠতে যাবার মুখে একটা সম্মিলিত খিলখিল হাসির শব্দে থমকে যেতে হয় খাদিজা খানমকে। শব্দটা নীচতলার ফারুকের ঘর …

মালেক মুস্তাকিমের প্রেমের কবিতা  

ফিরিয়ে নাও, গোলাপকাঁটা      সব উপেক্ষা ফিরিয়ে নাও ফিরিয়ে নাও পায়ে হাঁটা সব পথ, অনিদ্রারাত ফিরিয়ে নাও মুখের দিকে চেয়ে …

Back to Top